Dipanwita Rakshit: বৃন্দাবন বিলাসিনী-তে হঠাৎ এন্ট্রি দিপান্বিতার! সান বাংলার মেগায় কী করছেন নায়িকা?

Dipanwita Rakshit: সান বাংলার বৃন্দাবন বিলাসিনী-তে সতীন-কাঁটায় বিদ্ধ বিনু। এর মাঝেই গল্পে এন্ট্রি দীপান্বিতার, ব্য়াপারটা কী?

Published on: Dec 09, 2025 8:30 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বেশ কয়েকদিন ধরেই টেলিপাড়ায় গুঞ্জন ছোটপর্দায় ফিরছেন দীপান্বিতা রক্ষিত। খুকুমণি হোম ডেলিভারি খ্যাত নায়িকা নাকি খুব শিগগির দেখা যাবে সান বাংলার বৃন্দাবন বিলাসিনীতে। ধারাবাহিকে এখন টানটান উত্তেজনা। গল্পের হিরো কৃষ-এর বিয়ে বলে কথা! সেখানেই হাজির থাকবেন এই সময়কার অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী দিপান্বিতা রক্ষিত। নাচ-গানে ভরপুর হয়ে উঠবে বিয়ের আসর।

বৃন্দাবন বিলাসিনী-তে হঠাৎ এন্ট্রি দিপান্বিতার! সান বাংলার মেগায় কী করছেন নায়িকা?
বৃন্দাবন বিলাসিনী-তে হঠাৎ এন্ট্রি দিপান্বিতার! সান বাংলার মেগায় কী করছেন নায়িকা?

অভিনেত্রী দীপান্বিতা রক্ষিতের কথায়, ‘বৃন্দাবন বিলাসিনী পরিবারে এই প্রথম এলাম। দারুন হৈ হৈ করে শুটিং করেছি। পুরনো অনেক লোকজনের সঙ্গে দেখা হল। খুব মজা করে শুটিং করেছি আমরা।’

এই মেগায় বিনুর চরিত্রে সুদীপ্তা রায়। তাঁর বিপরীতে রয়েছেন রাহুল গঙ্গোপাধ্য়ায়। কৃষ্ণভক্ত বিনুর জীবনের ওঠাপড়াকে ঘিরেই এই গল্প। বিনুকে আশ্রমে পাঠানোর পর, ফের কৃষ্ণের বিয়ের ঠিক করেন মোহিনী। পাত্রী রুক্মিণী। পুরো বাড়ি উত্তেজনায় ভরা, এমন সময় কৃষ্ণের ঠাকুমা হরিপ্রিয়া এবং কাকা গৌরাঙ্গ একটি শর্তে বিনুকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনেন। বিনুকে সেখানে একজন পরিচারিকার মতো থাকতে হবে। কৃষ্ণ এবং রুক্মিণীর বিবাহে বিনু সমস্ত গৃহস্থালির কাজ করলেও,তাঁর মন কাঁদছে।

অন্যদিকে, কৃষ্ণও উপলব্ধি করেন যে, মায়ের চাপে তিনি বিবাহে রাজি হলেও, তিনি বিনুকে ভুলতে পারবেন না। কৃষ্ণ এবং বিনু বারবার মুখোমুখি হন, তবুও কেউ তাদের সত্যিকারের ভালোবাসা প্রকাশ করতে পারে না। সঙ্গীত, মেহেন্দি, গায়ে হলুদ - সমস্ত প্রাক-বিবাহ অনুষ্ঠানে কৃষ্ণ এবং বিনু ভাগ্যের কারণে একে অপরের মুখোমুখি হন। অন্যদিকে, রুক্মিণী তাঁর সমস্ত প্রচেষ্টা সত্ত্বেও কৃষ্ণের হৃদয় জয় করতে ব্যর্থ হন। শেষ পর্যন্ত, বিবাহ মণ্ডপে, সিঁদুর-দানের মুহূর্তটি যখন কাছে আসে, বিনু মা কালী এবং ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কাছে প্রার্থনা করেন যেন কৃষ্ণ এবং তাঁর সুখের সর্বদা রক্ষা করেন। একটি অলৌকিক ঘটনার মাধ্যমে, সিঁদুর-দানের সময়, বিনু যখন চিরতরে বাড়ি থেকে বের হতে যাচ্ছিল, কৃষ্ণের বাবা এসে হাজির হন। মোহিনীর সামনে দাঁড়িয়ে তিনি ঘোষণা করেন যে তিনি কৃষ্ণকে রুক্মিণীর সাথে বিয়ে করতে দেবেন না।

তিনি ইতিমধ্যেই মোহিনীর বিশ্বাসঘাতকতার কারণে তার নিজের জীবন ধ্বংস হতে দেখেছেন, তাই তিনি তার ছেলের জীবন কোনোভাবেই ধ্বংস হতে দেবেন না। তাছাড়া, কৃষ্ণ এবং বিনুর ডিভোর্সের কাগজপত্র কোথাও পাওয়া যায় না। তাই আইনগতভাবে, বিনু এখনও কৃষ্ণের স্ত্রী, এবং তাই এই বিয়ে হতে পারে না! এরপর কী ঘটবে? সত্যি কি ভেস্তে যাবে কৃষ ও রুক্মিণীর বিয়ে? তা উঠে আসবে সিরিয়ালের আসন্ন এপিসোডে।