Esha Deol-Dharmendra: শেষজীবনে ধর্মেন্দ্রর কাছে ঘেঁষতে দেননি হেমাকে! তবে মায়ের সতীনকে ভুললেন না এষা
Esha Deol-Dharmendra: ধর্মেন্দ্রকে স্মরণ করে আবেগঘন মেয়ে এশা। বাদ পড়লেন না মায়ের সতীনও।
ধর্মেন্দ্র মৃত্যুরশোক এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি দেশ। অভিনেতার শেষকৃত্য হয়েছিল লোকচক্ষুর আড়ালে, সেই নিয়ে ফিসফিসানির শেষ নেই। অভিনেতার প্রার্থনাসভাতেও দেখা যায়নি তাঁর অন্য পরিবারকে। সানি-ববি এবং অভিনেতার প্রথমপক্ষের দুই মেয়ে থাকলেও ছিলেন না এশা-অহনারা।

এবার হেমা মালিনী তাঁর প্রয়াত স্বামীর স্মরণে একটি পৃথক প্রার্থনাসভার আয়োজন করেছিলেন। সদ্যবিধবা অভিনেত্রী সেখানে জোর গলায় বলেছেন, ‘আমরা শুধু পরস্পরকে ভালোবেসেছিলাম’। হেমার আইনি স্বীকৃতি নেই ধর্মেন্দ্রর স্ত্রী হিসাবে, কারণ প্রকাশ কৌরকে কোনওদিন ডিভোর্স দেননি প্রয়াত অভিনেতা। বলিউডে জোর গুঞ্জন শেষজীবনে অসুস্থ ধর্মেন্দ্রর পাশে হেমা ও তাঁর দুই মেয়েকে ঘেঁষতে দেয়নি দেওল পরিবার। সানি এই ব্যাপারে অনেকটা শিথিল হলেও বাকিরা এক্কেবারেই চাননি ধর্মেন্দ্রর শেষযাত্রায় সামিল হোক হেমা ও তাঁর পরিবার।
তবে এশা দেওল প্রয়াত বাবা এবং অভিনেতা ধর্মেন্দ্রের প্রতি একটি আবেগঘন শ্রদ্ধাঞ্জলি পোস্ট করেছেন, সেই ভিডিওতে কিন্তু বাদ যায়নি তাঁর প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌর এবং নায়িকার সৎ দাদা-দিদিরা। ধর্মেন্দ্রর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে পরিবারের উভয় পক্ষই পৃথক প্রার্থনা সভার আয়োজন করেছিলেন। এশা দেওল বৃহস্পতিবার ইনস্টাগ্রামে একটি মর্মস্পর্শী ভিডিও শেয়ার করেছেন, যেখানে ধর্মেন্দ্রর উজ্জ্বল চলচ্চিত্র কেরিয়ারের স্মরণীয় মুহুর্তগুলির কোলাজ রয়েছে।
দিলীপ কুমারের এক অনুষ্ঠানে ধর্মেন্দ্রের প্রশংসা করেছিলেন, সেই বিরল ক্লিপও অন্তর্ভুক্ত ছিল এশার পোস্টে। বাবার চলচ্চিত্র জীবনের সাফল্যের বাইরে,ব্যক্তিগত জীবনের একটি হৃদয়গ্রাহী ঝলক উপস্থাপন করেছেন এশা। এতে তাঁর প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌর এবং তাদের সন্তান সানি, ববি, বিজেতা এবং অজিতা দেওলের সাথে মুহুর্তগুলি সহ বিরল পারিবারিক ফটোগ্রাফ রয়েছে।
সত্তরে দশকের অন্যতম প্রিয় অন-স্ক্রিন জুটি ছিলেন হেমা-ধর্মেন্দ্র। ড্রিম গার্ল হেমার স্বপ্নের পুরুষ ছিলেন চার সন্তানের বাবা-বিবাহিত নায়ক। একসঙ্গে শরাফাত, তুম হাসিন ম্যায় জওয়ান, নয়া জামানা, সীতা অউর গীতা, রাজা জনি, শোলে-র মতো ছবিতে কাজ করেছিলেন। গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল যে তারা অফ-স্ক্রিনেও প্রেম করছেন। হেমার মা-বাবা এই বিয়েতে রাজি হননি, কারণ ধর্মেন্দ্র ইতিমধ্যে প্রকাশ কৌরের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ ছিলেন। যাইহোক, সাত বছর প্রেমে পড়ার পরে, তারা ১৯৮০ সালে গাঁটছড়া বাঁধেন।
যদিও সেই বিয়ের কোনও আইনি স্বীকৃতি নেই, কারণ প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌরকে ডিভোর্স দেননি ধর্মেন্দ্র। গুজব রটেছিল হেমাকে বিয়ে করতে ধর্ম বদলে ইসলাম গ্রহণ করেছেন হিম্যান। যদিও পরবর্তী সময়ে নিজেই সেই গুজবকে ভুয়ো বলে জানিয়ে দেন ধর্মেন্দ্র। তাঁদের দুই কন্যা এশা এবং অহনা।
যদিও কোনওদিন ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে এক ছাদের নীচে থাকা হয়নি হেমার, কারণ প্রথম স্ত্রী ও চার সন্তানের সঙ্গেই থাকতেন ধর্মেন্দ্র, সেই বাড়িতে পা রাখার অধিকার আজও নেই হেমার। ধর্মেন্দ্রকে শেষ দর্শন করতে শ্মশানে হাজির হয়েছিলেন হেমা, তবে তাঁর প্রার্থনাসভাতেও দেখা মেলেনি হেমার। অবশেষে ধরমজির জন্য শুক্রবার দিল্লিতে একটি পৃৃথক প্রার্থনাসভার আয়োজন করলেন হেমা।












