প্রিয়াঙ্কা ও শুভ্রজিতের রিসেপশনের আসর বসবে আর সেখানে খাবারের বাহার থাকবে না, তা কি হয়? আমন্ত্রিত অতিথিদের রসনাতৃপ্তির জন্য স্টার্টার থেকে ডেজার্ট— প্রতিটা বিভাগেই ছিল চমক। একনজরে দেখে নিন তাঁদের রিসেপশনের সেই রাজকীয় মেনু:
উত্তরবঙ্গের কনকনে ঠান্ডা আর তার মাঝে ভালোবাসার ওম। শহর কলকাতায় সাত পাকে বাঁধার পর নিজের শহর শিলিগুড়িতে গ্র্যান্ড রিসেপশনের আয়োজন করেছিলেন টেলিপাড়ার জনপ্রিয় মুখ শুভ্রজিৎ সাহা। নতুন কনে প্রিয়াঙ্কাকে রিসেপশন লুকে একদম রাজরানির মতো দেখালো। একদিকে যেমন ছিল তাঁদের রাজকীয় লুক, অন্যদিকে ছিল জিভে জল আনা এলাহি মেনু।
শিলিগুড়ির এই বিশেষ সন্ধ্যায় প্রিয়াঙ্কা বেছে নিয়েছিলেন একটি ভেলভেট মেরুন রঙের লেহেঙ্গা। ভারী সোনালি গয়না, হাতে শাঁখা-পলা আর কপালে ছোট্ট টিপ— প্রিয়াঙ্কার এই ‘রয়্যাল’ লুকে মুগ্ধ নেটিজেনরা। অন্যদিকে শুভ্রজিৎও কম যান না! তিনি পরেছিলেন মেরুন ও কালোর কারুকাজ করা মখমলি শেরওয়ানি। দুজনের রসায়ন আর হাসিমুখের ছবি এখন টলিপাড়ার টক অফ দ্য টাউন।
জিভে জল আনা এলাহি মেনু
অনুষ্ঠানে খাবারের তালিকায় ছিল ট্র্যাডিশনাল বাঙালি খাবারের পাশাপাশি ফিউশন এবং কন্টিনেন্টাল ছোঁয়া। অতিথিদের জন্য কী কী ছিল? দেখে নিন একনজরে:
শুরুতে রিফ্রেশিং ব্লু-বেরি মোহিতো-সহ একাধিক মকটেলে গলা ভেজানোর সুযোগ। সঙ্গে ধোঁয়া ওঠা চিকেন ওয়ানটন স্যুপ।
জিভে জল আনা স্টার্টার: চিকেন মালাই টিক্কা, চিকেন আফগানি টিক্কা, ক্রিস্পি প্রন চিলি ড্রাই। নিরামিষাশীদের জন্য ছিল কর্ন চিজ বল ও হরাভরা কবাব। আর সবকিছুর সঙ্গে ছিল মন মাতানো ফুচকা।
মেইন কোর্সও কম আকর্ষণীয় নয়। গরম গরম বেবি বাটার নান, ভেজ ঝালফরেজি, সোনামুগ ডাল এবং ঝুরি আলুর চিপস। ভাতের তালিকায় ছিল বাসমতী রাইস এবং ফ্রায়েড রাইস। আমিষ আইটেমে ছিল রাজকীয় মাটন কষা, চিকেন রোস্ট বাটার মশালা এবং বাঙালির প্রিয় ফিশ পাতুরি।
শেষ পাতে মিষ্টিমুখের জন্য ছিল আমের চাটনি ও পাঁপড়, তবে আসল আকর্ষণ ছিল মাখা সন্দেশ এবং জিভে জল আনা রসমালাই।
শিলিগুড়ির এই শীতের রাতে প্রিয়াঙ্কা-শুভ্রজিতের রিসেপশন ছিল আক্ষরিক অর্থেই এক চাঁদের হাট। পরিবার এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে এই উদযাপন দীর্ঘকাল স্মরণে থাকবে ভক্তদের।