'আমি আর ঋদ্ধিমা দায়িত্ব নিলাম... ', প্রয়াত রাহুলকে কী প্রতিশ্রুতি দিলেন গৌরব?

গত রবিবার ২৯ মার্চ টলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে এমন একটি দুর্ঘটনা ঘটে যায়, যা কেউ হয়তো স্বপ্নেও ভাবতে পারেনি। পরের দিন অর্থাৎ ৩০ মার্চ রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে ঢল নেমেছিল মানুষের। 

Apr 3, 2026, 09:49:39 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

গত রবিবার ২৯ মার্চ টলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে এমন একটি দুর্ঘটনা ঘটে যায়, যা কেউ হয়তো স্বপ্নেও ভাবতে পারেনি। পরের দিন অর্থাৎ ৩০ মার্চ রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে ঢল নেমেছিল মানুষের। ইন্ডাস্ট্রির বাকিদের মধ্যে সেদিন দেখা গিয়েছিল সব্যসাচী চক্রবর্তীর বড় ছেলে গৌরব চক্রবর্তী এবং ঋদ্ধিমা চক্রবর্তীকে।

প্রয়াত রাহুলকে কী প্রতিশ্রুতি দিলেন গৌরব?
প্রয়াত রাহুলকে কী প্রতিশ্রুতি দিলেন গৌরব?

অন্যদের মতো কান্নায় ভেঙে পড়েন গৌরব-ঋদ্ধিমাও। প্রিয়াঙ্কা এবং রাহুল, দুজনেরই ভীষণ কাছের মানুষ ছিলেন তাঁরা। খুব স্বাভাবিকভাবেই তাই রাহুলের এই অস্বাভাবিক মৃত্যু কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না গৌরব। রাহুল যে শুধুমাত্র একজন সহশিল্পী ছিলেন তা কিন্তু নয়, রাহুল গৌরবের দাদার মতো ছিলেন।

আরও পড়ুন: রাহুলের মৃত্যুর বিচার চেয়ে এবার পথে নামার ডাক দিল টলিউড, কবে কোথা থেকে শুরু হবে এই পদযাত্রা?

তাই যখন রাহুলের জন্য কলম ধরলেন গৌরব, যার মাধ্যমে উঠে এল অনেক অজানা স্মৃতি। গৌরবকে লেখালেখি করার অনুপ্রাণিত করা থেকে শুরু করে ঋদ্ধিমার সঙ্গে গৌরবের মনোমালিন্য হলে ঋদ্ধিমার পাশে দাদার মতো দাঁড়ানো, এই সমস্ত স্মৃতি উঠে আসে বারবার গৌরবের কলমে।

রাহুলের মৃত্যুর পর থেকেই কিছুতেই গৌরব স্বস্তিতে দিন কাটাতে পারছেন না। শেষ মুহূর্তগুলোর রাহুল কতটা কষ্টে কাটিয়েছেন, এ কথা ভেবেই ছটফট করছেন তিনি। এছাড়া ঘটনার পেছনে যতটা ধোঁয়াশা, মিথ্যে, দায়িত্বহীনতা রয়েছে তা শুনে যেন আরও কষ্ট বেড়ে যায়।

তবে রাহুলের মৃত্যুতে একটি অঙ্গীকার করেন গৌরব। গৌরব লেখেন, ‘ধীর তার জ্যাঠাকে মনে না রাখতে পারলেও চিনবে ঠিকই। আমি আর ঋদ্ধিমা দায়িত্ব নিলাম। তুমি যেখানেই থাকো ভালো থেকো, আর কিচ্ছু চাইনা।’

আরও পড়ুন: কঠিন সময়ে ছিলেন পাশে, বলেছিলেন থেরাপির কথা, রাহুলকে হারিয়ে বিধ্বস্ত সারা

প্রসঙ্গত, স্টার জলসার ‘ভোলে বাবা পার কারেগা’ ধারাবাহিকের শুটিং চলাকালীন তালসারিতে জলে ডুবে মৃত্যু হয় রাহুলের। প্রাথমিক বয়ান অনুযায়ী অনেকেই বলেন রাহুলকে সঙ্গে সঙ্গে জল থেকে তোলা হয়েছিল কিন্তু ময়নাতদন্তে যা উঠে এসেছে তা অত্যন্ত ভয়ানক। ময়নাতদন্তে রিপোর্ট অনুযায়ী, দীর্ঘক্ষণ ধরে থাকার কারণে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে ঢুকে যায় নোনা জল এবং বালি যার ফলে ফুসফুস আকারে দ্বিগুণ হয়ে যায় এবং মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন রাহুল।