'আমি ভাবতেও পারিনি এমন দিন আসবে... ', ধর্মেন্দ্রর স্মরণসভায় আবেগতাড়িত হেমা
ধর্মেন্দ্রর জন্মদিনের তোড়জোড় যখন করছিল গোটা পরিবার ঠিক তখনই সবাইকে ফেলে না ফেরার দেশে চলে গিয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র। পিছনে ফেলে রেখে দিলেন অগন্তি ভালোবাসার মানুষদের, যাদের চোখের জলে চিরকাল থেকে যাবে এই অভিনেতার নাম।
ধর্মেন্দ্রর জন্মদিনের তোড়জোড় যখন করছিল গোটা পরিবার ঠিক তখনই সবাইকে ফেলে না ফেরার দেশে চলে গিয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র। পিছনে ফেলে রেখে দিলেন অগন্তি ভালোবাসার মানুষদের, যাদের চোখের জলে চিরকাল থেকে যাবে এই অভিনেতার নাম।

ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর মুম্বইতে একটি স্মরণ সভার আয়োজন করেছিলেন ধর্মেন্দ্রর প্রথম স্ত্রী এবং দুই ছেলে। কিন্তু সেই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন না হেমা মালিনী এবং তাঁর গোটা পরিবার। ওই একই দিনে নিজের বাড়িতে একটি ছোট অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন তিনি।
আরও পড়ুন: মেসির সঙ্গে দেখা করতে কলকাতায় আসছেন শাহরুখ, নিজেই জানালেন সে কথা
ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর হেমা মালিনী ঘোষণা করেন ১১ ডিসেম্বর তিনি একটি স্মরণ সভার আয়োজন করবেন। নির্ধারিত দিনে প্রয়াত স্বামীর জন্য আয়োজিত স্মরণ সভায় ধর্মেন্দ্রজিকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে চোখে জল চলে আসে হেমা মালিনীর।
হেমা মালিনী বলেন, ‘অনেক সিনেমায় আমরা এক সঙ্গে অভিনয় করেছি। একসঙ্গে অভিনয় করতে করতে কখন একে অপরকে ভালোবেসে ফেলেছিলাম। একটা সময় উনি আমার জীবন সঙ্গী হয়ে উঠেছিলেন। আমাদের ভালোবাসা সত্যিই ছিল, আমরা সমস্ত কঠিন পরিস্থিতির সঙ্গে মোকাবিলা করেছিলাম। আমরা দাম্পত্য জীবন একসঙ্গে কাটিয়েছিলাম এতদিন।’
হেমা বলেন, ‘আজ ধর্মেন্দ্রর স্মরণ সভার আয়োজন করতে হবে আমাকে এটা আমি জীবনেও কল্পনা করতে পারিনি। কিন্তু উনি যতদিন বেঁচে ছিলেন ততদিন একজন দুর্দান্ত স্বামী হিসেবে আমাকে আগলে রেখেছিলেন। শুধু একজন স্বামী হিসেবে নয়, আমার দুই মেয়েকেও একজন কর্তব্যপরায়ণ বাবা হিসেবে ভালোবেসে ছিলেন তিনি।’
চোখে জল নিয়ে অভিনেত্রী বলেন, ‘উনি ওনার পাঁচ নাতি-নাতনিকে ভীষণ ভালোবাসতেন। সব সময় বলতেন যে ওদের মধ্যেই আমি আমার খুশি খুঁজে পাই। আজ উনি নেই ঠিকই কিন্তু ওনার ভালোবাসা সবসময় আমাদের সঙ্গে থেকে যাবে। আমি সারা জীবন এই একটি পুরুষের কাছেই সমর্পিত ছিলাম। আমাদের ভালোবাসা চিরকাল আমার সঙ্গে থেকে যাবে।’
আরও পড়ুন: মেয়েদের চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন করতেই মার খেতে হল অঙ্কুশকে, বাঁচাতে পারবে ঐন্দ্রিলা?
উল্লেখ্য, ধর্মেন্দ্র ১৯৫৪ সালে প্রকাশ কৌরকে বিয়ে করেন, যার মাধ্যমে তাঁর চারটি সন্তান হয়। ১৯৮০ সালে তিনি হেমাকে বিয়ে করেন এবং তাদের দুটি সন্তান রয়েছে। প্রবীণ এই অভিনেতা ২৪ নভেম্বর ৮৯ বছর বয়সে মারা যান, ৮ ডিসেম্বর তাঁর ৯০ তম জন্মদিনের ঠিক কয়েকদিন আগে। নভেম্বরের শুরুতে তিনি ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।












