বান্ধবীকে মারধর ও ১২ ঘণ্টা ঘরে আটকে রাখার অভিযোগে বেহালা থানায় এফআইআর (FIR) দায়ের হয়েছিল জনপ্রিয় সমাজ মাধ্যম প্রভাবী শমীক ওরফে ‘ননসেন’ (Nonsane)-এর বিরুদ্ধে। এবার এই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন শমীক। তিনি জানান তাঁকে নাকি ফাঁসিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
বান্ধবীকে মারধর ও ১২ ঘণ্টা ধরে ফ্ল্যাটে আটকে রাখার অভিযোগে বেহালা থানায় এফআইআর (FIR) দায়ের হয়েছিল জনপ্রিয় সমাজ মাধ্যম প্রভাবী শমীক ওরফে ‘ননসেন’ (Nonsane)-এর বিরুদ্ধে। গত ২ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি নাকি তাঁর বান্ধবীকে ফ্ল্যাটে আটকে রেখে মারধর করেন, এমনই অভিযোগ এনেছিলেন তাঁর ওই বান্ধবী। এবার এই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন শমীক। তিনি জানান তাঁকে নাকি ফাঁসিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
শুক্রবার তাঁকে আলিপুর কোর্টে নিয়ে যাওয়ার সময় শমীক সংবাদ মাধ্যমের সামনে এই প্রসঙ্গে মুখ খোলেন। তবে এই বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলার সুযোগ পাননি তিনি। কোর্টে ঢোকার আগে তাঁকে কেবল বলতে শোনা যায় ‘ফাঁসানো হচ্ছে'।
এমন নারী নিগ্রহের ঘটনায় জড়িয়ে পড়ায় এক দিকে যেমন ছিছিক্কার শুরু হয়েছে সমাজ মাধ্যমে। অন্যদিকে, একদলের দাবি শমীককে নাকি ফাঁসানো হচ্ছে। কিছু দিন আগেই শমীক শাসকদলকে কটাক্ষ করে 'বাটন' নামে একটি ভিডিয়ো বানিয়েছিলেন। সেই প্রসঙ্গ টেনেই একদল নেটিজেন এমন দাবি করছেন।
প্রসঙ্গত, বেহালা থানায় দায়ের করা অভিযোগে বলা হয়েছে যে, শমীক নাকি তাঁর এক বান্ধবীকে প্রায় ১২ ঘণ্টা ফ্ল্য়াটে আটকে রাখেন। সেই তরুণীর বয়স ২২ বছর। অভিযোগকারিণীর দাবি, ফ্ল্য়াটে আটকে রেখে নাকি তাঁকে প্রচন্ড মারধর করা হয়। শুধু তাই নয়, সে যেন এই বিষয়ে মুখ বন্ধ রাখে তাও বলা হয়। মুখ খুললে প্রাণনাশ হতে পারে, এই হুমকিও নাকি শমীক তাঁকে দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ।
তরুণী জানিয়েছিলেন, ব্যক্তিগত বিবাদের জেরে ওই ১২ ঘণ্টা তাঁর ওপর কিল-চড়-ঘুষি চালানো হয়। এমনকী তাঁর শ্লীলতাহানি করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। পুলিশি সহায়তায় ওই তরুণীর ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হয় এমআর বাঙুর হাসপাতালে। হাসপাতালের রিপোর্টে তরুণীর শরীরে আঘাতের চিহ্ন স্পষ্ট বলে উল্লেখ করা হয়েছে, যা এই মামলায় শমীকের বিরুদ্ধে বড় প্রমাণ হতে পারে। ওই তরুণী জানিয়েছিলেন, শমীকের সঙ্গে তাঁর আগে থেকেই খুব ভালো সম্পর্ক ছিল, তাই এই আকস্মিক আক্রমণে তিনি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন।