Haseen-Shami Case: 'মাসে ৪ লাখ যথেষ্ট নয়?' খোরপোশ মামলায় হাসিনকে প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের, স্বস্তিতে শামি
Haseen-Shami Case: কলকাতা হাইকোর্ট শামিকে স্ত্রী হাসিনের জন্য মাসে ১.৫ লাখ এবং মেয়ের জন্য মাসে ২.৫ লাখ টাকা ভরনপোষণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। তাতেও সন্তুষ্ট হননি হাসিন। রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি।
ভারতের তারকা পেসার মহম্মদ শামির সঙ্গে স্ত্রী হাসিনের দাম্পত্য কলহের কথা এতদিনে কারও অজানা নয়। দীর্ঘদিন ধরেই একসঙ্গে থাকেন না দুজনে। তবে মাসখরচ বাবদ কোর্টের নির্দেশে এখন হাসিনকে ৪ লাখ টাকা দিতে হয় শামিকে। কিন্তু তাতেও সন্তুষ্ট নন হাসিন জাহান। কলকাতা হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে হাজির হয়েছিলেন শামির বিচ্ছিন্না স্ত্রী। শুক্রবার হাসিন জাহানের দায়ের করা আবেদনের উপর নোটিশ জারি করেছে শীর্ষ আদালত। যদিও বেঞ্চ মন্তব্য করেছে যে এই অর্থ ‘বেশ যুক্তিসঙ্গত’ বলে মনে হচ্ছে।

১ জুলাই কলকাতা হাইকোর্টের পাস করা আদেশকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন হাসিন। কলকাতা হাইকোর্ট শামিকে স্ত্রীর খরচ বাবাদ মাসে ১.৫ লক্ষ টাকা এবং তাঁদের মেয়ের জন্য মাসে ২.৫ লক্ষ টাকা খরচ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। কলকাতা আদালতের ডিভিশন বেঞ্চ ২৫ অগস্ট এই আদেশ বহাল রাখে। সেই রায়কে চ্য়ালেঞ্জ জানান শামির বিচ্ছিন্না স্ত্রী।
এদিন সুপ্রিম কোর্ট হাসিনকে প্রশ্ন করে,'আপনি কেন এই মামলা দায়ের করেছেন? প্রতি মাসে ৪ লক্ষ টাকা কি যথেষ্ট নয়'? বিচারপতি মনোজ মিশ্র এবং বিচারপতি উজ্জ্বল ভূঁইয়ার এজলাসে এদিন শুনানি হয়। এর আগে, নিম্ন আদালত শামিকে তাঁর মেয়ের মাসিক ভরণপোষণের জন্য প্রতি মাসে ৮০ হাজার টাকা এবং হাসিনের খরচ বাবাদ ৫০ হাজার টাকা খোরপোশ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। পরবর্তীকালে উচ্চ আদালতে সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানান হাসিন। জাহানের পক্ষে শুনানি করেন প্রবীণ আইনজীবী শোভা গুপ্তা এবং আইনজীবী শ্রীরাম পরকাট। তাঁরা জানান বলেন, শামির আয় আদালতের নির্ধারিত ভরণপোষণের পরিমাণের চেয়ে অনেক বেশি। তিনি বলেন, ‘বিবাদী নং ২ (শামি) একটি বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন এবং আবেদনকারী এবং নাবালিকা মেয়েকে ন্যায়সঙ্গত পরিমাণ ভরণপোষণ ইচ্ছাকৃত দিচ্ছেন না’।
শামির হাইকোর্টে দায়ের করা হলফনামায় স্পষ্ট বলা হয়েছে তাঁর মাসিক খরচ ১.০৮ কোটি টাকার বেশি। ক্রিকেটারের সম্পত্তির পরিমাণ ৫০০ কোটির বেশি। পিটিশনে দাবি করা হয়েছে যে স্ত্রী (হাসিন) শামিকে বিয়ের পর থেকে বেকার এবং তাঁর এবং মেয়ে আইরার প্রতিদিনের চাহিদা মেটানোর জন্য কোনও স্বাধীন আয়ের উৎস নেই। শামিকে নোটিশ জারি করে চার সপ্তাহ পর বিষয়টি পোস্ট করে বেঞ্চ মন্তব্য করে, ‘আপনি যদি মধ্যস্থতা করতে চান এবং নিষ্পত্তি করতে চান তবে আমরা নোটিশ জারি করতে পারি’।
স্ত্রী সেপ্টেম্বরে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। আবেদনে বলা হয়েছিল শামি ইচ্ছাকৃতভাবে স্ত্রী এবং নাবালিকা মেয়েকে দারিদ্র্যের মধ্যে ফেলে রেখে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন। শামি ইতিমধ্যে ২০১৮ সালে পশ্চিমবঙ্গের যাদবপুরে জাহানের দায়ের করা একটি ফৌজদারি মামলায় বিচারের মুখোমুখি হচ্ছেন, ক্রিকেটার এবং তাঁর পরিবারের গার্হ্যস্থ হিংসার শিকার হয়েছেন তিনি, অভিযোগ করেছিলেন হাসিন।












