Jojo: চশমার ফ্রেমে হিরে বসানো! জোজোর আইগ্লাসের দাম শুনে যে কারও ঘুরবে মাথা, আঙুলে পরেন ৫ লাখ টাকার আংটি
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে, যেখানে জোজোকে হিরের প্রতি নিজের ভালোবাসা ব্যক্ত করতে দেখা যাচ্ছে। গায়িকা জানাচ্ছেন যে, তাঁর চশমাটি হিরে দিয়ে সাজানো। বলতে পারবেন সেটির দাম?
যেমন তাঁর গান, তেমনই তাঁর ব্যাবহার, তেমনই সাজপোশাক, বরাবরই কিন্তু একটু আলাদা জোজো মুখোপাধ্যায়। যদিও তাঁর পদবি খুব কম মানুষই জানেন, এমনকী এখনও দুই সন্তানের মা, বিবাহিতা গায়িকাকে মঞ্চে সম্বোধন করা হয় ‘মিস জোজো’ নামে। অবশ্য ‘জোজো দ্য রকস্টার’ বললেও বিশেষ ভুল হয় না। এহেন মানুষটা ভীষণ হিরে-প্রেমী। তিনি নিজেই নিজের সম্পর্কে এমনটা দাবি করেছেন। সম্প্রতি একটি ভিডিয়ো খুব ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়াতে। যেখানে জোজো দেখাচ্ছেন তাঁর চোখে থাকা চশমাটি। আর সেটার বিশেষত্ব? হিরে খচিত। আর দা শুনে ঘুরে যাবে মাথা।

জোজোর হিরে প্রেম:
Vzone নামের একটি চ্যানেলে এসেছিলেন। সেখানে নিজের চশমাটি দেখিয়ে জোজোকে বলতে শোনা যায়, ‘এটা আমার থেকেও বেশি এক্সপেনসিভ। ১ লাখের মতো দাম।’ এরপর হাতে থাকা আংটির দিকে দেখিয়ে জানান, সেটি ৫.২ ক্যারেট হিরে দিয়ে তৈরি, দাম ৫ লাখ টাকার মতো। আর কানের দুটো দুলের দাম, যখন কিনেছিলেন তখন পরেছিল ২-৩ লাখ টাকা।
আরও পড়ুন: ‘কলকাতা ফিরেই…’! Indian Idol থেকে বাদ পড়া আটকান, ‘প্রিয় দাদা’ অভিষেককে প্রতিশ্রুতি অঙ্কিতার
এই সাক্ষাৎকারেই জোজোকে বলতে শোনা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে তিনি যদি কামব্যাকের কথা বলেন তবে তা হয়েছে করোনা-পরবর্তী সময়ে। জোজো বলেন, ‘কোভিড অনেক খারাপও এনেছে। অনেককে আমরা হারিয়েছি। পরিচিত মানুষদেরকে দেখেছি রাতদিন ফ্রাস্ট্রেশন-ডিপ্রেশনে ভুগতে। তবে কোভিড আমাকে নতুন জীবন দিয়েছে। কোভিড আমার জীবনটাকে ৩৬০ডিগ্রি ঘুরিয়ে দিয়েছে। কারণ আদি আমার জীবনে এসেছে। ওয়ার্কোহলিক আমি এখনও , কিন্তু তখন আমি মেশিন হয়ে গিয়েছিলাম। কোভিড আমাকে আবার মানুষ বানিয়েছে।’
জোজোর দত্তক সন্তান আদি:
করোনা লকডাউন চলাকালীন একটি পুত্র সন্তান দত্তক নেন জোজো। ৫০ বছর বয়সে এসে ফের পেয়েছিলেন মাতৃত্বের স্বাদ। কাজের সূত্রে, মেয়ে আর স্বামী দুজনেই থাকেন কলকাতার বাইরে। আপাতত জোজোর জীবনের সবটুকু জুড়েই তাঁর কাজ আর ছেলে।
প্রসঙ্গত, দত্তক নেওয়ার পর একাংশের ট্রোলের মুখে পড়তে হয়েছিল জোজোকে। এমনকী, একাংশ অমানবিকভাবে আদির ‘গায়ের রং’ নিয়ে কটাক্ষ করেছিলেন। যাতে সেইসমব ট্রোলারদের উদ্দেশে জোজোর কড়া বার্তা ছিল, ‘আমি মিস জোজো না হলে আপনাদের জিভ টেনে ছিঁড়ে দিতাম। যদি ভাবেন আমি হুমকি দিচ্ছি, তাহলে দিচ্ছি। এর শেষ দেখে ছাড়ব।’ আসলে মানুষটাই তিনি এরকম। কোরো রাখঢাক নেই। এমনকী, অন্যায় দেখলে রুখে দাঁড়ানোই তাঁর স্বভাব। আর সন্তানের নামে কুৎসা, কোন মা-ই বা পারে সহ্য করতে!
E-Paper











