Shruti-Aratrika: জোয়ার ভাঁটার সেটে শ্রুতির পা টিপছেন আরাত্রিকা! ‘কী খাটাই মেয়েটারে…’, ফাঁস ছবি দেখে আক্ষেপ নিশার
পর্দায় একে অপরকে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়েন না, অথচ বাস্তবে বোনের পা কোলে নিয়ে সেবা দিদির! উজি-নিশার বন্ডিং দেখে মুগ্ধ সপ্তর্ষি
ছোটপর্দায় প্রতিদিন সন্ধ্যায় যাদের অভিনয়ের টক্কর দর্শককে মুগ্ধ করে, ক্যামেরার নেপথ্যে তাঁদের রসায়নটা যে কতটা গভীর, তা আবারও প্রকাশ্যে এলো। ‘জোয়ার ভাঁটা’ ধারাবাহিকের দুই বোন—আরাত্রিকা (উজি) এবং শ্রুতি (নিশা)-র অফস্ক্রিন বন্ধুত্বের একটি ছবি সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছিলেন তাঁদের সহকর্মী তথা বর্ষীয়ান অভিনেতা সপ্তর্ষি রায়। সেই পোস্টের নিচেই দুই অভিনেত্রীর মজার ও বিনয়ী মন্তব্য এখন টলিপাড়ার ‘টক অফ দ্য টাউন’।

পেশাদার লড়াই বনাম প্রাণের টান:
সপ্তর্ষি তাঁর পোস্টে লিখেছিলেন, অভিনয়ের সময় আরাত্রিকা আর শ্রুতি কেউ কাউকে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়েন না। কিন্তু একজনের পায়ে ব্যথা হলে অন্যজন যেভাবে পরম মমতায় সেবা করেন, তা দেখে শ্রদ্ধায় বুক ভরে যায়। অভিনয় জগতের এই সুস্থ সংস্কৃতি এবং শিল্পীদের পারস্পরিক ভালোবাসার ছবিই তিনি তুলে ধরেছিলেন।
শ্রুতি ও আরাত্রিকার পাল্টাপাল্টি মন্তব্য:
সপ্তর্ষির এই পোস্টটি নজরে আসতেই মজার ছলে এবং শ্রদ্ধার সঙ্গে ধরা দেন দুই অভিনেত্রী। বড় দিদি নিশা ওরফে শ্রুতি মজা করে লিখেছেন, ‘কখন যে তোলো এসব ছবি কে জানে! লোকে না ভেবে বসে কী না কী খাটাই মেয়েটাকে (আরাত্রিকা)!' তবে পরক্ষণেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি যোগ করেন, 'থ্যাঙ্ক ইউ দাদা (সপ্তর্ষি), এত ভালোবাসা আর সম্মান দেওয়ার জন্য।’
অন্যদিকে ছোট বোন উজি ওরফে আরাত্রিকা তাঁর প্রিয় ‘সপ্তর্ষি দা’-র এমন সারপ্রাইজে আপ্লুত। তিনি কমেন্ট বক্সে লিখেছেন, ‘মাই গুড... তুমি পারোও বটে!’
শিল্পীদের পারস্পরিক সম্মান:
সপ্তর্ষি রায় বর্তমান প্রজন্মের এই দুই শিল্পীর পরিশ্রম, শৃঙ্খলা এবং পেশাগত শিষ্টাচারের প্রশংসা করে তাঁদের কুর্নিশ জানিয়েছেন। তাঁর মতে, প্রতিযোগিতা কেবল অভিনয়ের ক্ষেত্রে হওয়া উচিত, সম্পর্কের ক্ষেত্রে নয়। পর্দার ‘জোয়ার ভাঁটা’ পেরিয়ে বাস্তব জীবনের এই দিদি-বোনের অটুট বন্ধন বুঝিয়ে দিল—টিমওয়ার্ক এবং ভালোবাসা থাকলেই একটি কাজ সার্থক হয়।
অনুরাগীদের প্রতিক্রিয়া:
সোশ্যাল মিডিয়ায় এই মন্তব্যগুলো আসার পর ভক্তরা আরও বেশি উচ্ছ্বসিত। কেউ লিখেছেন, “পর্দার রেষারেষি সরিয়ে রেখে বাস্তবের এই খুনসুটিই আসল পাওনা।” আবার কেউ বলেছেন, “সপ্তর্ষি দা-র চোখে শিল্পীদের এই সম্মান পাওয়ার দৃশ্যটি সত্যিই বিরল।”
E-Paper











