বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা! কনে দেখা আলোর সেটে তারকা-কলাকুশলীদের সাথে লীনা-পুত্রর মিটিং
ম্যাজিক মোমেন্টস বা প্রযোজক লীনা গঙ্গোপাধ্যায়-শৈবাল বন্দ্য়োপাধ্যায় জড়িত রয়েছেন, এমন কোনও সিরিয়ালের কাজে অংশ নেবে না কলাকুশলীরা। ফলে রাতারাতি বন্ধ হয়ে যায় চিরসখা ও ভোলে বাবা পার করেগা। আর কনে দেখা আলো ধারাবাহিকের ভবিষ্যৎ এখনো ঝুলছে।
অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর ক্ষোভে ফুসছে টলিপাড়া। ভোলে বাবা পার করেগা ধারাবাহিকের শ্যুট চলাকালীন তালসারি সমুদ্র সৈকতে তলিয়ে যান তিনি। আর ঘটনা সামনে আসার পর থেকেই, এই সিরিয়ালের প্রযোজনা সংস্থা ম্যাজিক মোমেন্টস তথ্য গোপন করার চেষ্টা চালাচ্ছে। একেক সময় একেকরকম বয়ান দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, দোষ চাপানোর চেষ্টা হচ্ছে প্রয়াত রাহুলের দিকেই। সে-ই নাকি সমুদ্রে নেমে শট দিতে চায়, দাবি করে দ্রোন শটের। যদিও এখানে অনেকগুলো অসঙ্গতি থেকেই যায়। যদি রাহুলের তরফে সত্যিই ড্রোন শটের দাবি আসে, প্রশ্ন তালসারিতে বসে সেই ব্যবস্থা কীভাবে করলেন নির্মাতারা। ড্রোনে শট নিতে যে বিশেষজ্ঞের প্রয়োজন পড়ে, তাকেই বা কী করে পাওয়া গেল তালসারিতে। এখানেই শেষ নয়, প্রযোজক লীনা সংবাদমাধ্যমে প্রথমে জানয়েছিলেন যে, স্ক্রিপ্টে জলে নেমে শট নেওয়ার কিছু উল্লেখই ছিল না। এমনকী, সেখানে উপস্থিত প্রযোজনা সংস্থার এক ব্যক্তির দাবি ছিল, শ্যুট শেষ হয়ে যাওয়ার পরে ডুবে যান রাহুল! স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরাই পর খোলসা করেন যে ড্রোন শট চলছিল। নায়ক-নায়িকা একসঙ্গে জলে পড়ে গিয়েছিলেন। নায়িকাকে সাথে সাথে উদ্ধার করা গেলেও, নায়ককে উদ্ধার করতে দেরি হয়।

আর এসব নিয়েই রাহুলের বন্ধু, সহকর্মী ও পরিবার সামিল হয় প্রতিবাদে। মঙ্গলবার যৌথভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, যতক্ষণ সেদিন ঠিক কী ঘটেছিল জানানো হবে, ততক্ষণ ম্যাজিক মোমেন্টস বা প্রযোজক লীনা গঙ্গোপাধ্যায়-শৈবাল বন্দ্য়োপাধ্যায় জড়িত রয়েছেন, এমন কোনও সিরিয়ালের কাজে অংশ নেবে না কলাকুশলীরা। ফলে রাতারাতি বন্ধ হয়ে যায় চিরসখা ও ভোলে বাবা পার করেগা। আরেকটির ভবিষ্যৎ এখনো ঝুলছে।
সরাসরি ম্য়াজিক মোমেন্টস প্রযোজনা সংস্থার মেগা নয় জি বাংলার কনে দেখা আলো। তবে লীনা-পুত্র অর্ক গঙ্গোপাধ্যায়ের ধারাবাহিক হল অর্গানিক স্টুডিওজ। আর এর কাহিনীকার হলেন লীনা খোদ। মঙ্গলবারের নিষেধাজ্ঞার পর, বুধবার কনে দেখা আলো-র সেটে হাজির হন তারকারা। উপস্থিত অর্ক গঙ্গোপাধ্যায়ও। বন্ধ দরজার পিছনে চলছে বৈঠক। তবে লীনা যদি এই সিরিয়াল থেকে সরে দাঁড়ান, অর্থাৎ তিনি আর চিত্রনাট্য না লেখেন বা জি বাংলা অর্গানিক স্টুডিয়োজের থেকে দায়িত্ব নিয়ে অন্য কারও হাতে তুলে দেয়, বা হোম প্রোডাকশনে তৈরি করে, তবেই একমাত্র জটিলতা হয়তো কমতে পারে। বুধবার দুপুরের বৈঠকে ঠিক কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, এখন সেদিকেই চোখ গোটা ইন্ডাস্ট্রির।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper











