Trina Saha: ‘মর্যাদাই শেষ কথা…’, নীলের সঙ্গে বিচ্ছেদ আর পরকীয়ার গুঞ্জন, কড়া জবাব তৃণার

Trina Saha: পরশুরাম নায়িকার সংসার নাকি আগেই ভেঙেছে! হালে পরকীয়ার অভিযোগেওবিদ্ধ অভিনেত্রী। ফেসবুকে ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা নায়িকার। 

Published on: Feb 10, 2026 5:00 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

টলিপাড়ার এক সময়ের ‘পাওয়ার কাপল’ নীল-তৃণার বিচ্ছেদের গুঞ্জন নতুন নয়। এই ফাঁকেই বাতাসের মতো ছড়িয়ে পড়েছে তৃণার ‘পরকীয়া’র খবর। দুজনে একই চ্যানেলে ভিন্ন মেগায় কাজ করছেন। সৌজন্যতা বজায় থাকলেও তাঁরা আর একসঙ্গে থাকেন না, এটা ওপেনন সিক্রেট। নায়িকাকে যখন সামাজিক মাধ্যমে বিদ্ধ করা হচ্ছে, তখন তৃণা যেন বেছে নিয়েছেন এক কঠিন অস্ত্রের পথ— নীরবতা।

‘মর্যাদাই শেষ কথা…’, নীলের সঙ্গে বিচ্ছেদ আর পরকীয়ার গুঞ্জন, কড়া জবাব তৃণার
‘মর্যাদাই শেষ কথা…’, নীলের সঙ্গে বিচ্ছেদ আর পরকীয়ার গুঞ্জন, কড়া জবাব তৃণার

নীরবতা দুর্বলতা নয়, আত্মসংযম

শুধু তাই নয়। পরশুরাম নায়িকার নামে একরাশ অভিযোগ এনেছে ওই মেগার শিশুশিল্পীও। তবে সেই মামলাতেও তৃণা চুপ। মঙ্গলবার ফেসবুকে অবশেষে মনের কথা লিখলেন নায়িকা। তিনি লেখেন, ‘মানুষ যতই বদনাম করার চেষ্টা করুক, চুপ থাকাই শ্রেয়।’ পরকীয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ যখন সামনে আসে, তখন সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা থাকে অনেক সাফাই বা ব্যাখ্যার। কিন্তু তৃণা যেন বিশ্বাস করছেন, যারা তাঁকে ভুল বুঝতেই বদ্ধপরিকর, তাদের কাছে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়ার দায় তাঁর নেই। এই চুপ থাকা কণ্ঠহীনতা নয়, বরং এক শক্তিশালী আত্মসংযম।

পরকীয়ার গুঞ্জন ও নীল-তৃণার দূরত্ব

দুজনে ইনস্টায় পরস্পরকে আনফলো করে দেন গত ডিসেম্বরে। দিন কয়েক আগে পঞ্চম বিবাহবার্ষিকীতেও পরস্পরের জন্য কোনও শুভেচ্ছাবার্তা আসেনি। নীল যখন নিজের জন্মদিনে বা ঘরোয়া অনুষ্ঠানে তৃণার অনুপস্থিতি নিয়ে মুখ খোলেননি, তখন জল্পনা আরও বাড়ে। তৃণার দিকে আঙুল তুলে একদল নেটিজেন বলতে শুরু করেন, কোনো তৃতীয় ব্যক্তির প্রবেশের কারণেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে এই তাঁদের সংসার।

‘গল্প বানাক ওরা, সত্য আসবেই’

তৃণার বর্তমান মানসিক অবস্থান বেশ স্পষ্ট। নিন্দুকেরা কথা বলুক, কাল্পনিক গল্প বানাক কিংবা নিজেদের মতো করে সবটা ধরে নিক— তৃণা মনোনিবেশ করেছেন নিজের কাজে এবং ব্যক্তিগত অগ্রগতিতে। তাঁর দর্শন বলছে, ধারাবাহিকতা আর চরিত্রই একদিন সত্যকে সামনে এনে দেবে। নাটকের বদলে মর্যাদাকে বেছে নেওয়াকেই তিনি এখন প্রকৃত ‘শান্তি’ বলে মনে করছেন। তিনি লেখেন, ‘তারা কথা বলুক, ধরে নিক, গল্প বানাক—আপনার ধারাবাহিকতা, চরিত্র আর অগ্রগতি একদিন ঠিকই সত্যটা সামনে এনে দেবে। নীরবতা দুর্বলতা নয়; এটা আত্মসংযম। আর শান্তি মানে হলো নাটকের বদলে মর্যাদাকে বেছে নেওয়া।’

পর্দার ‘গুনগুন’ কি তবে বাস্তবে এক পরিণত হৃদয়ের পরিচয় দিচ্ছেন? নীল-তৃণা জুটির ভাঙন হয়তো ভক্তদের মন ভেঙেছে, কিন্তু তৃণার এই ‘ডিগনিটি ওভার ড্রামা’র নীতি টলিপাড়ায় এক নতুন তর্কের জন্ম দিয়েছে।