Madhumita Sarcar: ধোঁয়া ওঠা ফিশ ফ্রাই থেকে বিরিয়ানি, মধুমিতার বিয়ের এলাহী মেনুতে কী কী থাকল?

সাবেকি সাজ, সাবেকি বিয়ের অনুষ্ঠান। তবে মেনুতে আধিপত্য় ছিল মোগলাই কুসিনের। মেনুতে কী কী থাকল?

Published on: Jan 24, 2026 9:01 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বসন্ত পঞ্চমীর সন্ধ্য়ায় টুকটুকে লাল শাড়িতে লাজে রাঙা কনে বউ মধুমিতা সরকার। এর আগে পর্দায় বহুবার কনে সেজেছেন কিন্তু বাস্তবে সেভাবে এই শখ পূরণ হয়নি তাঁর। যদিও আগে একবার বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন নায়িকা। কিন্তু সেবার সবকিছুই ছিল সাদামাটা। জীবনের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করবার সময় ধুমধাম করে বিয়ে সারলেন অভিনেত্রী।

ধোঁয়া ওঠা ফিশ ফ্রাই থেকে বিরিয়ানি, মধুমিতার বিয়ের এলাহী মেনুতে কী কী থাকল?
ধোঁয়া ওঠা ফিশ ফ্রাই থেকে বিরিয়ানি, মধুমিতার বিয়ের এলাহী মেনুতে কী কী থাকল?

লাল বেনারসি গা ভর্তি সোনার গয়নায় মধুমিতা যেন অপ্সরা। নায়িকাকে টেক্কা দিল তাঁর আইটি প্রফেশন্য়াল বর। লাল বন্ধগলা এবং ধুতিতে বিয়ে করতে হাজির সে। শ্বশুরবাড়ির দেওয়া সাদা পাঞ্জাবি পরে বসল বিয়ের পিঁড়িতে।

বিয়ের আয়োজনে কোনও খামতি রাখেননি মধুমিতা। খানাপিনাও ছিল দেদার। মধুমিতা সরকার এবং দেবমাল্য চক্রবর্তীর বিয়ের আসরে সাবেকিয়ানা থাকলেও, ভুরিভোজের মেনুতে কিন্তু আধুনিক ও মোগলাই খানা-র দাপটই ছিল বেশি। আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য সাজানো হয়েছিল এমন এক মেনু, যা এক কথায় রাজকীয়।

বিরিয়ানি থেকে ফিশ ফ্রাই— সব ছিল সুপারহিট! শুরুতেই রাজকীয় আপ্যায়ন কলকাতা স্টাইল ভেটকি ফিশ ফ্রাই: বিয়ের আসরে বাঙালির সবথেকে প্রিয় ভেটকি মাছের মুচমুচে ফিশ ফ্রাই এবং সঙ্গে কাসুন্দি।

রকমারি কাবাব: স্টার্টারে ছিল রেশমি কাবাব এবং মশলাদার হারিয়ালি চিকেন কাবাব, যা অতিথিদের মন জয় করে নিয়েছে। সুগন্ধি বিরিয়ানি: বাসমতি চালের লং গ্রেইন রাইস, সাথে নরম মাংস এবং বিরিয়ানির সেই স্পেশাল আলু— মেনুর তুরুপের তাস ছিল এই পদটি।

মাখন মাখানো নান (Butter Naan): গরম গরম নরম নান, যা পরিবেশন করা হচ্ছিল সরাসরি তন্দুর থেকে। নানের সঙ্গে খাওয়ার জন্য ছিল গ্রেভি ঠাসা চিকেনের বিশেষ প্রিপারেশন মন কেড়েছে অতিথিদের।

নিরামিষাশীদের জন্য ছিল পনিরের একাধিক পদ ছিল। পাতে ছিল সালাদ, রায়তাও।

ভোজ শেষে মিষ্টিমুখের হরেক রকম মিষ্টির পদ। ছিল খাস বেনারসি পানও। খাবার দাবার নিয়ে মধুমিতা সবসময়ই একটু শৌখিন, আর তাঁর বিয়ের মেনুতে সেই ছাপ স্পষ্ট পাওয়া গেল। বিরিয়ানি আর কাবাবের গন্ধে ম ম করছিল পুরো বিয়ের মণ্ডপ।

ঘনিষ্ঠ আত্মীয়স্বজন এবং টলিপাড়ার অল্প কয়েকজন বন্ধুর উপস্থিতিতেই এই বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। দেবমাল্যের সঙ্গে মধুমিতার রসায়ন যে বেশ গভীর, তা তাঁদের ঘনিষ্ঠ মহলের কাছে আগে থেকেই পরিচিত ছিল। সমস্ত নিয়ম মেনে, অগ্নিসাক্ষী করে মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমেই বিয়ে সারলেন এই তারকা দম্পতি। এদিন পায়ে হেঁটে মণ্ডপে পৌঁছান মধুমিতা। তাঁর উপর থেকে চোখ সরানো ছিল দায়! মালাবদল, সিঁদুরদান, সাতপাক- সাবেকি বিয়ের সব রীতিনীতি মেনেই চারহাত এক হয়েছে দুজনের। ছোটবেলার বন্ধু মধুমিতা-দেবমাল্য়, মাঝে বেশ কয়েক বছর যোগাযোগ ছিল না দুজনের। কিন্তু দ্বিতীয়বার কাছাকাছি আসবার পর আর দেরি করেননি। একসঙ্গে বাকি জীবনটা কাটানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন তাঁরা।