‘প্যান্ট খুলে…’! ঠেসে ধরে কিছু ছেলে গোপনাঙ্গ দেখার চেষ্টা করে, স্মৃতিচারণ মহেশের

পূজা ভাটের পডকাস্টে এসে মহেশ ভাট জানিয়েছিলেন কীভাবে ছোটবেলায় তাঁর প্যান্ট খুলে গোপনাঙ্গ দেখার চেষ্টা করেছিল, তাঁর থেকে বয়সে বড় কিছু ছেলে!

Mar 7, 2026, 20:31:10 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

একটু যেন বেশিই ঠোঁটকাটা মহেশ ভাট। আমরা নয়, এমনটা মত নেটপাড়ার। নাহলে কেউ নিজের মেয়ে পূজাকে বিয়ে করার ইচ্ছে প্রকাশ করেন! সে যাই হোক, মহেশ একবার পূজা ভাটের পডকাস্টে এসে জানিয়েছিলেন কীভাবে ছোটবেলায় তাঁর প্যান্ট খুলে গোপনাঙ্গ দেখার চেষ্টা করেছিল, তাঁর থেকে বয়সে বড় কিছু ছেলে!

কিছু ছেলে গোপনাঙ্গ দেখার চেষ্টা করে, স্মৃতিচারণ মহেশ ভাটের।
কিছু ছেলে গোপনাঙ্গ দেখার চেষ্টা করে, স্মৃতিচারণ মহেশ ভাটের।

পূজার পডকাস্টে এসে জীবনের এই অন্ধকার অধ্যায়ের কথা ভাগ করে নেন মহেশ ভাট। তিনি বর্ণনা করেছেন কিভাবে কিছু ছেলে তাঁকে ধমক দিয়েছিল এবং তার মুসলিম মাকে গালি দিয়েছিল।

মহেশ জানান, ‘হঠাৎ চারজন বয়সে বড় ছেলে আমার পথ আটকে দাঁড়ায়। তাঁরা আমাকে জোরে ধরে দেয়ালে ঠেসে দেয়। আমি আতঙ্কিত হয়ে পড়ি, এবং আমার হৃদয়ের গভীর থেকে ঈশ্বরদের কাছে আমাকে উদ্ধার করার জন্য আর্তনাদ ভেসে ওঠে। কিন্তু ঈশ্বর তো বরাবরের মতোই উদাসীন ছিলেন; তিনি চুপ ছিলেন।’

‘এরপর একজন ছেলে চিৎকার করে বলে 'ওর প্যান্ট খুলে ফেলো'। আমি ওদের কাছে জানতে চাই, 'তোমরা আমার সঙ্গে এমন কেন করছ?' তাদের মধ্যে একজন বলে, 'আমি দেখতে চাই তুমি আমাদের একজন কি না! তোমার মা তো তোমার বাবার উপপত্নী। একজন মুসলিম মেয়েকে বিয়ে করেছে। সস্তা সিনেমায় নাচত। তাহলে তোমার নাম মহেশ কেন?' আমি কাঁদতে শুরু করি ভয়ের চোটে।’

এরপর মহেশ যখন সেই ছেলেদের ভয় দেখান যে, তিনি তাঁর বাবাকে সব বলে দেবেন, তখন সেই ছেলেরা পালটা প্রশ্ন করেন, ‘বলো উনি এখন কোথায়? উনি নিজের পরিবার ও তোমার আরেক মায়ের সঙ্গে আন্ধেরিতে থাকেন।’ এরপর ছেলেগুলি ছেড়ে দেয় মহেশকে। ‘দাড়ি আলা ছেলেটি এরপর আমাকে ছেড়ে দেয়। ইশারায় চলে যেতে বলে।’, বলেন আলিয়া ভাটের বাবা।

মহেশ ভাট ব্যাখ্যা করেন যে, তিনি সেদিন চলে গিয়েছিলেন, কিন্তু মানসিক ক্ষত রয়ে গিয়েছে। তিনি ব্যাখ্যা করেছিলেন যে, সেই ঘটনার পরে তাঁর মা শিরিন আলী মোহাম্মদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক সম্পূর্ণরূপে বদলে গেছে। তাঁর মা তাঁকে নিজের জীবন থেকে সরিয়ে দেন সম্পূর্ণরূপে।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More