ছেলেমেয়েরা বড় হয়ে গেলে বাবা-মায়ের বিশেষ দিনগুলি বড় করে উদযাপন করতে চায়। একটা সময় সন্তানকে মানুষ করতে গিয়ে অভিভাবকরা নিজেদের যে আনন্দ বিসর্জন দেন, সেই আনন্দ বাবা মাকে ফিরিয়ে দেওয়ার মজাই আলাদা। বাবা মায়ের বিবাহ বার্ষিকীতে তাই বাবা-মায়ের কাছে না থাকার জন্য মন খারাপ মিমি চক্রবর্তীর।
ছেলেমেয়েরা বড় হয়ে গেলে বাবা-মায়ের বিশেষ দিনগুলি বড় করে উদযাপন করতে চায়। একটা সময় সন্তানকে মানুষ করতে গিয়ে অভিভাবকরা নিজেদের যে আনন্দ বিসর্জন দেন, সেই আনন্দ বাবা মাকে ফিরিয়ে দেওয়ার মজাই আলাদা। বাবা মায়ের বিবাহ বার্ষিকীতে তাই বাবা-মায়ের কাছে না থাকার জন্য মন খারাপ মিমি চক্রবর্তীর।
হঠাৎ কেন এমন পোস্ট করলেন মিমি? মন খারাপ?
১৪ ডিসেম্বর মিমির বাবা-মায়ের ৪০ তম বিবাহ বার্ষিকী। এই বিশেষ দিনে বাবা মায়ের সঙ্গে একগুচ্ছ ছবি পোস্ট করেন অভিনেত্রী। মিমি যে ছবি পোস্ট করেন সেখানে দেখা যায়, বাবা মাকে নিয়ে একাধিক জায়গায় ঘুরতে গিয়েছেন তিনি। কোনও ছবিতে আবার বাবা মায়ের বিয়ের সময়ের ছবিও তুলে ধরেছেন অভিনেত্রী।
এই বিশেষ দিনে বাড়ি থেকে দূরে থাকার কারণে মিমির যে ভীষণ মন খারাপ সেটা স্পষ্ট হয়ে যায় অভিনেত্রীর ক্যাপশন দেখে। মিমি লেখেন, ‘শুভ ৪০ তম বিবাহ বার্ষিকী মা-বাবা। আজ বাড়িতে থাকার সব আনন্দ মিস করছি ভীষণভাবে।’ এই বিশেষ দিনে বাবা-মায়ের পাশে না থাকতে পারার জন্য মন খারাপ অভিনেত্রীর।
এই মুহূর্তে বাবা মায়ের থেকে দূরে কলকাতায় একা থাকেন মিমি। সঙ্গে থাকে দুই পোষ্য। কাজের ফাঁকে বাকি সময় কেটে যায় বাড়ির দুই মিষ্টি সদস্যের সঙ্গে। তবুও বিশেষ কিছু দিনে বড্ড মনে পড়ে যায় বাবা-মায়ের কথা।
চলতি বছরের মুক্তি পেয়েছে মিমি অভিনীত ‘রক্তবীজ ২’, যেখানে আবিরের বিপরীতে অভিনয় করতে দেখা দিয়েছে অভিনেত্রীকে। এই ছবিতে মিমির অভিনয় ছাড়াও বিশেষভাবে দর্শকদের মন কেড়েছে তাঁর নীল বিকিনিতে উপস্থিতি।
তবে কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকলে ব্যক্তিগত জীবনে অখণ্ড সময়ে অভিনেত্রীর। আপাতত কাউকে মন দিতে নারাজ তিনি। দিনের বেশিরভাগ সময়টাই নিজের কাজের ওপর ফোকাস করতে চান তিনি, সেই মতোই এগোচ্ছেন মিমি।