'থামানো তো যায় না... ', বিয়ের পর কীভাবে নেতিবাচক মন্তব্য সামাল দিচ্ছেন মৌবনী?

গত ৩০ নভেম্বর ধুমধাম করে বিয়ে হয়ে যায় পিসি সরকার জুনিয়রের মেজো মেয়ে মৌবনী সরকারের। আপাতত তিনি চন্দননগরের বধূ। কাগজের বিজ্ঞাপন দিয়ে মেজ জামাইকে পছন্দ করেছেন স্বয়ং জাদুকর। বিয়ের পর শ্বশুর বাড়িতে চুটিয়ে সংসার করছেন অভিনেত্রী।

Published on: Dec 14, 2025 8:00 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

গত ৩০ নভেম্বর ধুমধাম করে বিয়ে হয়ে যায় পিসি সরকার জুনিয়রের মেজো মেয়ে মৌবনী সরকারের। আপাতত তিনি চন্দননগরের বধূ। কাগজে বিজ্ঞাপন দিয়ে মেজ জামাইকে পছন্দ করেছেন স্বয়ং জাদুকর। বিয়ের পর শ্বশুর বাড়িতে চুটিয়ে সংসার করছেন অভিনেত্রী।

বিয়ের পর কীভাবে নেতিবাচক মন্তব্য সামাল দিচ্ছেন মৌবনী?
বিয়ের পর কীভাবে নেতিবাচক মন্তব্য সামাল দিচ্ছেন মৌবনী?

বিয়ের পর থেকে এক দন্ড বাড়িতে বসে থাকেননি মৌবনী। স্বামীর হাত ধরে গোটা চন্দননগর ঘুরে বেড়াতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। ভবিষ্যতে বিদেশ যাত্রার পরিকল্পনা রয়েছে অভিনেত্রীর, তবে আপাতত স্বামীকে নিয়ে তিনি বেড়াতে গিয়েছেন দার্জিলিঙে।

এই মুহূর্তে স্বামীর সঙ্গে পাহাড়ে সময় কাটাচ্ছেন তিনি। এই যাত্রাকে ওই ‘ছোট হানিমুন’ বলা যেতে পারে একপ্রকার। তবে পাহাড়ি এলাকায় মানুষের ভালোবাসা পেয়ে আপ্লুত জাদুকর কন্যা। দার্জিলিঙে গিয়ে যেভাবে সকলে নব দম্পতিকে ঘিরে ছবি তুলেছেন, সেটা দেখে নিজেই অবাক হয়ে গিয়েছেন মৌবনী।

আরও পড়ুন: জুবিনের কনসার্টে চরম বিশৃঙ্খলা, গান শুনতে এসে আহত একাধিক

কিন্তু বিয়ের পর থেকে খুব স্বাভাবিক ভাবেই কিছু মানুষের নেতিবাচক মন্তব্যের শিকার হতে হয়েছিল অভিনেত্রীকে। বিয়ে হোক বা রিসেপশন সর্বত্র কেন শুধুমাত্র জাদুকর পরিবারের ছবি তুলতে দেখা দিয়েছে সকলকে এই নিয়ে বারংবার কটাক্ষের শিকার হতে হয়েছে তাঁকে।

যদিও এই ছবি তোলা নিয়ে মৌবনী আগেও জানিয়েছিলেন, শ্বশুর বাড়ির সকলে তেমনভাবে ছবি তুলতে চান না। ব্যস্ততার কারণে সকলের সঙ্গে সেই ভাবে ছবি তোলা হয়নি। কিন্তু যেভাবে গোটা ব্যাপারটাকে সকলে সামনে তুলে ধরা হচ্ছে তা কিন্তু একেবারেই ঠিক নয়। শ্বশুরবাড়িতে সকলের সঙ্গে বেশ ভালই সম্পর্ক রয়েছে তাঁর, এ কথা একাধিকবার জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

আরও পড়ুন: ‘বর্ষা’ এখন অতীত, স্ত্রীকে ডিভোর্স দেওয়ার আগেই প্রেমে মজলেন পর্দার ‘বুবলাই’

তবে এই নেতিবাচক মন্তব্যের সঙ্গে কীভাবে নিজেকে মানিয়ে নেন এই প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে আনন্দবাজার পত্রিকাকে অভিনেত্রী জানান, তিনি এই বিষয়ে চিন্তা ভাবনা করেন না। কেউ বা কারা যদি তাদের ছবি দেখে খারাপ মন্তব্য করেন সেটা তাদের ব্যাপার। তাদের চিন্তাভাবনা। সকলের চিন্তাভাবনা যে এক হবে তা ভাবেন না তিনি।

মৌবনী বলেন, ‘একটা মানুষ কি বলবে সেটা সেই ব্যক্তির ওপর নির্ভর করে। কেউ যদি খারাপ মন্তব্য করে সেক্ষেত্রে আমার কিছু বলার নেই। একটা জিনিস যে সকলের ভালো লাগবে তা আমি আশাও করি না।’

তবে একজন সেলিব্রিটি বাড়ির সদস্য না হয়েও এখন যেভাবে সকলের সঙ্গে সেলফি তুলছেন সৌম্য তাতে কিন্তু ভীষণ খুশি মৌবনী। এই ভাবেই একে অপরের সঙ্গে একে অপরের পরিবেশে মানিয়ে নিজেদের জীবন এগিয়ে নিয়ে যেতে চান নতুন দম্পতি।