Zubeen Garg Death: 'মদ খেয়ে চুর ছিলেন জুবিন! বারণ সত্ত্বেও লাইফ জ্যাকেট পরেননি', আদালতে জানাল পুলিশ

গত সেপ্টেম্বরে সিঙ্গাপুরে সফররত অবস্থায় ইয়োটে পার্টি সেরে মৃত্যুর কোলে ঢল পড়েন জুবিন গর্গ। সিঙ্গাপুর পুলিশের দাবি, মদ্যপ ছিলেন গায়ক। 

Published on: Jan 15, 2026 8:00 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

জুবিন গর্গের রহস্যমৃত্য়ু নিয়ে এবার চাঞ্চল্য়কর দাবি সিঙ্গাপুর পুলিশের। গত ১৯শে সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরে মৃত্য়ু হয় গায়কের। অসমের এই আইকন মাত্র ৫২ বছর বয়সেই সুরালোকে পাড়ি দেন। জুবিনের মৃত্য়ুর পর থেকেই তাঁর মৃত্য়ু নিয়ে উঠে এসেছে একাধিক প্রশ্ন। অসমের মুখ্য়মন্ত্রী জানিয়েছিলেন, খুন হয়েছেন জুবিন। অথচ স্থানীয় পুলিশ বলছে অন্য় কথা। আদালতের শুনানি চলাকালীন পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, সিঙ্গাপুরে একটি নৌ-ভ্রমণের সময় জুবিন গর্গ মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন এবং নিরাপত্তার জন্য দেওয়া লাইফ জ্যাকেট পরতে অস্বীকার করেছিলেন।

'মদ খেয়ে চুর ছিলেন জুবিন! বারণ সত্ত্বেও লাইফ জ্যাকেট পরেননি', আদালতে জানাল পুলিশ (Abdul Sajid)
'মদ খেয়ে চুর ছিলেন জুবিন! বারণ সত্ত্বেও লাইফ জ্যাকেট পরেননি', আদালতে জানাল পুলিশ (Abdul Sajid)

সিঙ্গাপুরের জলসীমায় একটি প্রমোদতরণীতে ভ্রমণের সময় এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় বলে জানা গেছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, সিঙ্গাপুর পুলিশ আদালতে জানিয়েছে যে, বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও জুবিন নিরাপত্তার নিয়মাবলী মানতে চাইছিলেন না। তাঁর এই আচরণ কেবল নিজের জন্যই নয়, বরং নৌকায় থাকা অন্যান্য যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

সিঙ্গাপুর পুলিশের পক্ষ থেকে সরকারি আইনজীবী আদালতে জানান, 'ঘটনার সময় শিল্পী জুবিন গর্গ যথেষ্ট নেশাগ্রস্ত ছিলেন। শিল্পীর ১০০ মিলিলিটার রক্তে অ্য়ালকোহলের পরিমাণ ছিল ৩৩৩ মিলিগ্রাম। সুতরাং মদে চুর ছিলেন জুবিন।

নিরাপত্তার স্বার্থে ক্রু মেম্বাররা তাঁকে লাইফ জ্যাকেট পরতে বললে তিনি তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন এবং দুর্ব্যবহার করেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগও তাঁর বিরুদ্ধে আনা হয়েছে।

জুবিন যে ইয়োটে ছিলেন তার ক্যাপ্টেন আদালতে সাক্ষ্য দেন। তিনিন সাফ জানান, দু-বার নিরাপত্তা সংক্রান্ত নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল গায়ককে। দ্বিতীয়বার লাইফ জ্যাকেট ছাড়া জুবিন জলে নামলে তাঁকে এক বন্ধুও সতর্ক করেন। কিন্তু কাজে আসেনি কোনও বারণ। সিঙ্গাপুর পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় কোনও ফৌজদারি অপরাধের প্রমাণ মেলেনি।

এদিকে ভারতে জুবিন গর্গের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে পৃথক তদন্ত চলছে। অসম পুলিশের সিআইডির অধীনে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) ইতিমধ্যেই এই মামলায় খুনের ধারা যোগ করেছে। সিঙ্গাপুরে নর্থ ইস্ট ইন্ডিয়ার উৎসবে যোগ দিতে গিয়েছিলেন জুবিন। সেই উৎসবের আয়োজক শ্যামকানু মহন্ত, জুবিনের সচিব সিদ্ধার্থ শর্মা এবং দুই ব্যান্ড সদস্য শেখরজ্যোতি গোস্বামী ও অমৃতপ্রভা মহন্তর বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ আনা হয়েছে। পাশাপাশি জুবিনের খুড়তুতো ভাই ও বরখাস্ত পুলিশ আধিকারিক সন্দীপন গর্গের বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।