Nilanjana-Jisshu: ঠিকানা বদল যিশুর! নতুন শুরুর উদযাপন নীলাঞ্জনার, ‘যে ভালোবাসা, প্রশংসা খুঁজছি, তা…’, দিলেন বার্তা

নীলবাঞ্জনা শুধু তাঁর ‘সেনগুপ্ত’ পদবি বদলে ফেলেননি, বরং বরের সঙ্গে ব্যাবসায়িক সম্পর্কেও ছেদ ঘটিয়েছেন। ‘যিশু উজ্জ্বল সেনগুপ্ত প্রোডাকশনস’ ছেড়ে খোলেন নিনি চিনিস মাম্মাস প্রোডাকশন।

Jul 9, 2025, 12:27:38 IST
By | Written by
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

২০২৪ সালে জীবনটা অনেকাংশে বদলে গিয়েছে নীলাঞ্জনা সেনগুপ্ত থুরি শর্মার। গত বছরেই খবর আসে, ঘর ভাঙছে যিশু সেনগুপ্তর। একাধিক রিপোর্টে দাবি করা হয় যে, নতুন সম্পর্কে জড়িয়েছেন যিশু, তাও আবার নিজের আপ্ত সহায়কের সঙ্গে। ফলত দূরত্ব বেড়েছে স্ত্রী নীলাঞ্জনা ও দুই মেয়ে সারা ও জারার সঙ্গে। এমনকী, আজকাল আর নিজেদের লেক গার্ডেন্সের বাড়িতেও আসেন না অভিনেতা।

যিশু-নীলাঞ্জনার বিচ্ছেদ চর্চা এখনও তুঙ্গে।
যিশু-নীলাঞ্জনার বিচ্ছেদ চর্চা এখনও তুঙ্গে।

এরপর নীলবাঞ্জনা শুধু তাঁর ‘সেনগুপ্ত’ পদবি বদলে ফেলেননি, বরং বরের সঙ্গে ব্যাবসায়িক সম্পর্কেও ছেদ ঘটিয়েছেন। ‘যিশু উজ্জ্বল সেনগুপ্ত প্রোডাকশনস’ ছেড়ে খোলেন নিনি চিনিস মাম্মাস প্রোডাকশন। যার প্রথম ধারাবাহিক ছিল ‘আনন্দী’। আর চলতি সপ্তাহে শুরু হয়েছে এই প্রযোজনা সংস্থার নতুন সিরিয়াল ‘দাদামণি’।

‘দাদামণি’-র শুরুর উদযাপনে কোনো খামতি রাখলেন না নীলাঞ্জনার দুই মেয়ে সারা ও জারা। কেক, গোলাপ ফুলের তোড়া আনল দুই মেয়ে মায়ের জন্য। যদিও সারা খুব সম্ভবত কলকাতার বাইরে। মায়ের পথে হেঁটে, মডেলিংকেই আপাতত কেরিয়ার বেছেছেন সারা। নামিদামি ব্র্যান্ডের হয়ে কাজও করছেন যিশু-কন্যা। তবে জারা আছে মায়ের পাশে। কেকের সামনে জারা-র বসে থাকার একটি ছবিও দিয়েছেন নীলাঞ্জনা।

সঙ্গে ক্যাপশনে লেখেন, ‘গতকাল আমার নতুন সিরিয়াল টেলিকাস্ট হয়েছে। স্পষ্টতই, নিনি-চিনির জীবনে আমি একজন MIA (স্পষ্টতই, নিনিচিনির জীবনে আমি একজন মিয়া মা।) মা। এমন একজন মা যে সবসময়ই ক্লান্ত, বিরক্ত থাকে। তারা কখনো ঝগড়া করে, আবার কখনো বোঝে আর মানিয়ে নেয়।’

‘কিন্তু প্রতিদিন… সারা আমাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে আর বলে, 'তুমি পেরেছ মাম্মা'। জারু আমার গালে চুমু খায় আর বলে, 'এত পরিশ্রম করার জন্য ধন্যবাদ মাম্মা'। আর আমি জানি সবকিছু সার্থক। আমি যে ভালোবাসা, প্রশংসা এবং অনুগ্রহ খুঁজছি, তাঁদের মধ্যে খুঁজে পাই। আমার সিরিয়াল শুরুর দিনটিকে এভাবে বিশেষ করে তোলার জন্য ধন্যবাদ। তোমরা ছাড়া আমি এটা করতে পারতাম না।’

ডিভোর্স-চর্চা শুরু হতে না হতেই, দেখা গিয়েছিল যে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে যিশু সেনগুপ্তকে আনফলো করে দিয়েছেন নীলাঞ্জনা। এমনকী, যিশুকে আনফলো করেছেন সারা সেনগুপ্তও। তারপর অবশ্য, চলতি বছরে সামনে আসে যে নীলাঞ্জনা ও সারাকে আর ফলো করছেন না যিশুও। শোনা যায়, কলকাতা এলে পরিবারের কাছে যান না, নিজের দিদির কাছেই ওঠেন।

তবে প্রকাশ্যে নীলাঞ্জনা বা যিশু কেউই এই বিচ্ছেদ নিয়ে খোলেননি মুখ। তবে সারা-জারা-র মায়ের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে কখনো একা মায়ের লড়াই, কখনো বিশ্বাসভঙ্গ, আবার কখনো সম্পর্কে ছলনা-র উল্লেখ আরও ঘোরালো করে তোলে পরিস্থিতি।