Nusrat Jahan: ঘুচল অভিমান! ভোটের টিকিট না পেলেও, তৃণমূলের তারকা প্রচারকের দায়িত্ব পেলেন নুসরত
TMC-Nusrat Jahan: ২০২৪ সালে লোকসভা ভোটের টিকিট পাননি নুসরত জাহান। এরপর তৃণমূলের সঙ্গে বেশ খানিকটা দূরত্ব বেড়েছিল। তবে ২০২৬ সালের লোকসভা ভোটে ফের তিনি তুরুপের তাস। তারকা প্রচারকের দায়িত্ব পেলেন বসিরহাটের একসময়ের ‘সুন্দরী সাংসদ’।
Nusrat Jahan's name is on TMC's Star campaigners list: একসময় তৃণমূলের টিকিটে লোকসভা ভোটে জয়লাভ! তারপর অবশ্য রাজনীতিতে গ্ল্যামারের রং জুড়লেও, কাজের কাজ খুব একটা করেননি দাবি তুলে অভিনেত্রীর সমালোচনায় মুখর ছিল নিন্দুকরা। এমনকী, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে টিকিটও পাননি। শোনা যায়, দলের উপর হাকা অভিমানও হয়েছিল নুসরতের। তবে সব মান-অভিমন কাটিয়ে ২০২৬ বিধানসভা ভোটে ফের দলের পাশে নুসরত জাহান। দ্বিতীয় দফার জন্য ৪০ জন তারকা প্রচারকের তালিকা প্রকাশ করল ঘাসফুল শিবির। আর তাতে রয়েছেন নুসরতও।

ইতিমধ্যে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (Election Commission of India) কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে এই তালিকা জমা দিয়েছে ঘাসফুল শিবির। আর মমতা-অভিষেকের পাশাপাশি, এই তালিকায় যেমন দেব, শত্রুঘ্ন সিনহা, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, সায়নী ঘোষরা রয়েছেন, তেমনই আছেন নুসরত জাহানও। রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের পাশাপাশি প্রচারের ময়দানে মানুষের কাছে পৌঁছাতে বরাবরের মতো এবারেও বিনোদন ও ক্রীড়া জগতের একঝাঁক তারকাকে হাতিয়ার করেছে তৃণমূল। আছেন প্রাক্তন তারকা ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠান ও কীর্তি আজাদ। এই তালিকায় নুসরতের পাশাপাশি চমক দিয়েছে কোয়েল মল্লিকের নামও।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে লোকসভা ভোটের প্রার্থিতালিকা প্রকাশ হওয়ার পরেরদিনই, দলকে ঠুঁকেছিলেন তিনি। ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট এসেছিল তাঁর তরফে। আর সেটাকে দুইয়ে দুইয়ে চার করতে সমস্যা হয়নি কারও। একটি ছবি দিয়েছিলেন, যাতে দেখা গিয়েছিল, উদাস ভঙ্গিতে বসে রয়েছেন। সামনের টেবিলে রাখা নানা ধরনের খাবার, পানীয়, ফ্রেঞ্চফ্রাই। একটি প্লেটে রাখা ‘সাওয়ারডো’। এক বিশেষ ধরনের পাউরুটি হল এই সাওয়রডো, যা তারকা থেকে ফিটনেস ফ্রিকদের পছন্দের তালিকায় আসে শীর্ষে। আর সেই ছবির ক্যাপশনে নুসরত লিখেছিলেন, ‘I prefer sourdough over sour people.’ আর এখানে টক মানুষ বলতে অনেকেরই ধারণা ছিল তৃণমূলের দিকেই ইঙ্গিত তাঁর।
বসিরহাট কেন্দ্রের সাংসদ ছিলেন নুসরত! এমনিতেই বেশ ‘কঠিন’ লোকসভা কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত সেটি। আর নুসরত ভোটে জেতার পর, একাধিকবার অশান্ত হয়েছে সেই এলাকা। নিজের কেন্দ্রের যখন অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি, তিনি কখনো ব্যস্ত ছিলেন বিয়ে করতে আবার কখনো ভ্যালেন্টইন্স ডে পালনে। সেই পাঁচট বছরে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও চর্চা ছিল তুঙ্গে। নিখিল জৈনকে বিয়ে করা, সিঁদুর পরে সাংসদ হিসেবে শপথ নেওয়া, সেই বিয়েকেই পরবর্তীতে অবৈধ ঘোষণা, যশের সঙ্গে সম্পর্ক, প্রেগন্যান্সি, সন্তানের পিতৃ পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন--- একাধিক বিতর্কের কালো মেঘ ঘিরে রেখেছিল তাঁকে। ফলে দলের অন্দরেও বেশ একটা অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper











