'আমি আর মা একসঙ্গে সুইসাইড করতে যাই…', জীবনের কঠিন সময় নিয়ে মুখ খুললেন ঐন্দ্রিলা
প্রত্যেকটা মানুষের জীবনে এমন একটা সময় আসে যখন মনে হয় যেন জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। এমন একটা সময় এসেছিল ঐন্দ্রিলার জীবনেও। ২০১৫ সালের জুন মাসে আচমকাই পথ দুর্ঘটনায় মারা যান ঐন্দ্রিলার বাবা। আচমকা বাবাকে হারিয়ে সেই সময় যেন হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলেন তিনি।
প্রত্যেকটা মানুষের জীবনে এমন একটা সময় আসে যখন মনে হয় যেন জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। এমন একটা সময় এসেছিল ঐন্দ্রিলার জীবনেও। ২০১৫ সালের জুন মাসে আচমকাই পথ দুর্ঘটনায় মারা যান ঐন্দ্রিলার বাবা। আচমকা বাবাকে হারিয়ে সেই সময় যেন হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলেন তিনি।
কেমন ছিল ঐন্দ্রিলার সেই কঠিন সময়?
সম্প্রতি একটি পডকাস্ট চলাকালীন ঐন্দ্রিলা বলেন, আমি এখনো সেদিনের কথা ভুলবো না। আমি কোলাঘাটের কাছে একটা শুটিংয়ে গিয়েছিলাম। আমার সঙ্গে আমার মা ছিল। মাত্র আধ ঘন্টা আগেই আমার বাবার সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছিল। হঠাৎ করে মায়ের কাছে একটি ফোন আসে, বাবার এক্সিডেন্ট হয়েছে যেন আমরা তাড়াতাড়ি চলে যাই।
অভিনেত্রী বলেন, আমি এবং মা সম্পূর্ণ বাবার ওপর নির্ভরশীল ছিলাম। শ্মশানে বসেও আমি বলেছিলাম যে বাবাকে বল বাবা সব এনে দেবে। বাবাকে যে এত তাড়াতাড়ি হারিয়ে ফেলবো সেটা কল্পনাও করতে পারিনি আমি। আমি হয়তো ভাবতেও পারিনি যে আমার সঙ্গে আমার বাবা নেই। সেই সময়টা ভীষণ কঠিন ছিল।
ঐন্দ্রিলা আরও বলেন, আমরা টাকা তুলতে জানতাম না, বাজার করতে জানতাম না, কোথায় গয়না থাকে সেটাও জানতাম না। এক কথায় আমি আর আমার মা সম্পূর্ণ বাবার উপর নির্ভরশীল ছিল। একটা সময় এমনও ছিল যখন মনে হয়েছিল যে আমরা আত্মহত্যা করি। অনেক কষ্টে সেই সময় থেকে আমরা বেরিয়ে এসেছি।
প্রসঙ্গত, এই মুহূর্তে বড় পর্দায় চলছে ঐন্দ্রিলা এবং অঙ্কুশ অভিনীত নারী চরিত্র বেজায় জটিল। ছবিটি ইতিমধ্যেই দর্শকদের থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছে। যদিও ছবি মুক্তির ঠিক একদিন আগে নবীনা সিনেমা হলের সামনে ছবির কাটআউট ভাঙ্গার চেষ্টা করেছিল কিছু দুষ্কৃতি, যা নিয়ে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
News/Entertainment/'আমি আর মা একসঙ্গে সুইসাইড করতে যাই…', জীবনের কঠিন সময় নিয়ে মুখ খুললেন ঐন্দ্রিলা