পেয়েছেন প্রতারক তকমা! স্মৃতির সঙ্গে বিয়ে ভাঙার পর প্রেমানন্দ মহারাজের আশ্রমে পলাশ, হলেন ব্যাপক ট্রোল
স্মৃতি মান্ধানার সঙ্গে বিয়ে ভাঙার পর বৃন্দাবনের প্রেমানন্দ মহারাজের আশ্রমে দেখা গেল পলাশ মুচ্ছলকে। আর তারপরই ব্য়াপকভাবে ট্রোলের মুখে পড়তে হল গায়ক-সুরকারকে।
বিশ্বকাপ ঘরে আনার পর গোটা দেশের ঘরের মেয়ে হয়ে গিয়েছেন স্মৃতি মন্দনা। সঙ্গে পলাশ মুচ্ছলের তাঁর প্রেমকাহিনিও জায়গা করে নিয়েছিল সকলের মনে। কিন্তু সেই বিয়েই যখন স্থগিত হয়ে যায়, পলাশ মুচ্ছলকে ‘প্রতারক’ তকমা দিয়ে বসে নেটপাড়া। নেতিবাচকতায় ভরে যায় সোশ্যাল মিডিয়া। এরই মাঝে পলাশকে দেখা গেল বৃন্দাবনের প্রেমানন্দ মহারাজের আশ্রমে।

বিয়ে স্থগিত হওয়ার পর, সোমবার প্রথম প্রকাশ্যে দেখা যায় পলাশ মুচ্ছলকে। বিমানবন্দরে তাঁর পরিবারের সঙ্গে কালো রঙের পোশাকে তাঁকে দেখা যায়। এই ভিডিয়োটি ভাইরাল হওয়ার পরপরই, খবর রটে যে ৭ ডিসেম্বর নাকি হচ্ছে স্মৃতি আর পলাশের বিয়ে। তবে অচিরেই স্মৃতির ভাই তা উড়িয়ে দেন। আর এখন প্রেমানন্দ মহারাজের আশ্রমে দেখা গেল পলাশ মুচ্ছলকে।
রেডিটে ভাইরাল হওয়া একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে যে, প্রেমানন্দজি মহারাজের আশ্রম পরিদর্শন করতে গিয়েছিলেন পলাশ। শ্রী হিত রাধা কেলি কুঞ্জ আশ্রম বরাহা ঘাটের কাছে বৃন্দাবন পরিক্রমা মার্গে অবস্থিত। ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা যাচ্ছে, সাদা শার্ট ও কালো জ্যাকেট পরা পলাশ অন্যান্য ভক্তদের সঙ্গে মেঝেতে বসে আছেন। আশ্রমে তাঁর আগমনকে মোটেও ভালোভাবে নেয়নি নেটপাড়া। বরং নেটিজেনরা অভিযোগ করেছে, সংগীত অনুষ্ঠানের রাতে এক কোরিওগ্রাফারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়ে, স্মৃতিকে ঠকানোর পর, ভাবমূর্তি পরিষ্কার করতে এখন আধ্যাত্মিকতার মুখোশ বেছে নিয়েছেন পলাশ।
একজন মন্তব্য করেন, ‘খুব কমই কোনও প্রতারক বিয়ের এক রাতে আগে ধরা পড়ে এবং বিয়ের স্থান থেকে বের করে দেওয়া হয়। তিনি হয়তো জানতে চান... কেন তাঁর সঙ্গেই এমন হল!’ আরেকজন লেখেন, ‘ডুড বেশি স্মার্ট হওয়ার চেষ্টা কোরো না! তোমার আসল রূপ সবাই বুঝে ফেলেছে।’ আরেকজন লেখেন, ‘এর আগে রাজ কুন্দ্রা, আর এখন এই ঠকবাজ। সবাই দেখি ইমেজ হোয়াইটওয়াশ করতে প্রেমানন্দ মহারাজের আশ্রমে ছুটছেন।’
এসব শুরু হয় যখন স্মৃতির বাবা মেয়ের বিয়ের দিন সকালে হাসপাতালে ভর্তি হন। জানা যায়, বাবা সুস্থ না হওয়া অবধি বিয়ের অনুষ্ঠান স্থগিত রাখা হবে। তবে এরপরই খবর আসে, পলাশও অসুস্থ। তারপর একটি স্ক্রিনশট ভাইরাল হয়। যেখানে এক মহিলার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ চ্যাটালাপে মত্ত পলাশ। এমনকী, স্মৃতির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক চার্ম হারিয়েছে, এমনও লেখা। এখানেই শেষ নয়, শোনা যেতে থাকে বিয়ের আগের রাতে এক কোরিওগ্রাফারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় ধরা পড়েছেন পলাশ। আরও জলঘোলা হয় যখন আংটি বদল, গায়ে হলুদ, সংগীত সম্পর্কিত সব পোস্ট মুছে দেন স্মৃতি। এমনকী, তাঁর মহিলা ক্রিকেট দলের সহ-খেলোয়াড়রাও সব পোস্ট মুছে দেন। স্মৃতির ভাই আনফলো করে দেন পলাশকে।
তবে বিয়ে নিয়ে কোনো অফিসিয়াল স্টেটমেন্ট দেননি হবু বর ও কনে। স্মৃতিকে এখনও প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। কিন্তু গত সপ্তাহে আচমকাই ইনস্টা বায়োতে ইভিল আই ইমোটিকন জুড়েছেন পলাশ ও স্মৃতি। এখন প্রশ্ন, সব কি আদৌ ঠিকঠাক আছে? তাহলে কেন এত বড় অভিযোগেও নীরাবতা পালন করছেন দুই পক্ষ!












