‘রং দে বাসন্তী’ ছবির রিইউনিয়নে কেন অনুপস্থিত ছিলেন মাধবন? খোলসা করলেন অভিনেতা নিজেই

গত ৬ ফেব্রুয়ারি রং দে বাসন্তী ছবির ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে পুনরায় মিলিত হয়েছিলেন ছবির সমস্ত কলাকুশলী। পরিচালক রাকেশ ওম প্রকাশ মেহেরা থেকে শুরু করে আমির খান, সোহা আলি খান, শারমন জোশি, কুনাল কাপুর সহ সকলেই উপস্থিত ছিলেন সেই অনুষ্ঠানে।

Published on: Feb 11, 2026 11:45 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

গত ৬ ফেব্রুয়ারি ‘রং দে বাসন্তী’ ছবির ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে পুনরায় মিলিত হয়েছিলেন ছবির সমস্ত কলাকুশলী। পরিচালক রাকেশ ওম প্রকাশ মেহেরা থেকে শুরু করে আমির খান, সোহা আলি খান, শারমন জোশি, কুনাল কাপুর সহ সকলেই উপস্থিত ছিলেন সেই অনুষ্ঠানে।

‘রং দে বাসন্তী’ ছবির রিইউনিয়নে কেন অনুপস্থিত মাধবন?
‘রং দে বাসন্তী’ ছবির রিইউনিয়নে কেন অনুপস্থিত মাধবন?

কিন্তু সকলে থাকলেও দর্শকদের চোখ খুঁজছিল আরও এক অভিনেতাকে, তিনি হলেন আর মাধবন। সকলের মুখে একটাই প্রশ্ন, কেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না অভিনেতা? কোথায় ছিলেন তিনি? দর্শকদের এই প্রশ্নের উত্তরে অবশেষে নিজেই মুখ খুললেন মাধবন।

আরও পড়ুন: ন্যাকামো করলেই রিজেক্ট! কার সঙ্গে ভ্যালেন্টাইন ডে কাটানোর প্ল্যান আরত্রিকার?

মাধবন বলেন, কাজের ব্যস্ততার কারণে তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি। যখন অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় তখন তিনি বিদেশে শ্যুটিংয়ে ব্যস্ত ছিলেন। অনুষ্ঠানে আসার কথা ছিল কিন্তু সময় মত কাজ শেষ না হওয়ার কারণে তিনি উপস্থিত থাকতে পারেননি। যদিও এই উপস্থিত না থাকার ব্যাপারটি নিয়ে তিনি ভীষণ দুঃখিত কারণ যেখানে বাকি সকলেই ছিলেন সেখানে তিনি থাকলে সেই আইকনিক ছবিটি আবার পরিপূর্ণ হতো।

অভিনেতা আরও বলেন, পুনর্মিলন অনুষ্ঠানটি জানুয়ারিতে হওয়ার কথা ছিল কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত ২৮ জানুয়ারি মহারাষ্ট্রের বারামতিতে বিমান দুর্ঘটনায় উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের মৃত্যু হওয়ায় অনুষ্ঠান স্থগিত করে দেওয়া হয়। পরবর্তীকালে ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠানটি আবার অনুষ্ঠিত হওয়ার পরিকল্পনা করা হয় কিন্তু সেই সময় বিদেশে থাকার দরুণ তাদের যোগ দিতে পারলেন না মাধবন।

আরও পড়ুন: প্রেমের সপ্তাহেও বাড়ি থেকে দূরে অঙ্গনা, সঙ্গে নেই রোহন, সব ঠিক আছে তো?

প্রসঙ্গত, এই সিনেমায় একজন পাইলটের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন মাধবন। ছবিতে অভিনেতার অভিনয়টি ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ ছিল কারণ এই সিনেমায় মাধবনের মৃত্যুর পরেই পুরোপুরি পাল্টে যায় সকলের জীবন। একটা অগোছালো জীবন থেকে বন্ধুর মৃত্যুর বিচার চাওয়াই হয়ে ওঠে মূল লক্ষ্য।