বিয়ের পরেই ভাইরাল পুরনো অডিও ক্লিপ, আইনি পথে হাঁটার হুমকি দিলেন রশ্মিকা
কিছুদিন আগেই বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন রশ্মিকা মন্দানা। উদয়পুরে জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে সাত পাকে বাঁধা পড়েছেন বিজয় এবং রশ্মিকা। নব দম্পতি যখন তাঁদের নিজেদের নতুন জীবনকে নতুনভাবে সাজাতে চলেছেন ঠিক তখনই রশ্মিকার মা সুমন মন্দানার একটি পুরনো অডিও ক্লিপ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।
কিছুদিন আগেই বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন রশ্মিকা মন্দানা। উদয়পুরে জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে সাত পাকে বাঁধা পড়েছেন বিজয় এবং রশ্মিকা। নব দম্পতি যখন তাঁদের নিজেদের নতুন জীবনকে নতুনভাবে সাজাতে চলেছেন ঠিক তখনই রশ্মিকার মা সুমন মন্দানার একটি পুরনো অডিও ক্লিপ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।

কিছু কিছু মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম দাবি করেছে, এটি পুরনো সাক্ষাৎকার থেকে নেওয়া হয়েছে আবার অন্যরা দাবি করেছেন এই অডিও ক্লিপ রশ্মিকার মা এবং পরিবারের অন্য কোনও সদস্যের মধ্যে ব্যক্তিগত কথোপকথনের ক্লিপিং। সোশ্যাল মিডিয়ায় অডিওটি ভাইরাল হতেই রশ্মিকা তাঁর রশ্মিকা অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে এই ব্যাপারটির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং আইনি পথে হাঁটার হুমকি দিয়েছেন।
আরও পড়ুন: 'বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না…', ঘুরতে গিয়ে কোন বিরল দৃশ্যের সাক্ষী হন সন্দীপ্তা?
এই প্রসঙ্গে বলে রাখা ভালো, ২০১৭ সালে সহঅভিনেতা রক্ষিত শেট্টির সঙ্গে বাগদান সম্পন্ন হয়েছিল অভিনেত্রীর। কিন্তু এক বছরের মধ্যেই তাদের পথ আলাদা হয়ে যায়। বর্তমানে যে অডিওটি ভাইরাল হয়েছে সেখানেই রশ্মিকা এবং রক্ষিতের বিচ্ছেদের কারণ নিয়ে জটিল আলোচনা করতে শোনা যায় অভিনেত্রীর মাকে।
এর আগেও জানা গিয়েছিল, রক্ষিতের সঙ্গে বিয়ের পর রশ্মিকাকে জোর করে কাজ ছাড়তে বাধ্য করা হয়। পরবর্তীকালে অভিনেত্রীর মাকে নাকি ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছিল কিন্তু তিনি ক্ষমা চাননি। এরপর ‘গীতা গোবিন্দম’ ছবিতে অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় করার পরেই নাকি রক্ষিতের সঙ্গে সম্পর্কে ফাটল তৈরি হয়, যার ফলে দুজনেই আলাদা হয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

মায়ের কথোপকথনের এই অডিও ক্লিপিং ভাইরাল হতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় রশ্মিকা পোস্ট করে জানান, যে বা যারা এই কাজটি ইচ্ছাকৃতভাবে করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গত ২৪ ঘন্টায় যে অডিও ভাইরাল হয়েছে, সেটা কিছু ব্যক্তিগত পেজ থেকে করা হয়েছে কিছু উদ্দেশ্য নিয়ে।
রশ্মিকা লেখেন, ‘আমি শুধু ভাবছি মানুষ কতদূর যেতে পারে। যে সমস্ত ডিজিটাল মাধ্যমে এটা প্রকাশ করা হয়েছে তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমি এতদিন চুপ ছিলাম। সকলকে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছি এতদিন। কিন্তু কিছু মানুষ আমায় ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করছে তাই আর চুপ করে থাকা যাবে না।’
আরও পড়ুন: 'বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না…', ঘুরতে গিয়ে কোন বিরল দৃশ্যের সাক্ষী হন সন্দীপ্তা?
তিনি আরও লিখেছেন, 'প্রায় আট বছর আগের একটি পুরনো ব্যক্তিগত কথোপকথন, যা প্রায় আট বছর আগের বলে মনে করা হচ্ছে, তা রেকর্ড করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের অজান্তেই প্রচার করা হয়েছে। সেই কথোপকথনের একটি ছোট অংশ এখন ইচ্ছাকৃতভাবে প্রসঙ্গের বাইরে নিয়ে ব্যাপকভাবে প্রচার করা হয়েছে যাতে আরেকটি অস্বস্তিকর বিতর্ক তৈরি করা যায়। এটি করে, তারা আমার পরিবার এবং যাদের সাথে আমি আন্তরিক সম্পর্ক ভাগ করে নিই, যাদের এই বিষয়টির সাথে একেবারেই কোনও সম্পর্ক নেই, তাদের অস্বস্তিতে টেনে এনেছে। এটি গোপনীয়তার উপর গুরুতর আক্রমণ এবং বিভ্রান্তিকর এবং মানহানিকর উপাদানের প্রচার।
সবশেষে তিনি লেখেন, ‘আমরা যখন জীবনে এগিয়ে যাই, বেড়ে উঠি, অর্থপূর্ণ কাজ তৈরি করি এবং ইতিবাচকতা ছড়িয়ে দিই, তখন দুর্ভাগ্যজনক যে কয়েকজন অন্য ব্যক্তির মর্যাদা এবং শান্তির মূল্যে ঘৃণা এবং বিতর্ক তৈরি করে চলেছে। আট বছর ধরে, যখন আক্রমণগুলি আমার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল, আমি নীরবতা বেছে নিয়েছিলাম। কিন্তু আর না।’
E-Paper











