Hiraan 2nd Wife: '৫ বছর একসঙ্গে আছি, অনেক আগে বিয়ে করেছি', বিস্ফোরক হিরণের ‘কচি বউ’ ঋতিকা

Hiraan 2nd Wife: আপ্ত সহায়ক থেকে হিরণের অগ্নিসাক্ষী করা বউ- বিয়ের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই মুখ খুললেন ঋতিকা। 

Published on: Jan 21, 2026 8:23 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

খড়গপুরের বিজেপি বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় বিয়ে কি অবৈধ? প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায়ের বিস্ফোরক অভিযোগের পর এবার পালটা দিলেন হিরণের নতুন বউ ঋতিকা গিরি। খোদ ঋতিকাই এবার সোশ্য়াল মিডিয়ায় দাবি করলেন, তিনি এবং হিরণ অগ্নিসাক্ষী রেখে নতুন জীবন শুরু করেছেন। শুধু তাই নয়, হিরণ-অনিন্দিতার আইনি বিচ্ছেদ নিয়েও মুখ খুলেছেন হিরণের এক সময়ের আপ্তসহায়ক।

'৫ বছর একসঙ্গে আছি, অনেক আগে বিয়ে করেছি', বিস্ফোরক হিরণের ‘কচি বউ’ ঋতিকা
'৫ বছর একসঙ্গে আছি, অনেক আগে বিয়ে করেছি', বিস্ফোরক হিরণের ‘কচি বউ’ ঋতিকা

হিরণ আর ঋতিকার বিয়ে নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। একদিকে হিরণের প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতার অভিযোগ—বিচ্ছেদ ছাড়াই হিরণ আবার বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন, অন্যদিকে ২৬-২৮ বছরের অসম বয়সের ফারাক নিয়ে নেটপাড়ায় ট্রোল। এই সব কিছুর মাঝে ঋতিকা স্পষ্ট করে দিলেন, তিনি কোনো ভুল কাজ করেননি। ঋতিকার কথায়, 'সব মিডিয়াকে বিনিত অনুরোধ, এই মুহূর্তে আমি কোনও রকমের ইন্টারভিউ দিতে পারছি না। এখন আমি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত, এবং শারীরিকভাবে খুবই অসুস্থ। সম্প্রতি আমার একটা অপারেশন হয়েছে। ডাক্তার আমাকে পুরোপুরি বিশ্রামে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। আমি প্রথম বউ (হিরণের স্ত্রী অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায়) অনিন্দিতার যে বক্তব্যগুলো শুনেছি, তার কিছু বিষয় স্পষ্ট করা খুবই দরকার বলে মনে করি।

১. আমার বয়স সম্পর্কে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে। ২. ওঁকে ডিভোর্সের আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে। ৩. এই বিয়ে আমরা অনেক আগেই করেছি। গত পাঁচ বছর ধরে আমরা একসঙ্গে আছি। এবং এই সব বিষয় অনিন্দিতা জানতো। আমার সব সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টও পাবলিক ছিল। কোনও কিছুই লুকোনো ছিল না। তা হলে এত বছর তিনি কোথায় ছিলেন, কেন তখন কোনও প্রশ্ন তোলেননি? ৪. তিনি বলেছেন, সম্প্রতি একসঙ্গে থাকা হয়েছে মোটামুটি ছয় মাস। এটা পুরোপুরি ভুল। ছয় মাসের জন্য কোনওদিনই একসঙ্গে থাকেনি। হিরণ নিজের মেয়ের সঙ্গে ছিল ২০২৪-এর ৯ নভেম্বর থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শুধুমাত্র কিছু ব্যক্তিগত কাজের জন্য। তার মধ্যে মেয়ের জন্মদিন পড়েছিল।'

এখানেই থেমে থাকেননি ঋতিকা। তিনি বলেন, এই বিয়ে মানসিক সন্তুষ্টির জন্য করা। হিরণের নতুন বউ যোগ করেন, ‘বেনারসের মতো পবিত্র জায়গায়, গঙ্গা মায়ের সামনে, পবিত্র বিধিতে এই বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। এটা কোনও লাক্সারি বিয়ে ছিল না। শুধু মনের ভক্তি, বিশ্বাস এবং পবিত্রতা নিয়ে এই বিয়ে হয়েছে। যদি মনে হয় বেআইনি, তা হলে আমার একটাই কথা, ওঁকে আইনি পদক্ষেপ করতে বলুন।’

আইনি প্যাঁচ বনাম দাবি: যদিও অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায় এখনও নিজের দাবিতে অনড়। তাঁর বক্তব্য, এখনও কোনো ডিভোর্স ডিক্রি বা আইনি বিচ্ছেদ কার্যকর হয়নি। হিরণের যে ডিভোর্স হয়নি তা খানিক স্পষ্ট ঋতিকার পোস্টেও। কারণ ডিভোর্সের নোটিশ পাঠানো আর বিচ্ছেদের মধ্য়ে বিস্তর ফারাক রয়েছে।

হিরণ চট্টোপাধ্যায় নিজে এখনও মিডিয়ার সামনে বিষয়টি নিয়ে নীরব থাকলেও ঋতিকার এই বয়ান বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করল। একদিকে প্রথম স্ত্রীর ‘না হওয়া বিচ্ছেদের’ দাবি, অন্যদিকে দ্বিতীয় স্ত্রীর এই বিয়েকে বৈধ প্রমাণের চেষ্টা—এই দুইয়ের টানাপোড়েনে খড়গপুরের বিধায়কের ব্যক্তিগত জীবন এখন ওপেন বুক। জল শেষ পর্যন্ত আদালতে গড়ায় কি না, এখন সেটাই দেখার।