হাসপাতালের বেডে বসেই রাহুলের জন্য গলা মেলালেন রোহন, কী হয়েছে অভিনেতার?
রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে স্তব্ধ গোটা টলিউড। মৌন মিছিল থেকে শুরু করে থানায় অভিযোগ দায়ের, সবকিছুই করা হয়েছে বিচারের আশায়। কিন্তু রাহুলের মৃত্যুর পর থেকে মৌন মিছিল অথবা রাহুলের শেষ যাত্রায় দেখতে পাওয়া যায়নি অন্যতম অভিনেতা রোহন ভট্টাচার্যকে।
রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে স্তব্ধ গোটা টলিউড। মৌন মিছিল থেকে শুরু করে থানায় অভিযোগ দায়ের, সবকিছুই করা হয়েছে বিচারের আশায়। প্রযোজনা সংস্থার তরফ থেকে কোনও ইতিবাচক মন্তব্য না আসায় অবশেষে মঙ্গলবার অর্থাৎ ৭ এপ্রিল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির ডাক দেওয়া হয়েছে আর্টিস্ট ফোরামের তরফ থেকে। এই মর্মে ৭ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে প্রত্যেক সদস্যদের উপস্থিত থাকার আবেদনও জানানো হয়েছিল।

কিন্তু রাহুলের মৃত্যুর পর থেকে মৌন মিছিল অথবা রাহুলের শেষ যাত্রায় দেখতে পাওয়া যায়নি অন্যতম অভিনেতা রোহন ভট্টাচার্যকে। কিন্তু কেন তিনি উপস্থিত থাকতে পারেননি, তা নিয়ে সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়া একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেন তিনি। ভিডিয়োর মাধ্যমে তিনি সকলকে জানান, এই মুহূর্তে হাসপাতালে ভর্তি আছেন তিনি। শুধু তাই নয়, নিজের সঙ্গে ঘটে যাওয়া একটি দুর্ঘটনার কথাও সকলের সঙ্গে শেয়ার করেন অভিনেতা।
আরও পড়ুন: 'কোনও সেফটি লাগবে না...', তাপস পালের কথা অগ্রাহ্য করে যা করেছিলেন তরুণ মজুমদার
হাসপাতালের বেডে বসে অভিনেতা বলেন, ‘কিছুদিন আগে একটা অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছিল যার জন্য এখন আমি হসপিটালে ভর্তি আছি। তবে এখন অনেকটাই ভালো আছি আমি। এই অসুস্থতার জন্যই রাহুলদার মৃত্যুর পর আমাকে কোথাও দেখতে পাওয়া যায়নি। তবে রাহুলদার মৃত্যুতে যা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে আমি পূর্ণ সমর্থন করছি।’
রোহন বলেন, ‘২০১২ সালে শুটিং করার সময় আমার বিরাট বড় অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছিল। আমার হাতে একটা কাটা দাগ আছে। শুটিং করার সময় ট্রেন (দার্জিলিং মেল) ধাক্কা মেরেছিল আমাকে। আমার হাত ভেঙে যায়। সবার আগে যেটা হয় সেটা হল সেখানে যারা উপস্থিত ছিলেন সবাই পালিয়ে গিয়েছিলেন। সবার মনে হয়েছিল যে ট্রেনে ধাক্কা মারলে কি করে একটা মানুষ বেঁচে থাকবে? এরপর কিছু লোকাল লোক আর গুটিকয়েক টেকনিশিয়ান ছিলেন তারা আমাকে উদ্ধার করে নিয়ে যান হাসপাতালে।’
রোহন আরও বলেন, ‘দায় কেউ নেয় না। সেদিন যদি আমার কিছু হয়ে যেত তাহলে আপনারা শুনতে পেতেন যে আমি হয়তো ট্রেনের পাশে ঘুরে বেরাচ্ছিলাম অথবা রেললাইনের ট্র্যাক ধরে হাঁটছিলাম। যেহেতু আমি বেঁচে আছি তাই আপনাদের জানাতে পারছি যে শুটিং চলাকালীন আমার সঙ্গে কী হয়েছিল। সব থেকে বড় কথা সেদিন প্রান্তিকের কাছে যে শ্যুটিং চলছিল সেটা উইথআউট পারমিশন চলছিল।’
আরও পড়ুন: প্রকাশ্যে এল ‘ভোলে বাবা’ সিজন ৩- এর নায়কের মুখ, কে এন্ট্রি নিলেন সিরিয়ালে?
সবশেষে রোহন বলেন, ‘এই দায় আমাদের সবাইকে নিতে হবে। অনেকে এমন আছেন, যারা বলেছিলেন সেদিন রাহুলদা এমনি সমুদ্রে নেমে গিয়েছিলেন আবার তারাও দেখছি মিছিলে হেঁটেছেন। কিন্তু এভাবে হবে না। আমাদের সবাইকে দায় নিতে হবে অন্তত রাহুলদার পরিবারের জন্য।’
E-Paper











