Rubel-Sweta: বিয়ের বয়স সবে ১ বছর! রণজয়-শ্যামৌপ্তির বিয়েতে কেন আলাদা আলাদা গেলেন রুবেল-শ্বেতা?
২০২৫ সালে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন রুবেল ও শ্বেতা। টলিপাড়ার মোস্ট হট অ্যান্ড হ্যাপেনিং কাপল তাঁরা। কেন রণজয়-শ্যামৌপ্তির বিয়েতে পৌঁছলেন আলাদা আলাদা?
সদ্যই বিয়ে করেছেন রুবেল দাস ও শ্বেতা ভট্টাচার্য। ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে গাঁটছড়া বাঁধেন তাঁরা। বিয়ের বয়স সদ্য ১ হয়েছে। যদিও বহুদিন ধরে প্রেম ছিল দুই তারকার। সেই যমুনা ঢাকি-র সময় থেকে। আপাতত চুটিয়ে সংসার করছেন। কিন্তু শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইন্স ডে-র দিন আলাদা আলাদা পৌঁছলেন রণজয় বিষ্ণু ও শ্যামৌপ্তি মুদলির বিয়ে খেতে। কিন্তু কেন?

আসলে মেগার শ্যুট ছিল রুবেলের। সেখান থেকেই তৈরি হয়ে সোজা চলে এসেছিলেন বিয়ের ভেন্যুতে। আর বাড়ি থেকে সোজাসুজি এসেছেন শ্বেতা। তবে পোশাকে রং মিলান্তি করতে ভালোননি। দুজনকেই দেখা গেল কালো পোশাকে।
কালোর উপর মাল্টি কালারের সুতো ও জরির কাজ করা ব্লাউজ পরেছিলেন শ্বেতা, সঙ্গে কালো শাড়ি। মাথায় খোঁপা করে বেঁধেছিলেন গোলাপ। সাংবাদিকদের মুখোুখি হয়ে জানালেন, ‘ও তো শ্যুটিং করে এল। আর আমি বাড়ি থেকে। তাই আমাদের গাড়ি আলাদা-আলাদা। কোনো সেলিব্রেশনই হয়নি (ভ্যালেন্টাইন্স ডে-র)। তবে গিফট আদান-প্রদান আগেই হয়ে গিয়েছে। ও আমাকে এই আংটিটা দিয়েছে (হাতের আঙুল দেখিয়ে), আর আমি ওকে কানের দিয়েছি।’ বিয়েবাড়িতে রুবেল পরে এসেছিলেন কালো রঙের পাজামা-পঞ্জাবি আর জ্যাকেট।

এদিকে ভ্যালেন্টাইন্স ডে-র সকালে সোশ্যাল মিডিয়ায় বরের জন্য ভালোবাসা-মাখা বার্তা ভাগ করে নেন শ্বেতা। লেখেন, ‘আজও, আমি তোমার জন্য একই রকম উত্তেজনা অনুভব করি। যখন আমি তোমায় প্রথম পছন্দ করেছিলাম, সেই সময় যেমন অনুভূতি আমার হয়েছিল, আজও সেই একই অনুভূতি আমার মধ্যে বর্তমান। আজও আমার হৃদয় তোমার কাছে লজ্জা পায়, তুমি কাছে এলে আমার হৃদস্পন্দন দ্রুত হয়ে যায়, আজও অকারণে তোমার কথা চিন্তা করি, তোমার কথা ভেবে এমনি এমনি হাসি। আমি আজও তোমার ওপর ক্রাশ খাই, শুধু এইটুকুই আমার জীবনকে আরো সুন্দর করে তোলে। শুভ ভালোবাসা দিবস বর।’
যমুনা ঢাকি-র সময় প্রেম হয়। এরপর বেশ কিছু বছর একেবারে মাখোমাখো প্রেম করেন রুবেল ও শ্বেতা। তারপর ২০২৫-এ বিয়ে। কাজের সূত্রে, শ্বেতাকে শেষ দেখা গিয়েছে কোন গোপনে মন ভেসেছে ধারাবাহিকে, সেখানে তাঁর হিরো ছিলেন রণজয়ই। এখনও নতুন কোনো কাজ নেই হাতে। আর রুবেলকে দেখা যাচ্ছে, তুই আমার হিরো ধারাবাহিকে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper











