Rupankar-Chitali: ‘স্বামী-স্ত্রী অনেক বছর একসঙ্গে থাকলে ভাই-বোন হয়ে যায়’, কেন এই ভাবনা রূপঙ্কর-পত্নীর?
রূপঙ্কর বাগচী এবং তাঁর স্ত্রী চৈতালী লাহিড়ীর রসায়ন বরাবরই টলিপাড়ার এক আলাদা আকর্ষণের জায়গা। সম্প্রতি চৈতালীর একটি মজার ফেসবুক পোস্ট ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় হাসির রোল উঠেছে। রূপঙ্করের সঙ্গে নিজের চেহারার তুলনা টেনে চৈতালী
প্রবাদ আছে, দীর্ঘকাল একসঙ্গে থাকলে নাকি স্বামী-স্ত্রীর চেহারাতেও মিল আসতে শুরু করে। কিন্তু সেই মিল যদি এতটাও প্রকট হয় যে বাইরের লোক ভুল করতে শুরু করেন, তবে বিপদ! সম্প্রতি ঠিক এই অভিজ্ঞতার কথাই মজার ছলে ভাগ করে নিলেন গায়ক রূপঙ্কর বাগচীর স্ত্রী চৈতালী লাহিড়ী। এক যুগেরও বেশি সময়ের দাম্পত্যের পর চৈতালীর উপলব্ধি— তিনি কি তবে রূপঙ্করের যমজ বোন হয়ে গেলেন?
‘স্বামী-স্ত্রী অনেক বছর একসঙ্গে থাকলে ভাই-বোন হয়ে যায়’, কেন এই ভাবনা রূপঙ্কর-পত্নীর?
ঠিক কী লিখেছেন চৈতালী? সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি পোস্ট করে চৈতালী লিখেছেন, সম্প্রতি কেউ একজন তাঁকে দেখে বলেছেন যে তাঁকে নাকি হুবহু রূপঙ্করের মতো দেখতে! ব্যাস, এই কথা শুনেই চৈতালীর মাথায় খেলে গিয়েছে বাঙালির সেই চিরন্তন রসিকতা— স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে অনেক বছর থাকলে নাকি ভাই-বোন হয়ে যায়।' রূপঙ্করের সঙ্গে তাঁর দাম্পত্য়ের বয়স ২৭ বছর। তাই চৈতালীর প্রশ্ন, তবে সেই ‘ভাই-বোন’ তত্ত্ব তাঁদের জন্যও প্রযোজ্য?
গায়ক-পত্নীর পোস্টে মন্তব্যের বন্য়া। জয়তী চক্রবর্তী লেখেন, ‘তুমি কারুর মতোন নয়, তুমি তোমার মতোন’। রূপঙ্কর নিজে লেখেন, ‘এটা জাস্ট….’। বাক্য় শেষ করেননি গায়ক, জল্পনা জিইয়ে রেখেছেন। অনুরাগীদের কেউ লিখেছেন, চেহারার মিল থাকা মানেই আপনারা মেড ফর ইচ আদার। আবার কেউ মজা করে লিখেছেন, রূপঙ্কর দা-র চশমাটা পরে নিলে তো আরও এক লাগবে! ভক্তদের মতে, গায়কের স্ত্রী হওয়ার পাশাপাশি চৈতালীর সেন্স অফ হিউমারও কিন্তু জবরদস্ত।
রূপঙ্কর এবং চৈতালীর এই সফর কিন্তু মোটেও সহজ ছিল না। যখন রূপঙ্কর স্ট্রাগল করছেন, তখন থেকেই চৈতালী তাঁর ছায়াসঙ্গী। স্রেফ ভালোবাসার টানে তাঁরা একে অপরের হাত ধরেছিলেন। নান্দিপঠ দলে নাটক করতে গিয়ে দুজনের আলাপ হয় সেখানেই। শুরুতে বন্ধুত্ব, তারপর প্রেম। মিথ্য়ের আশ্রয় নিয়ে হয়েছিল বিয়ে সুসম্পন্ন। চৈতালির বাড়িতে অনেকে জানতেন রূপঙ্কর রেলে চাকরি করেন।
দীর্ঘ দাম্পত্য়ের বড় অংশ জুড়ে রয়েছে তাঁদের মেয়ে মহুল। রূপঙ্কর-চৈতালির দত্তক কন্য়া। ইস্মার্ট জোড়ির মঞ্চে চৈতালি জানিয়েছিলেন, মহুল তাঁর হৃদয় থেকে জন্মেছে। রূপঙ্করের কেরিয়ারের চড়াই-উতরাই থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক নানা বিতর্ক— সব ক্ষেত্রেই চৈতালী ছিলেন তাঁর সবথেকে বড় শক্তির উৎস।
স্বামী-স্ত্রীর চেহারা একই রকম হয়ে যাওয়া নিয়ে বিজ্ঞানের কোনো ব্যাখ্যা থাক বা না থাক, চৈতালীর এই ‘ভাই-বোন’ তত্ত্ব এবং নিজেদের খ্যাপানো কিন্তু প্রমাণ করে দিল— রূপঙ্কর-চৈতালীর সম্পর্কের রসদ আজও একদম তাজা!
News/Entertainment/Rupankar-Chitali: ‘স্বামী-স্ত্রী অনেক বছর একসঙ্গে থাকলে ভাই-বোন হয়ে যায়’, কেন এই ভাবনা রূপঙ্কর-পত্নীর?