সারা-র নিতম্বে ক্যামেরা ফোকাস পাপারাৎজিদের! বুঝেই এগিয়ে এসে কী করলেন সচিন?

মহিলাদের পশ্চাৎদেশে জুম করা-র কারণে হামেশাই নিন্দার মুখে পড়তে হয় পাপারাৎজিদের। বলা বাহুল্য অর্জুন তেন্ডুলকরের বিয়েতেও এরকম পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। যাতে বাধা দেন স্বয়ং সচিন। 

Mar 9, 2026, 14:02:54 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

পাপারাৎজিদের হামেশাই দেখা যায়, তারকাদের পিছন থেকে ফোটো বা ভিডিয়ো তুলতে। এমনকী, মহিলাদের পশ্চাৎদেশে জুম করা-র কারণে হামেশাই নিন্দার মুখে পড়তে হয়। বহু তারকা এই নিয়ে নিষেধ করলেও কাজের কাজ হয়নি। এমনকী, সচিন-পুত্র অর্জুন তেন্ডুলকরের বিয়েতেও এমনই পরিস্থিতি তৈরি হয়। আর যা বুঝতে পেরেই ‘না’ করেন সচিন।

ছেলের বিয়েতে সপরিবারে সচিন। (PTI)
ছেলের বিয়েতে সপরিবারে সচিন। (PTI)

সারা-সচিনের ভাইরাল ভিডিয়ো

সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিয়ো ভাইরাল। যা অর্জুন তন্ডুলকরের বিয়ের পরের। গোটা পরিবার একসঙ্গে মিডিয়ার সামনে এসে পোজ দিচ্ছিলেন। এসেছিলেন সারা তেন্ডুকরও। দেখা যায়, সারা যখন ছবি তুলে ফিরে যাচ্ছেন, তখনও ক্যামেরা বন্ধ করেনি পাপারাৎজিরা। আর বিষয়টা চোখে পড়তে মাঝে আসেন সচিন খোদ। ক্যামেরার সামনে এসে হাত জোর করে নমষ্কার করেন, অর্থাৎ বেশ ভদ্রভাবেই বোঝান ক্যামেরা বন্ধ করতে।

আর সচিন-সারার এই ভিডিয়ো জয় করে নিয়েছে নেটপাড়ার মন। একজন লেখেন, ‘বাবারা সবসময়ই এরকম’! আরেকজন লেখে, ‘মিষ্টি লাগছে সারাকে। এমনিতেই মেয়েটা কী সুন্দর দেখতে।’ তৃতীয়জনের মন্তব্য, ‘সচিন স্যার বুঝতেই পেরেছিল এরা সারা-র পিছনের ভিডিয়ো তুলে, গেস হু লিখে পোস্ট করবে।’ আরেকজন লেখেন, ‘এরা আর শুধরোবে না’। একটি কমেন্টে এমনও লেখা হয়, ‘সারাকে পুরো ডল পুতুলের মতো দেখতে লাগছে, চোখ ফেরাতেই পারছি না’!

কী করছেন সারা এখন?

১৯৯৭ সালের ১২ অক্টোবর মুম্বইতে জন্ম সারা-র। মুম্বইয়ের ধীরুভাই আম্বানি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল থেকে প্রাথমিক শিক্ষালাভ সারার এবং পরে ইউনিভার্সিটি কলেজ অফ লন্ডন থেকে ক্লিনিক্যাল ও পাবলিক হেলথ নিউট্রিশনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। মা ডাক্তার, বাবা ক্রিকেটার। সারা যদিও দুজনের কারও জুতোতেই পা না গলিয়ে, জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার এবং মডেল। 'পিলেটেস একাডেমি'র সঙ্গে জোট বেঁধে ফিটনেস উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ শুরু করেছেন। অস্ট্রেলিয়ার পর্যটনের জন্যও প্রচার করেছেন তিনি। ই-গেমসেও নিজের টিম কিনেছেন।

অর্জুন তেন্ডুলকরের বিয়ে

বিয়েতে বর, অর্থাৎ অর্জুন তেন্ডুলকর পরেছিলেন লাল শেরওয়ানি। যাতে সুতো ও জরির সূক্ষ্ম কাজ। আর কনে সানিয়া পরেছিলেন একটি গাঢ় লাল রঙের ভারি কাজের শাড়ি। ২০২৫ সালের আগস্ট মাসে বাগদান হয়েছিল অর্জুন ও সানিয়ার।

অর্জুনের দীর্ঘদিনের বন্ধু সানিয়া চন্দক। প্রেমটা অনেকদিন ধরে হলেও, ব্যক্তিগত জীবন গোপনীয়তার আড়ালেই রেখেছিলেন সানিয়া-অর্জুন। আর অবশেষে বাধা পড়লেন সাত পাকে, মুম্বইয়েরই এক বিলাসবহুল হোটেলে। বলিউড ও ক্রিকেট জগতের বহু তারকারা এসেছিলেন অতিথি হয়ে। এসেছিল আম্বানি পরিবারও।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More