হিন্দু অমৃতার কারণে সারা-ইব্রাহিম ‘মুসলিম ধর্ম’ সম্পর্কেই জানবে না! ভয় পেতেন সইফ
সইফ আলি খান এবং তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী অমৃতা সিংয়ের বিবাহবিচ্ছেদ ইন্ডাস্ট্রির সবচেয়ে আলোচিত ডিভোর্সের মধ্যে অন্যতম। সম্প্রতি সইফের একটি পুরনো সাক্ষাৎকার ফের আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
বলিউড অভিনেতা সইফ আলি খানের পুরনো একটি সাক্ষাৎকার সোশ্যাল মিডিয়ায় খুব ভাইরাল হচ্ছে। এই সাক্ষাৎকারে সইফ জানান যে, যখন তাঁর সঙ্গে অমৃতা সিংয়ের বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছিল, তখন তিনি খুব টেনশনে ছিলেন। ভয় পেয়েছিল যে, তাঁর দুই সন্তান সারা ও ইব্রাহিম তাঁদের শিকড় থেকে, ইসলাম থেকে দূরে সরে যেতে পারে।

সইফের ভয় কী ছিল?
প্রসঙ্গত অমৃতা সিংয়ের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর, বহুবছর দুই ছেলেমেয়ের থেকে দূরে ছিলেন সইফ। সেই সময় সারা-ইব্রাহিমের সঙ্গে নাকি তাঁকে দেখাও করতে দেওয়া হত না। বলেছিলেন, তাঁর ভয় ছিল তাঁর শিশুরা তাঁর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারে। শুধু তাই নয়, ছোটে নবাব এক সাক্ষাৎকারে এমনও বলেছিলেন যে, অমৃতা ও তাঁর পরিবারের সন্তানদের ওপর অনেক প্রভাব ছিল। এই কারণে, তিনি অনুভব করেছিলেন যে সারা এবং ইব্রাহিম সম্ভবত পতৌদি পরিবার, নবাবি সংস্কৃতি এবং ইসলামের ঐতহ্য সম্পর্কে কোনোদিন জানতেই পারবে না।
সইফ অবশ্য স্পষ্ট করেছিলেন যে, তিনি কখনোই চাননি যে তাঁর সন্তানরা কেবল ইসলাম ধর্মের ব্যাপারে জানুক। বরং, চেয়েছিলেনতাঁর সন্তানদের এমনভাবে বড় করা হোক যাতে অভয় ধর্ম ও সংস্কৃতির বোঝাপড়া তাঁদের থাকে।
তবে বর্তমান পরিস্থিতির দিকে তাকালে দেখা যাবে যে, সইফ-অমৃতার কন্যা সারা উভয় ধর্মের প্রতিই নিজের আস্থা ও ভরসা রাখেন। তাঁকে যেমন মসজিদ-দরগায় দেখা যায়, তেমনই হিন্দু মন্দিরেও। বেশ কয়েকবার পায়ে হেঁটে কেদারনাথও গিয়েছেন।
সইফ ও অমৃতার বিয়ে ও ডিভোর্স:
১৯৯১ সালে অমৃতা সিং ও সইফ আলি খান বিয়ে করেন, তখন তা ছিল অন্যতম চর্চিত বিষয়। কারণ অৃতার থেকে বয়সে অনেকটা ছোট ছিলেন সইফ। ১২ বছরের বয়সের পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও প্রথমদিকে বেশ মসৃণই ছিল তাঁদের বৈবাহিক জীবন। এরপর ব্যক্তিগত মতবিরোধ, পারস্পরিক বিশ্বাসহীনতা এবং সইফের কেরিয়ারের গাড়ি সেভাবে না চলার ফলে ফাটল ধরে। ২০০৪ সালে আইনিভাবে আলাদা হন তাঁরা। বিচ্ছেদের পর অমৃতা তাঁদের দুই সন্তান সারা ও ইব্রাহিমকে বড় করেন এবং সইফ বছরকয়েক পরে বিয়ে করেন করিনা কাপুরকে।
E-Paper











