অসুস্থ সেলিম, হাসপাতালে ২ বউ! সালমাকে ডিভোর্স না দিয়ে হেলেনকে বিয়ে, কীভাবে পরিস্থিতি সামলান সলমনের বাবা

সালমাকে প্রথম বিয়ে করেন সেলিম খান, সালটা ১৯৬৪। প্রথম স্ত্রীকে ডিভোর্স না দিয়েই ১৯৮১ সালে হেলেনকে বিয়ে করেন সেলিম খান। খুব স্বাভাবিকভাবেই জটিল হয় পরিস্থিতি। কীভাবে সামলেছিলেন সলমনের বাবা সবটা?

Feb 17, 2026, 18:53:30 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

সলমন খানের বাবা, বলিউডের খ্যাতনাা চিত্রনাট্যকর সেলিম খানকে মুম্বইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছেন। তাঁর কী হয়েছে এখনও জানা যায়নি। তবে ইতিমধ্য়েই হাসপাতালে হাজির হয়েছে গোটা পরিবার। এমনকী, সেলিম খানের অসুস্থতায় ছুটে এসেছেন তাঁর দুই স্ত্রী সালমা খান ও হেলেনও।

বাবার সঙ্গে সলমন খান।
বাবার সঙ্গে সলমন খান।

সেলিম খানের ২ বিয়ে:

হিন্দু মেয়ে সুশীলা চরককে প্রথম বিয়ে করেন সেলিম খান, সালটা ১৯৬৪। বিয়ের পর নাম বদলে হয় সালমা। এই বিয়ে থেকে তাঁদের ৪ সন্তানও হয়, সলমন খান, আরবাজ খান, সোহেল খান ও আলভিরা খান। সব ঠিকঠাকই ছিল, কিন্তু আচমকাই সেলিমের জীবনে এন্ট্রি হেলেনের। প্রথম স্ত্রীকে ডিভোর্স না দিয়েই ১৯৮১ সালে হেলেনকে বিয়ে করেন সেলিম খান। শোনা যায়, শুরুতে সালমা খান এই সম্পর্ক মেনে নিতে পারেননি। এমনকী, সন্তানরাও বাবার এহেন সিদ্ধান্তে আঘাত পেয়েছিলেন। কোনো সন্তান নেননি সালমা ও হেলেন। এখন দুই স্ত্রীকে নিয়েই একত্রবাস সেলিমের। বর্তমানে খান পরিবারকে বলিউডের অন্যতম ঐক্যবদ্ধ পরিবার হিসেবে দেখা হয়।

আরও পড়ুন: ছেলে আদি অন্ত প্রাণ! ৩৯৪টি ইঞ্জেকশন, আইভিএফ, সন্তান গর্ভে পেতে কম কষ্ট পাননি সুদীপা

ছেলে আরবাজের টক শো-তে এসে সেই কঠিন পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছিলেন সেলিম। ছেলের সামনে অকপটেই তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছিল, ‘আমি হেলেন বা তোমাদের মা কাওকেই ছাড়তে চাইনি। প্রথমে দরকার ছিল সালমার হেলেনকে মেনে নেওয়া। তাহলেই ধীরে ধীরে বাচ্চারাও মেনে নেবে। তারপর তো সবাই একসঙ্গে মিলেমিশে থাকা শুরু করলাম।’ শোনা যায়, সেই সময় বছরদুইয়ের জন্য বাচ্চাদের হোস্টেলেও পাঠিয়ে দিয়েছিলেন সেলিম। যাতে পারিবারিক ঝামেলায় বাচ্চাদের লেখাপড়ার কোনো ক্ষতি না হয়।

আরও পড়ুন: বুধবার থেকে নতুন সময়ে জি বাংলা-স্টার জলসার একাধিক মেগা! এক নজরে দেখে নিন তালিকা

সেলিম খানের হেলথ আপডেট:

জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকালে সেলিম খানকে তাঁর পারিবারিক চিকিৎসক লীলাবতী হাসপাতালে নিয়ে আসেন। জরুরি চিকিৎসা শুরু করা হয়, পরে সেলিম খানকে আইসিইউতে স্থানান্তরিত করা হয়। চিকিৎসক জানিয়েছেন, পরিবারের অনুরোধে বাকি বিবরণ এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না। পরিবারের সদস্যদের সম্মতিতে বুধবার বেলা ১১টা নাগাদ প্রেস বুলেটিন জারি করা হবে। সলমন খানের বাবার অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল।