'অস্কারের থেকেও দামী...', ‘মেঘে ঢাকা তারা’ দেখে কারা ফোন করেছিলেন শাশ্বতকে?

২০১৩ সালে মুক্তি পেয়েছিল মেঘে ঢাকা তারা। এই সিনেমায় নীলকান্ত বাগচীর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়। অভিনয় করেছিলেন অনন্যা চট্টোপাধ্যায়, আবির চট্টোপাধ্যায়, রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায় সহ আরও অনেকে।

Feb 25, 2026, 12:31:48 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

২০১৩ সালে মুক্তি পেয়েছিল ‘মেঘে ঢাকা তারা’। এই সিনেমায় নীলকান্ত বাগচীর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়। অভিনয় করেছিলেন অনন্যা চট্টোপাধ্যায়, আবির চট্টোপাধ্যায়, রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায় সহ আরও অনেকে।

‘মেঘে ঢাকা তারা’ দেখে কারা ফোন করেছিলেন শাশ্বতকে?
‘মেঘে ঢাকা তারা’ দেখে কারা ফোন করেছিলেন শাশ্বতকে?

এই সিনেমায় অনবদ্য অভিনয় করার জন্য দর্শকদের থেকে প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়। যদিও তিনি এই সিনেমার জন্য কোনও পুরস্কারে পুরস্কৃত হননি তবেই ছবিটি মুক্তি পাওয়ার পর অভিনেতার কাছে এসেছিল এমন তিন ব্যক্তির ফোন যা শাশ্বতর কাছে কোনও বড় পুরস্কারের থেকে কম ছিল না।

আরও পড়ুন: মায়ের ইচ্ছায় স্বপ্নপূরণ, বোনপোকে কোলে বসিয়ে ‘মাসি ভাত’ খাওয়ালেন দেবচন্দ্রিমা

কারা ফোন করেছিলেন শাশ্বতকে?

সম্প্রতি সঙ্গীত বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের সবথেকে পছন্দের সিনেমার কথা বলতে গিয়ে শাশ্বত বলেন, ‘আমি মেঘে ঢাকা তারা ছবিটির জন্য কোনও পুরস্কার পাইনি কিন্তু তিনটা ফোন পেয়েছিলাম। যে তিনটে ফোন আমার কাছে অস্কারের থেকেও কম কিছু ছিল না। প্রথম ফোন পাই নির্মল জেঠু অর্থাৎ অভিনেতা নির্মল কুমারের থেকে।’

শাশ্বত বলেন, ‘তখন আমার ল্যান্ডলাইন ছিল। ফোন তুলতেই ওপার থেকে কাঁপা কাঁপা গলায় একজন বললেন, আমি কি অপুর সঙ্গে কথা বলতে পারি?' আমি বললাম, ‘বলছি। এরপর নির্মল জেঠু নিজের পরিচয় দিয়ে যেভাবে অপু বলে ডেকে উঠলেন আর মেঘে ঢাকা তারা ছবিটি নিয়ে ও চরিত্রগুলিকে নিয়ে কথা বললেন তাতে মনে হল উনি ছবিটার সঙ্গে মিশেছেন। এটাই আমার কাছে বেস্ট পুরস্কার।'

অভিনেতা বলেন, ‘পরের ফোনটা এসেছিল মাধবী মুখোপাধ্যায়ের থেকে। উনি আমায় ফোন করে বললেন, কী করেছিস তুই জানিস না। আমার ভালো লেগেছে তার মানে তুই জানিস? আমি বললাম, হ্যাঁ আমি জানি।’

আরও পড়ুন: ১৭ বছর পর অবশেষে! শিবপ্রসাদের ছবিতে থাকবেন জয় সরকার, কোন কথা রাখলেন পরিচালক?

সবশেষে শাশ্বত বলেন, ‘তৃতীয় ফোন পেয়েছিলাম শ্রদ্ধেয় মানিক জেঠু অর্থাৎ সত্যজিৎ রায়ের ফটোগ্রাফার মানিক ঘোষের থেকে। তিনি আমায় ফোন করে বলেন, আমি কি শাশ্বত বাবুর সঙ্গে কথা বলছি? আমি বললাম, হ্যাঁ বলুন।’ তখন উনি বললেন ‘আমি নিমাই ঘোষ আমি মানিকদার... এই কথা শুনেই আমি বললাম, হ্যাঁ বলুন, আপনি আমাকে আপনি বলবেন না। উনি বললেন, আমি মেঘে ঢাকা তারা দেখেছি আমি দুদিন চিন্তা করেছি ছবিটা নিয়ে। এই ফোনগুলো আমার কাছে কোনও পুরস্কারের থেকে কম কিছু ছিল না।’