Soumitrisha Birthday-Sayak: ‘তোর MLA/MP হওয়ার স্বপ্ন…’! সৌমিতৃষার জন্মদিনে পোস্ট সায়কের, কতটা মিস করেন বন্ধুকে
মিঠাই নায়িকা সৌমিতৃষা কুণ্ডুর জন্মদিনে আবেগঘন পোস্ট ভাগ করে নিলেন বন্ধু সায়ক চক্রবর্তী সোশ্যাল মিডিয়াতে। যদিও শেয়ার করার পর তা মুছেও ফেলেন। তবে ততক্ষণে তা ভাইরাল।
একসময় ছিল সায়ক চক্রবর্তী ও সৌমিতৃষা কুণ্ডুর গলায় গলায় ভাব। হামেশাই ভ্লগ বনাতেন তাঁরা একসঙ্গে। এমনকী, একে-অপররের বাড়িতেও ছিল অবাধ আনাগোনা। তবে আচমকাই শে বন্ধুত্বে চিড় ধরে। এমনকী, সোশ্যাল মিডিয়ায় সায়ককে আনফলোও করে দেন সৌমিতৃষা। সম্প্রতি যখন বিফ-বিতর্কে সায়রের নাম জড়ায়, সরাসরি জানিয়েছিলেন প্রতিবাদ। তবে দেখা গেল, এখনো সায়ক ‘মিস করেন’ সৌমিতৃষার সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব। তাই তো নায়িকার জন্মদিনে আবেগঘন পোস্ট ভাগ করে নিলেন সোশ্যাল মিডিয়াতে। যদিও শেয়ার করার পর তা মুছেও ফেলেন। তবে ততক্ষণে তা ভাইরাল।

সৌমিতৃষার জন্মদিনে সায়কের পোস্ট:
সায়ক সৌমিতৃষার নাম না নিয়েই লেখেন, ‘মানুষ বদলায়, সম্পর্কের সমীকরণ বদলায় কিন্তু স্মৃতি গুলো থেকে যায়...’! সঙ্গে বন্ধুর জন্য তাঁর বার্তা, ‘একসাথে সাইকেল শেখানো, একসাথে লোকের বাড়ির ছাদে উঠে তার প্রথম পোস্টার দেখতে যাওয়া, ইনস্টাগ্রাম ফেসবুক একাউন্ট ভেরিফাইড করে দেওয়া, উইকিপিডিয়া পেজ তৈরি করে দেওয়া, যখনই ওর মন খারাপ হত ডেকে পাঠানো, আর আমার সব ছেড়ে ছুটে যাওয়া… কি করে যে ভুলি… শুভ জন্মদিন বন্ধু! অনেক নাম করো, অনেক কাজ করো আর তোর MLA/MP হওয়ার স্বপ্ন তাড়াতাড়ি পূরণ হোক’
কিন্তু কিছুক্ষণ পরই মুছে ফেললেন সায়ক! এমনিতেই বিতর্কে জর্জরিত অভিনেতা-ভ্লগার। বিফ-কাণ্ডের পর থেকে ফেসবুকে ভিডিয়ো পোস্ট করাও বন্ধ রেখেছেন।
সৌমিতৃষা-সায়ক
সৌমিতৃষার সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝির কী কারণ, তা নিয়ে কখনোই মুখ খোলেননি। যদিও পার্কস্ট্রিটের রেস্তোরাঁয় বিফ-বিতর্কে সায়ক জড়ানোর পর পাশে দাঁড়াননি সৌমিতৃষা। উলটে কালরাত্রি পরিচালক অয়ন চক্রবর্তী ফেসবুক পোস্টে মন্তব্য করতে গিয়ে পালটা ক্ষোভ উগড়ে দেন। লেখেন, ‘যখন কনটেন্টের রিচ এবং এনগেজমেন্ট বেড়ে যায়, তখন টাকাও আসে। আগে ওরা আমার মতো বা যাঁদের ভিডিও ভাইরাল হয় তাঁদের ব্যবহার করে অনেক টাকা কামিয়েছে। এখন রিচ পড়ে যাচ্ছে দেখে এইসব করতে শুরু করেছে।’
সায়কের বিফ-বিতর্ক:
দুই বন্ধু অনন্যা ও সুকান্তকে নিয়ে পার্কস্ট্রিটের রেস্তোরাঁয় খেতে গিয়েছিলেন। সায়কের অভিযোগ ছিল, তিনি মটন স্টেক অর্ডার করার পরেও, তাঁকে বিফ স্টেক দেওয়া হয়। এবং তিনি তা খেয়েও ফেলেন। এরপর ভিডিয়ো বানিয়ে তা পোস্ট করেন সায়ক। দেখা যায় যে, সেই ওয়েটারের ধর্মীয় পরিচয় টেনেও তাঁকে বিঁধতে থাকেন বারংবার। এরপর সায়ক সেই ওয়েটারের নামে এফআইআর দায়ের করলে, গ্রেপ্তার করা হয় ওই ব্যক্তিকে। তবে দেখা যায়, নেটিজেনদের বেশিরভাগই চলে যায় সায়কের বিপক্ষে। এমনকী টলিপাড়াও। এরপর পালটা সায়কের নামে এফআইআর হয় ‘ধর্মীয় ভেদাভেদ তৈরি করে দাঙ্গা পরিস্থিতি’ তৈরি করার অভিযোগে। তারপর থেকে নিজেকে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সরিয়েই নিয়েছেন তিনি।
E-Paper











