রাজ-সিমরনের রি-ইউনিয়ন লন্ডনে! DDLJ-র ৩০ বছর,ব্রোঞ্জ মূর্তির উন্মোচনে শাহরুখ-কাজল

রাজ-সিরমন শুধু একটা কাল্পনিক জুটি নয়, রাজ-সিমরন হিন্দি সিনেপ্রেমীদের কাছে একটা আবেগ, একটা স্বপ্ন। ডিডিএলজের ৩০ বছর পূর্তি, লন্ডনে রাজ-সিমরনের ব্রোঞ্জ মূর্তির উদ্বোধন করলেন শাহরুখ-কাজল।

Published on: Dec 04, 2025 10:53 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে ভালোবাসতে শিখিয়েছে একটা গোটা প্রজন্মকে। রাজ-সিমরন ভালোবাসার পাঠ দিয়েছে নব্বইয়ের দশকে বেড়ে ওঠা আসমুদ্রহিমাচলকে। তবে এই জুটির গ্রহণযোগ্যতা আরব সাগর পেরিয়ে টেমসের তীর পর্যন্ত। তাই তো ছবির ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে সুদূর লন্ডনে উন্মোচিত হল রাজ-সিমরনের ব্রোঞ্জের মূর্তি। যা উন্মোচন করতে রানির দেশে পৌঁছেছিলেন খোদ রাজ আর সিমরন।

রাজ-সিমরনের রি-ইউনিয়ন লন্ডনে! DDLJ-র ৩০ বছর,ব্রোঞ্জ মূর্তির উন্মোচনে শাহরুখ-কাজল (AP)
রাজ-সিমরনের রি-ইউনিয়ন লন্ডনে! DDLJ-র ৩০ বছর,ব্রোঞ্জ মূর্তির উন্মোচনে শাহরুখ-কাজল (AP)

লন্ডনের লেস্টার স্কোয়ারে এই মূর্তিটি উন্মোচন করা হয়। শাহরুখ এবং কাজল একসাথে ব্রোঞ্জের মূর্তি উদ্বোধনে হাজির হয়েছিলেন। শাহরুখ-কাজল এদিন ডিডিএলজের সিগনেচার পোজ রিক্রিয়েট করলেন। শাহরুখকে একটি কালো স্যুটে ড্যাপার দেখাচ্ছিল এবং কাজল সুবজাভ নীল শাড়িতে ঝলমল করলেন। কেন তাঁরা বলিউডের সবচেয়ে চর্চিত রোম্যান্টিক জুটি, তার প্রমাণ ফের দিলেন দুজনে।

আদিত্য চোপড়া পরিচালিত 'দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে' ছবিটি চলচ্চিত্রপ্রেমীদের হৃদয়ে অমর হয়ে রয়েছে। মুম্বইয়ের বিখ্যাত মারাঠা মন্দিরে এই ছবির একটি শো দেখার জন্য দর্শকরা এখনও টিকিট উইন্ডোতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন, এটাই শাহরুখ-কাজল ম্যাজিক। ১৯৯৫ সালের ২০ অক্টোবর এই ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল।

এক বিবৃতিতে শাহরুখ খান বলেন,'মনেই হয় না যে 'দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে' মুক্তি পাওয়ার পরে ৩০ বছর পার হয়ে গেছে। মনে হচ্ছে এটি গতকাল ঘটেছে কারণ 'বড়ে বড়ে দেশোঁ মে ঐসি ছোটি ছোটি বাতেতে হোতি রেহতি হ্যায় সেনোরিটা...' তবে এটি এখনও অবিশ্বাস্য মনে হয়। রাজের চরিত্রে অভিনয় করার জন্য সারা বিশ্বের মানুষের কাছ থেকে আমি যে ভালোবাসা পেয়েছি তার জন্য আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ - চলচ্চিত্রটি বিশ্বজুড়ে মানুষের হৃদয়ে যে ধরণের জায়গা তৈরি করেছে তা কেউ অনুমান করতে পারে না এবং আমি সেই মুহুর্তটি কখনও ভুলব না। ছবিটি দেখুন এবং প্রেমে পড়ে যান'।

কাজলের কথায়, 'আমার কাছে সিমরান এমন একটি অধ্যায় যা শেষ হতে অস্বীকার করে। তিনি এই দেশের লক্ষ লক্ষ মেয়েদের প্রতিনিধিত্ব করেন - মেয়েরা তাদের বাবা-মা যা বলে তা করতে চায়, যারা এক হাতে ঐতিহ্য বহন করে কিন্তু অন্য হাতে স্বাধীনতার খোলা আকাশ চায়। এ কারণেই সিমরনকে এখনও মানুষ ভালোবাসে। যখনই কেউ বলেন, 'জা সিমরন, জা', এটি এই বিশ্বাসকে বোঝায় যে সাহস এবং ভালোবাসা একসাথে থাকতে পারে, বাঁচতে পারে'।