গতমাসে আচমকাই শমীক অধিকারীর গ্রেফতারির খবর শুনে চমকে ওঠে গোটা নেটপাড়া। জনপ্রিয় এই ইনফ্লুয়েন্সারের বিরুদ্ধে প্রেমিকাকে যৌন হেনস্থার অভিযোগ ওঠে। শুধু তাই নয়, শমীকের বিরুদ্ধে রুজু করা হয় ধর্ষণের মামলা। প্রায় এক মাস জেলে থাকার পর অবশেষে জামিন পেলেন শমীক।
গতমাসে আচমকাই শমীক অধিকারীর গ্রেফতারির খবর শুনে চমকে ওঠে গোটা নেটপাড়া। জনপ্রিয় এই ইনফ্লুয়েন্সারের বিরুদ্ধে প্রেমিকাকে যৌন হেনস্থার অভিযোগ ওঠে। শুধু তাই নয়, শমীকের বিরুদ্ধে রুজু করা হয় ধর্ষণের মামলা। প্রায় এক মাস জেলে থাকার পর অবশেষে জামিন পেলেন শমীক।
তরুণী নির্যাতন মামলায় জামিন পেলেন ‘ননসেন’ শমীক
কী ঘটেছিল
নির্যাতিতা ছিলেন শমীকের বন্ধু তথা প্রেমিকা। প্রেমিকার অভিযোগ অনুযায়ী, বাড়ি শিফটিং করার অজুহাতে তাকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে এসেছিলেন শমীক। এরপর আচমকাই শুরু হয়ে যায় সমস্যা। হাতাহাতি এবং ধস্তাধস্তির পর ওই তরুণীর মোবাইল কেড়ে নেয় শমীক।
শুধু তাই নয়, বলপূর্বক সারারাত ফ্ল্যাটে আটকে রাখা হয় ওই তরুণীকে। সমানে চলতে থাকে শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতন। প্রথমে এই গোটা ঘটনাটি শমীক অস্বীকার করলেও তার বাবা-মা দুজনেই স্বীকার করেন, রাগের মাথায় মারধর করে তাদের ছেলে।
ওই তরুণীর বয়ান অনুযায়ী, প্রথমে বাবা মা আটকাতে আসেন তাদের ছেলেকে। কিন্তু যখন শমীক আত্মহত্যার হুমকি দেয় তখন তারাও ভয় পেয়ে যান। ছেলের ভয়ংকর রূপ দেখে আর এগোতে সাহস পাননি তারা। এরপর সারারাত ধরে ওই তরুণীর ওপর চলে অকথ্য অত্যাচার।
এরপরেই শমীক অধিকারের বিরুদ্ধে ন্যায় সঙ্গীতার ১২৭ (২), ১১৫ (২), ৩৫১ (২) ধারায় মামলার রুজু করা হয়। জেলে থাকাকালীন যতবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছিলেন শমীক, ততবার তিনি খালি একটা কথাই বলেছিলেন যে তাঁকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসিয়ে দেয়া হয়েছে, তিনি কোনও অপরাধ করেননি।
কিছুদিন আগেও যখন তিনি সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হন, তখনও মায়ের উদ্দেশ্যে একটা কথাই বলেছিলেন, ‘নিজেকে শক্ত রাখো। আমি ফিরে আসবো।’ অবশেষে ১২ মার্চ জামিন পেলেন তিনি। তবে তিনি নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার জন্য এবার কী কী করবেন, সেটাই এখন দেখার।