Shreya Ghoshal-Indian Idol: জেতেন মানসী, ইন্ডিয়ান আইডল ট্রফি হাতছাড়া হয় তাঁর! শ্রেয়ার কণ্ঠে তাও স্নেহা শঙ্করেরই তারিফ
ইন্ডিয়ান আইডল সিজন ১৫-র ফাইনালিস্ট ছিলেন স্নেহা শঙ্কর। যদিও জিততে পারেননি তিনি। তৃতীয় স্থান অর্জন করেন। বাজিমাত করেছিল বাংলার মেয়ে মানসী ঘোষ।
বিগত তিন বছর ধরে ইন্ডিয়ান আইডলের বিচারক আসনে দেখা যাচ্ছে শ্রেয়া ঘোষালকে। সম্প্রতি এক পডকাস্টে হাজির হয়েছিলেন বাঙালি কন্যে। যেখানে তাঁকে রিয়েলিটি শো নিয়ে প্রশ্ন করা হলে, শ্রেয়া একবাক্যে মেনে নেন যে, তিনি উপভোগ করেন ইন্ডিয়ান আইডলের বিচারক আসনে বসা। শুধু তাই নয়, শ্রেয়া জানান, তিনি এতটাই ডুবে যান যে, কখনো হাসেন, কখনো চোখ দিয়ে বেরিয়ে আসে জল! আর এর কোনোটাই দেখনদারি নয়।

এমনকী, শ্রেয়া সিজন ১৫-র ফাইনালিস্ট স্নেহা শঙ্করের নামও নেন। বলেন, ‘আমি ইন্ডিয়ান আইডল করি, কারণ আমার ভালো লাগে। একটা মেয়ে ছিল স্নেহা শঙ্কর। গত সিজনে ও যখন গান গাইত, আমি গোটা দিন ওর গানের জন্য অপেক্ষা করে থাকতাম। সেই সন্ধের দিকে ওর গান গাওয়ার পালা আসত। পরিশ্রান্ত হয়ে পড়ত। ঘুরে ফিরে যখনই সময় পেত দেখতাম ও রেওয়াজ করে চলেছে, লাইন মনে করছে। হয়তো পাইচারি করছে, কিন্তু শুনতে পেতাম রেওয়াজ চলছে। ওকে দেখে আমার ছোটবেলার কথা মনে পড়ত। আর যখন ও স্টেজে আসত, আমার গায়ে কাঁটা দিত। কী সুন্দর গাইছে, কী সুন্দর গানের গলা, কী সুন্দর সুর লাগছে। সুর যখনই কারও ঠিক করে লাগে, আমার মনে হয় যেন কোনো কম্পন অনুভব করছি। আমার নিজের গান শুনে অতটা আনন্দ লাগে না, যতটা অন্যের গান শুনে লাগে।’
আরও পড়ুন: মুখে বুলি ফুটল অহনা-দীপঙ্কর কন্যার, মা-বাবা না, পরিবারের কোন সদস্যর নাম নিল মীরা
শ্রেয়া আরও বলেন, ‘এই কারণেই আমার ইন্ডিয়ান আইডল করা। আমাকে অনেকেই জিজ্ঞাসা করে, ৩ বছর ধরে করো, তুমি কি উপভোগ করো? সত্যিকারের ট্যালেন্ট আছে? অবশ্যই আছে, না হলে আমি অতক্ষণ ধরে বসে থাকতে পারতাম না। এই যে আমি কখনো হাসছি, কখনো কাঁদছি, সবটাই ভীষণভাবে সত্যি।’
আরও পড়ুন: জিৎ-এর কাঁধে চেপে বসছে রোনভ! দোল খেলার ফোটো দিলেন মোহনা, কত বড় হল মেয়ে নবন্যা?
প্রসঙ্গত, প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী রাম শঙ্করের কন্যা তিনি। শঙ্কর-শম্ভু জুটির বিখ্যাত সুফি গায়ক শঙ্করের নাতনি। সিজনের ফাইনালে এসে স্নেহাকে টি সিরিজের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ করেছিলেন স্বয়ং ভূষণ কুমার। অনেকেই ভেবেছিলেন ইন্ডিয়ান আইডলের ১৫ নম্বর সিজন জিতে নেবে স্নেহাই। তবে শেষে এসে বাজিমাত করেন বাঙালি কন্যে মানসী ঘোষ। তৃতীয় স্থানে আসেন স্নেহা।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper











