Ranojoy-Shyamoupti Wedding Menu: গন্ধরাজ ভেটকি টু মাটন কষা,রাবড়ি! রণজয়-শ্যামৌপ্তির বিয়ের মেনুতে ভরপুর বাঙালিয়ানা

বিয়ের রীতিনীতি আর সাজগোজের পাশাপাশি রণজয়-শ্যামৌপ্তির বিয়ের ভোজের আয়োজনও ছিল একেবারে রাজকীয় এবং খাঁটি বাঙালি। মেনু কার্ডে রণজয়ের প্রিয় পদের পাশাপাশি ছিল জিভে জল আনা হরেক রকম আয়োজন।

Feb 15, 2026, 09:31:08 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বিয়ে মানেই কেবল সাতপাক বা মালাবদল নয়, বাঙালির বিয়ে মানেই পাতে পড়বে গরম ভাত আর মনকাড়া সব পদ। রণজয় বিষ্ণু এবং শ্যামৌপ্তি মুদলির বিয়েতেও তার ব্যতিক্রম হলো না। প্রেমদিবসে রাজকীয় বিয়ে সারলেন গুড্ডি জুটি। সনাতন নিয়ম মেনে বিয়ের পর নিমন্ত্রিতদের জন্য ছিল জিভে জল আনা এক এলাহি ভোজের আয়োজন। বিয়ের আসরে হাজির খোদ ইন্ডাস্ট্রি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। পৌঁছেছিলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, লীনা গঙ্গোপাধ্যায়রাও। দেখা মিলল শ্বেতা-রুবেল, আদৃত-কৌশাম্বি-সহ টেলিপাড়ার একঝাঁক তারকার।

গন্ধরাজ ভেটকি টু মাটন কষা,রাবড়ি! রণজয়-শ্যামৌপ্তির বিয়ের মেনুতে ভরপুর বাঙালিয়ানা
গন্ধরাজ ভেটকি টু মাটন কষা,রাবড়ি! রণজয়-শ্যামৌপ্তির বিয়ের মেনুতে ভরপুর বাঙালিয়ানা

আরও পড়ুন-‘তুলে নিয়ে যাব…,’ মণ্ডপেই শ্যামৌপ্তিকে চ্যাংদোলা, সিঁদুর পরিয়ে চুমু রণজয়ের! রূপকথার বিয়ে সারল গুড্ডি জুটি

রণজয়ের পছন্দের পদ মেনুতে:

বিয়ের ভোজের শুরুতেই ছিল সাবেকিয়ানা। অতিথিদের জন্য পুরোদস্তুর বাঙালি মেনু সাজিয়েছিলেন নবম্পতি। মেনুতে ছিল ধোঁয়া ওঠা ভাত, ডাল এবং সবজি দিয়ে তৈরি সুস্বাদু শুক্তো। তবে খাবারের পাতে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু ছিল রণজয়ের নিজস্ব পছন্দ। অভিনেতা বেগুনভাজা খেতে অত্যন্ত ভালোবাসেন, তাই বরের বিশেষ পছন্দকে সম্মান জানিয়ে মেনুতে রাখা হয়েছিল মুচমুচে বেগুনভাজা সহ আরও হরেক রকমের ভাজা।

মাছ ও মাংসের রসনা তৃপ্তি:

বাঙালির উৎসবে মাছ থাকবে না, তা কি হয়? মাছের পদে ছিল সরষে-লঙ্কার ঝালে মাখা মাখো পাবদার ঝাল। পাতে ছিল গন্ধরাজ ভেটকি। আর আমিষের প্রধান আকর্ষণ হিসেবে ছিল কড়া করে কষানো মাটন কষা। মশলাদার মাংস আর লুচি-ভাতের যুগলবন্দী বিয়ের আড্ডাকে আরও জমিয়ে তুলেছিল।

মিষ্টিমুখ ও ডেজার্ট:

খাওয়ার শেষে মিষ্টিমুখেও ছিল চমক। সাবেকি বাঙালি স্বাদের মাখা সন্দেশ আর ঘন ক্ষীরের রাবড়ি— এই দুই ডেজার্টে মজেছিলেন অতিথিরা। সব মিলিয়ে রণজয়-শ্যামৌপ্তির বিয়ের মেনু যেমন ছিল স্বাস্থ্যকর, তেমনই সুস্বাদু।

আদুরে মুহূর্ত ও নতুন জীবন:

এর আগে রণজয়কে দেখা গিয়েছিল শ্যামৌপ্তিকে চ্যাংদোলা করে মণ্ডপে তুলতে। লাল বেনারসি আর সাদা পাঞ্জাবির সেই জুটির রসায়ন যেমন মন কেড়েছে, তেমনই তাঁদের এই ঘরোয়া অথচ রাজকীয় ভোজের গল্প এখন টলিপাড়ার মুখে মুখে।

খাস কামাখ্যার পুরোহিতের আশীর্বাদ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে এই এলাহি ভোজের মাধ্যমেই শুরু হলো ‘রণ-শ্যাম’-এর নতুন পথচলা। আদুরে চুমু আর আজন্মের প্রতিশ্রুতি:

বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে সবার সামনেই নতুন বউ শ্যামৌপ্তির কপালে একটি আলতো এবং আদুরে চুমু আঁকলেন রণজয়। এই একটি ছবিই বুঝিয়ে দিল, আগামী জীবনের সমস্ত চড়াই-উতরাইতে তিনি শ্যামৌপ্তিকে এভাবেই আগলে রাখবেন। কামাখ্যার পুরোহিতের মন্ত্রোচ্চারণে চার হাত এক হলো তাঁদের।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছার বন্যা:

রণজয়-শ্যামৌপ্তির এই ‘ভিক্টরি’ পোজ ইতিমধ্যেই ভাইরাল। অনুরাগী থেকে শুরু করে টলিপাড়ার সহকর্মীরা— সবাই এই নবদম্পতিকে একরাশ ভালোবাসা ও শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দিয়েছেন। ‘গুড্ডি’ আর ‘রণজয়’কে বাস্তবে ঘর বাঁধতে দেখে উচ্ছ্বসিত সাধারণ দর্শকও।