এতদিন রাখেন লুকিয়ে! রণজয়কে বিয়ের পরই বিশেষ মানুষের সঙ্গে আলাপ করালেন শ্যামৌপ্তি
১৪ ফেব্রুযারি বিয়ে। এখনো হয়নি হানিমুনটাই। এরই মাঝে বিশেষ মানুষটার সঙ্গে পরিচয় করালেন ছোট পর্দার ‘গুড্ডি’।
চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন রণজয় ভট্টাচার্য ও শ্যামৌপ্তি মুদলি। একই দিনে হয়েছিল বিয়ে ও রিসেপশন। টলিউডের অনেক তারকাই সামিল হয়েছিল দম্পতির এই বিশেষ দিনে। বিয়ের পর কাজের চাপে এখনও হানিমুনটা হয়নি। তবে এরই মাঝে জীবনের বিশেষ মানুষটার সঙ্গে পরিচয় করালেন ‘গুড্ডি’।

সেই বিশেষ মানুষটি আর কেউ নন, শ্যামৌপ্তির বাবা। বাবার জন্মদিনে আদুরে কন্যা অভিনেত্রী। একগুচ্ছ ছবি দিয়েছেন। প্রথমটিতে দেখা গেল, বাবার হাত থেকে কেক খাচ্ছেন শ্যামৌপ্তি। পরের ছবিতে সেলফি তুলেছেন রণজয়, সঙ্গে বউ আর শ্বশুরমশাই। অভিনেত্রীর পরিবারের সদস্যদেরও দেখা গেল। একটি ছবিতে শ্বশুরের হাত থেকে কেক খাচ্ছেন রণজয়।
আরও পড়ুন: এখন কেমন আছেন সলমন খানের বাবা? সেলিমের স্বাস্থ্য নিয়ে আপডেট দিলেন বন্ধু জাভেদ
আর ছবিগুলি শেয়ার করে শ্যামৌপ্তি লিখলেন, ‘কোনোদিন কোনো পোস্ট করিনি তোমাকে নিয়ে, কারণটা অবশ্য তোমার জানা। ব্যক্তিগত মুহূর্তগুলো আমি ক্যামেরার থেকেও চোখে ক্যাপচার করতে বেশি ভালোবাসি, তাই অধিকাংশ সময় মাথাতেই থাকে না যে ছবি তুলতে হবে।’
শ্যামৌপ্তি আরও লেখেন, ‘আজ হঠাৎ করেই মনে হল এবার জন্মদিনে তোমার আর আমাদের কিছু মুহূর্ত ক্যাপচার করবই, সেটা করেও ফেললাম, অবশ্য আমার কর্তা😜 @rano_joy22 উদ্যোগ না নিলে সম্ভব হত না। শুভ জন্মদিন ‘পাপা’।শুধু এই একটা দিন নয়, যেন প্রতিটা দিনই তোমার এই হাসি অটুট থাকে।’
আরও পড়ুন: ইন্ডিয়ান আইডল কি পুরোপুরি স্ক্রিপ্টেড? বিতর্ক নিয়ে অবশেষে নীরবতা ভাঙলেন শ্রেয়া
বিয়ের আগে এক পডকাস্টে শ্যামৌপ্তি জানিয়েছিলেন যে, তাঁর মা প্রথমদিকে একেবারে পছন্দ করতেন না রণজয়কে। তবে এখন জামাই অন্ত প্রাণ। গুড্ডি ধারাবাহিকে একসঙ্গে কাজ করেছিলেন দুজন। সেখান থেকেই তুমুল জনপ্রিয়তা পায় রণজয় আর শ্যামৌপ্তির জুটি। যদিও দুজনের প্রেমটা হয় অনেক পরে, বলা ভালো ধারাবাহিক শেষ হওয়ার পরে। গুড্ডির পর, রণজয়কে দেখা গিয়েছে কোন গোপনে মন ভেসেছে ধারাবাহিকে। উইন্ডোজের প্রযোজনায় 'ফুলপিসি ও এবংওয়ার্ড' ছবিতে এরপর দেখা যাবে শ্যামৌপ্তিকে।
খবর আছে, 'তোমাদের রাণী' খ্যাত অভিকা মালাকারের সঙ্গে জুটি বাঁধছেন রণজয়। তাঁদের নতুন মেগার লুক সেট নাকি হয়ে গিয়েছে। খুব তাড়াতাড়িই প্রোমো শুটিং হবে। আর হাতে এই এত্ত কাজের চাপ থাকার জন্যই দম্পতি হানিমুনে যেতে পারেননি এখনো।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper











