কলকাতা পুলিশের ‘খারাপ ইশারা’! রেগে আগুন শিলাজিৎ প্রতিবাদে চড়ালেন স্বর, কী ঘটল?
শুক্রবার ঘটে এই কাণ্ড। সেখানে উপস্থিত মানুষের দাবি ‘খারাপ ভাবে ইশারা’ করা হয় শিলাজিৎ মজুমদারকে। আর এই অপমান মানতে পারেননি গায়ক, প্রতিবাদে ফেটে পড়েছেন মঞ্চ থেকেই।
মঞ্চে গাইতে এসে হামেশাই শ্রোতাদের সঙ্গে ঝামেলায় জড়ান গায়করা। সেই তালিকায় ইমন চক্রবর্তী থেকে নচিকেতা, রূপম ইসলাম অনেকেই রয়েছেন। তবে এবার শিলাজিৎ মজুমদার ঝামেলায় জড়ালেন খোদ কলকাতা পুলিশের অফিসারের সঙ্গে। দাবি ‘খারাপ ভাবে ইশারা’ করা হয় তাঁকে। আর এই অপমান মানতে পারেননি গায়ক, প্রতিবাদে ফেটে পড়েছেন মঞ্চ থেকেই।

পুলিশের ইশারায় বিরক্ত শিলাজিৎ
শুক্রবার সেন্ট্রাল পার্ক বইমেলা প্রাঙ্গনে শো করতে গিয়েছিলেন শিলাজিৎ মজুমদার। সেখানেই ঘটেছে এই কাণ্ড। নেটপাড়ায় ভাইরাল হয়েছে গোটা ঘটনার ভিডিয়ো। আসলে ঘড়ির কাঁটা ১১টা ছুঁতেই শিলাজিৎকে মঞ্চ থেকে নেমে যেতে বলেন সেই পুলিশ। তবে যেভাবে হাত নেড়ে ইশারা করেন, সেটা ‘নোংরা’ লাগে গায়কের।
পুলিশের উদ্দেশে শিলাজিৎকে বলতে শোনা যায়, ‘আপনি আমাকে এভাবে অসম্মান করতে পারেন না। এর থেকে অনেক বেশি আওয়াজ রোজ চারদিকে সহ্য করছেন।আমাকে তো অর্গানাইজাররা বলেছিল রাত ১১টা অবধি পারমিশন নেওয়া হয়েছিল।’
পুলিশকে কড়া জবাব শিলাজিতের
এরপর শিলাজিৎ সামনে থাকা দর্শক-শ্রোতাদের থেকে জানতে চান কটা বাজে। সামনে থাকা সকলেই জানানযে, সবে ১১টা বেজেছে। এতে শিলাজিৎ ফের বলে ওঠেন, ‘আপনি আমাকে ভালো করে বলুন যে ১১টা বেজে গিয়েছে, আমি গান গাওয়া থামিয়ে দেব। তবে এভাবে (অনুকরণ করে দেখান শিলাজিৎ) হাত নেড়ে ইশার করে নামিয়ে দেবেন না। ৩২ বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গে গান গাইছি আমি, আপনি না-ই চিনতে পারেন। কিন্তু এখানে আসা সকলেই চেনেন আমাকে।’
‘পাঁচটা মিনিট গান গাইলে কতগুলো লোক আনন্দ পায়। এতে আপনাদের এত ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে? সামনে ইলেকশন দেখব, যখন রাজনৈতিক দলগুলো ফাঁকি মারবে। দেখব তখন কী করেন আপনারা।’, আরও বলেন শিলাজিৎ। দেখা যায় শিলাজিৎ যখন রীতিমতো পুলিশ অফিসারের ক্লাস নিচ্ছেন, তখন গায়কের পক্ষেই আগত আমজনতা।
গায়কের পক্ষ নিয়ে সুর চড়াল নেটপাড়া
ভিডিয়োটি ছড়িয়ে পড়তেই ফের নিন্দার ঝড়া। বলা বাহুল্য পুলিশের উপর ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন অধিকাংশই। একজন লেখেন, ‘হাত পেতে টাকা নেবে, রাজনৈতিক নেতাদের চাটবে, শিল্পী আর সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসভ্যতা করবে। এই তো পুলিশ আমাদের রাজ্যের।’ আরেকজন লেখেন, ‘এরা বিবেক বিলিয়ে দিয়েছে দাদা অনেকদিন আগেই। এদের শিরদাঁড়াটাও বিক্রি হয়ে গিয়েছে।’ অন্য কমেন্টটি, ‘শিলুদা এরা অমানুষ। এরা এরকমই। রোজ মানুষকে শুষে নিচ্ছে নিজেদের নোংরা মানসিকতা দিয়ে’।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper











