বাংলা টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রির অতি পরিচিত নাম সৌমিলি ঘোষ বিশ্বাস। বাংলা ছবিতেও কাজ করেছেন। অভিনেত্রী হওয়ার পাশাপাশি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নৃত্যশিল্পী সৌমিলি। বর্তমানে জি বাংলার এক নম্বর মেগা পরিণীতা-তে দেখা যাচ্ছে সৌমিলিকে। রায়ানের পিসিমণি অর্থাৎ পারুলের পিসিশাশুড়ির ভূমিকায় দর্শক মনে দাগ কেটেছেন সৌমিলি।
পরিণীতার গল্পে খুকির জীবনে নতুন রঙ লাগতে চলেছে, এমনই ট্র্যাক আসছে গল্পে। সেই আভাস দর্শক আগেই পেয়েছে। কিন্তু সৌমিলির জীবনের সব রঙ যাকে ঘিরে সেই মানুষটাকে চেনেন? পেশায় ব্যাঙ্ককর্মী অয়ন ঘোষকে ২০১২ সালে বিয়ে করেন অভিনেত্রী। তারপর থেকেই সুখী গৃহকোণ দুজনের। দেখতে দেখতে ১৩ বছর পার করে ফেললেন দাম্পত্য জীবনের।
নিজের বিয়ের বর্ষপূর্তিতে বরের সঙ্গে কাটানো কিছু মিষ্টি মুহূর্তের ছবি শেয়ার করে নেন সৌমিলি। কোনওটায় বরের কাঁধে মাথা রেখে গা এলিয়ে দিয়েছেন,কোনওটায় আবার মুগ্ধ হয়ে পরস্পরকে তাকিয়ে দেখছেন। অভিনেত্রী আবেগঘন পোস্টে লেখেন, ‘লোকে বলে ভালোবাসা অন্ধ,কিন্তু আমার মনে হয় তুমি আমার খামতি গুলো দেখতে পাও না। শুভ বিবাহবার্ষিকী, ১৩ বছর একসঙ্গে পার’।
সৌমিলি-অর্ণবকে বিয়ের জন্মদিনের শুভেচ্ছায় মুড়ে দেন অনুরাগীরা। শুভাকাঙ্খীদের পালটা ধন্য়বাদ জানিয়েছেন সৌমিলি। বছর খানেক আগে আচমকাই সৌমিলির ডিভোর্সের গুঞ্জন মাথাচাড়া দিয়েছিল। সবটাই ঘটেছিল সুজয় প্রসাদ চট্টোপাধ্য়ায়ের একটি পোস্টকে ঘিরে। সোশ্যাল মিডিয়ায় হঠাৎ করেই বাচিক শিল্পী সুজয় প্রসাদ চট্টোপাধ্যায় লিখেছিলেন, সৌমিলি নাকি বিয়ে করতে চলেছেন নৃত্যিশিল্পী অর্ণব বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে, সংসার ভাঙছে নায়িকার। এরপর পালটা ক্ষোভ উগরে দেন নায়িকা। এমন ভুয়ো ও ভিত্তিহীন রটনার জন্য়।
সুজয় প্রসাদ পড়ে পালটি খেয়ে জানান, তিনি নাকি ইয়ার্কি করে সবটা বলেছেন। সৌমিলি অবশ্য স্পষ্ট জানান, তাঁর স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির লোকজন এইসব নিয়ে মাথাঘামান না।