Adrit-Soumitrisha: মিঠাই-এর পর ফের মুখোমুখি আদৃত-সৌমিতৃষা! প্রসেনজিতের পার্টিতে হল কি দুজনের কথা, নাকি গেলেন এড়িয়ে?
মিঠাই শেষ হওয়ার পর, প্রসেনজিতের পদ্মশ্রী-পার্টিতে মুখোমুখি হয়েছিলেন আদৃত রায় ও সৌমিতৃষা কুণ্ডু। কোনো কথা কি হল, নাকি দেখেও এড়িয়ে গেলেন একে-অপরকে।
একসময় টিআরপি চার্টে আলোড়ন ফেলে দিয়েছিল জি বাংলার মিঠাই সিরিয়াল। আর সেই ধারাবাহিকের দুই তারকা আদৃত রায় ও সৌমিতৃষা কুণ্ডুকে নিয়ে মাতামাতিও ছিল দেখার মতো। তবে এই দুই তারকার মধ্যেই শেষের দিকে সম্পর্ক পৌঁছেছিল তলানিতে। এমনকী, শট দেওয়া ছাড়া কথাও বলতেন না। তবে মিঠাই শেষ হওয়ার পর, প্রসেনজিতের পদ্মশ্রী-পার্টিতে আবার হয়েছিলেন মুখোমুখি। তা কথা কি হল, নাকি একে-অপরকে গেলেন এড়িয়ে?

খবর, মুখোমুখিই আসেননি আদৃত আর সৌমিতৃষা। একজন ডান দিকে, তো আরেকজন বাম দিকে। কথা বলার প্রশ্নই আসে না! এমনিতে পুরনো ধারাবাহিকের তারকারা একসঙ্গে কাজ করা মানেই, হয় চুটিয়ে গল্প। তবে এক্ষেত্রে অবশ্য হয়নি তেমনটা।
আরও পড়ুন: বিফ-কাণ্ড অতীত! সোশ্যাল মিডিয়ায় ফিরলেন সায়ক, নেই কোনো কথা, কীসের ছবি দিলেন?
শোনা যায়, মিঠাই ধারাবাহিকে কাজ করার সময় নাকি আদৃতকে পছন্দ করতেন সৌমিতৃষা। নায়কের দিক থেকেও প্রথমে ছিল ভালোলাগা। তবে পরে, ধারাবাহিকের সহ-অভিনেত্রী কৌশাম্বিকে মন দিয়ে বসেন আদৃত। তাঁদের সেই ভালোবাসা থেকেই নাকি দূরত্ব আসা শুরু। এরপর আচমকাই রাষ্ট্র হয়ে যায় আদৃত-কৌশাম্বির প্রেমের খবর। আর নেটপাড়ায় প্রবল ট্রোলের মুখে পড়তে হয় কৌশাম্বিকে। মিঠাই-ভক্তরা রীতিমতো আক্রমণ করতে থাকেন সেইসময়।
আরও পড়ুন: লোপামুদ্রার জন্মদিনে সস্ত্রীক অরিজিৎ! খাওয়ান পায়েস, ফুল উপহার কোয়েলের, মিষ্টি মুহূর্ত ভাইরাল
সব মিলিয়ে বেশ জটিল ছিল পরিস্থিতি। অবশ্য এসবই অতীত। গঙ্গা দিয়ে জল গড়িয়েছে অনেকদূর। এখন বিবাহিত আদৃত-কৌশাম্বি। সেই বিয়ের বয়সও বছর দেড়ক। আদৃতের বিয়েতে গোটা মিঠাই টিম আমন্ত্রণ পেলেও, ডাক আসেনি সৌমিতৃষার কাছে।
তবে পুরনোতে আটকে নেই নায়িকাও। সৌমিতৃষা ছোট পর্দার গণ্ডি পেরিয়ে বড় পর্দা, সিরিজে একের পর এক কাজ করে চলেছেন। দেবের বিপরীতে প্রধান সিনেমাতে নায়িকা হয়েছেন, সৌরভ দাসের সঙ্গে কাজ করেছেন ১০ই জুন নামের একটি সিনেমাতেও। হইচইয়ের ওয়েব সিরিজ কালরাত্রি-র দুটো সিজনেও তিনিই নামভূমিকায়। যা বেশ প্রশংসা পেয়েছে দর্শকদের থেকে। কিন্তু প্রশ্ন হল, এভাবে দেখা হয়েও, কথা না বলা কি, ভিতরে থাকা কোনো অভিমানের কারণেই! নাকি চাননি অবাঞ্ছিত কোনো পরিস্থিতির উদয় হোক?
E-Paper











