পরিবারে বিয়ের সানাই! মেয়ের জন্য কেমন পাত্র চান সৌরভ? বিয়েবাড়িতে সানার সাজ কেমন?
বাবা বিশ্ববিখ্যাত ক্রিকেটার, মা স্বনামধন্যা নৃত্যশিল্পী। তবে সানা নিজেকে প্রচারের আলো থেকে দূর রাখতেই ভালোবাসেন। সম্প্রতি এক পারিবারিক বিয়ের অনুষ্ঠানে বাবা-মা'র সঙ্গে পোজ দিলেন সানা।
বিয়ের মরসুমে খুশির আমেজ সৌরভের বৃহত্তর পরিবারে। সম্প্রতি এক পারিবারিক বিয়ের আসরে একফ্রেমে পাওয়া গেল সৌরভ-ডোনাকে! নবদম্পতি শ্রীলদিত্য বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বর্ষার শুভ পরিণয়ে হাজির হয়েছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়। বিয়ের আসরে বরের পাশের সৌরভের উপস্থিতি যেন পুরো অনুষ্ঠানটির জৌলুস বাড়িয়ে দিয়েছিল কয়েক গুণ। হাজির ছিলেন সানাও। তুতো দাদার বিয়ে বলে কথা!

সাজের বাহার:
বিয়ের অনুষ্ঠানে সৌরভকে দেখা গেল নেভি ব্লু ব্লেজার এবং কালো শার্টে, তাঁর সেই চিরকালীন মার্জিত লুকে। অন্যদিকে, ডোনা গঙ্গোপাধ্যায় বেছে নিয়েছিলেন একটি চেক নকশার সাদা-কালো শাড়ি। কনে বর্ষা সেজেছিলেন টকটকে লাল বেনারসিতে, আর বরের পরনে ছিল ঘিয়ে রঙের জমকালো শেরওয়ানি। সানা বেছে নিলেন লাল রঙা সালোয়ার কামিজ। পরিবারের এই মিলনমেলায় সানার হাসিমুখ বলে দিচ্ছিল বিয়েতে ফার্স্ট কাজিনের বিয়েতে তিনি কতটা আনন্দিত। সানা হাজির থাকলেও গাঙ্গুলি পরিবারের অপর কন্য়ে কর্মসূত্রে মার্কিন মুলুকে আটকে। ভিডিয়ো কলেই পারিবারিক বিয়ের অনুষ্ঠানের সাক্ষী থাকলেন স্নেহাশিস কন্য়া স্নেহা।

সানা ও মেয়ের পাত্র নিয়ে সৌরভের ভাবনা:
লন্ডনে চাকরিরতা সানা। মেয়ে বড় হচ্ছে, তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে, মেয়ের জন্য কেমন পাত্র পছন্দ মহারাজের? আগে এক সাক্ষাৎকারে সৌরভ মজা করে জানিয়েছিলেন, ‘এখন কী ভাবব, সানা অনেক ছোট।’ সানার বিয়ে নিয়ে কোনও ভাবনা নেই সৌরভের। হবু জামাইয়ের মধ্যেও বিশেষ কোনও গুণ চান না সৌরভ, তবে ভালো মনের মানুষ হতে হবে।

একবার যেমন অভিনেত্রী পায়েল সরকার দাদাগিরিতে এসে সৌরভের কাছে প্রশ্ন রেখেছিলেন, ‘ধরো সানা এসে বলল, আমি এই ছেলেটাকে ভালোবাসি, তোমার দুনিয়া একেবারে উপর-নীচ হয়ে যাবে নিশ্চয়ই?’ আর এতে সানার বাবা অর্থাৎ সৌরভের জবাব ছিল, ‘একদমই না। অনেক প্রশ্ন করব ঠিকই। দুনিয়া উপর-নীচ হবে না।’
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper











