'আমার দারুণ লাগে…', নায়িকা হয়েও আইটেম নম্বরে পারফর্ম করা প্রসঙ্গে যা বললেন শ্রাবন্তী
বড়পর্দার অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু নায়িকা হিসেবে তাঁর কেরিয়ার গ্রাফ এত ভালো হাওয়ার সত্ত্বেও আইটেম ডান্স নম্বরে ঘন ঘন কেন দেখা যাচ্ছে তাঁকে? এবার এই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন নায়িকা।
বড়পর্দার অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। অনেক ছোট বয়সে শিশুশিল্পী হিসেবে তিনি তাঁর কেরিয়ার শুরু করেছিলেন। তারপর একসময় নায়িকা হয়ে ধরা দেন। একের পর এক হিট ছবি উপহার দেন দর্শকদের। মূলধারার ছবির পাশাপাশি ভিন্ন ধারার ছবিতেও নায়িকা নিজেকে মেলে ধরেন। তবে কেবল অভিনয় নয়। প্রথাগত নৃত্যের শিক্ষা না থাকলেও তাঁর নাচ দর্শকদের নানা ভাবে মুগ্ধ করেছে।

আরও পড়ুন: নাতনির বন্ধুর মৃত্যুরহস্য ভেদ করতে আসছে 'ঠাকুমা' শ্রাবন্তী! ট্রেলারে চমকের ‘ঝুলি'
তবে সম্প্রতি তিনি আইটেম সং-এ ঝড় তুলেছেন। কিছুদিন আগেই 'আবার প্রলয় ২'-এ কলকাতার রসগোল্লা গানেও ধরা দিয়েছিলেন তিনি। তবে কেবল এই গানটি নয় এর আগে ‘ডাকাত পড়েছে’, অনেক বছর আগে মুক্তি পাওয়া ছবি ‘ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে…’তে ‘কোকাকোলা’ গানটিও দারুণ হিট। কিন্তু নায়িকা হিসেবে তাঁর কেরিয়ার গ্রাফ এত ভালো হাওয়ার সত্ত্বেও আইটেম ডান্স নম্বরে ঘন ঘন কেন দেখা যাচ্ছে তাঁকে? এবার এই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন নায়িকা।
আজকাল ডট ইন-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শ্রাবন্তী এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘কেন নয়? আমি মূলধারার বাণিজ্যিক ছবির একজন অভিনেত্রী। আমার দারুণ লাগে আইটেম ডান্স নম্বরে পারফর্ম করতে। কত রকমের, কত রঙিন অভিব্যক্তি ফোটানো যায় চোখেমুখে, বেশ অন্যরকম সেজে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানো যায়।’
তবে আইটেম ডান্সে পারফর্ম করার পিছনে আলাদা কোনও পরিকল্পনা নেই নায়িকার। কিন্তু তিনি বিশ্বাস করেন ক্যামেরার সামনে এলে একজন অভিনেতা বা অভিনেত্রীর সব ধরনের পারফরম্যান্স করতে পারা উচিত। তাই সব ধরনের ছবি যেমন করতে চান তিনি পাশাপাশি আইটেম ডান্স নম্বরেও নাচতে তাঁর কোনও আপত্তি নেই।
কাজের সূত্রে নায়িকাকে এর পরবর্তীতে 'ঠাকুমার ঝুলি' সিরিজে এক বৃদ্ধার চরিত্রে দেখা যাবে। সে বৃদ্ধ বয়সে এসেও বুদ্ধির জোরে করবে বাজিমাত। উন্মোচন করবে এক খুনের রহস্য।
সিরিজে শ্রাবন্তীর চরিত্রের নাম ‘গিরিজাবালা দেবী’। বিষ্ণুপুরের বাসিন্দা এই বৃদ্ধা অল্প বয়সে স্বামীকে হারিয়েছেন। পেয়েছেন ছেলে হারানোর শোকও। একাকিত্বের সঙ্গী বলতে রয়েছে হরি, বেলা ও ফন্টে।
তবে জীবনে যেমন পরিস্থিতি তিনি দেখুন না কেন, তিনি অত্যন্ত সংযত এবং বিচক্ষণ একজন মহিলা। তবে বৃদ্ধার জীবন তখন অন্য মোড় নয় যখন নাতনি যাজ্ঞসেনী দেশে ফিরে আসে। বান্ধবীর বিয়েতে যোগ দেওয়ার জন্যই তার দেখে ফিরে আসা কিন্তু বিয়ের দিন হঠাৎ করেই বান্ধবীর মৃত্যুতে সবকিছু ওলটপালট হয়ে যায়।
তবে শুধু বিয়ে বাড়িতে সব কিছু ওলট-পালট হয়ে যায় তা নয়, নতুন মোড় নেয় গিরিজাবালা দেবীর জীবনও। নাতনির বান্ধবীর মৃত্যুর কিনারা করতে তিনি শুরু করেন গোয়েন্দাগিরি। অতঃপর কি হয় তা জানা যাবে সিরিজ মুক্তি পেলে।
E-Paper











