Kanchan-Sreemoyee: ‘অন্যের সংসার ভাঙলে, একটা বাচ্চা আছে…’! পিঙ্কির সঙ্গে কাঞ্চনের বিচ্ছেদ, মেয়েকেই দায়ি করেন শ্রীময়ীর মা
এক সাক্ষাৎকারে শ্রীময়ীকে বলতে শোনা গেল যে, শুরুর দিকে তাঁকে ভুল বুঝেছিলেন নিজের মা-ও। এমনকী, কাঞ্চনের সঙ্গে সম্পর্কে মত ছিল না পরিবারেরও।
২০২৪ সালের শুরুতেই আইনি বিয়ে করে সকলকে চমকে দিয়েছিলেন কাঞ্চন মল্লিক ও শ্রীময়ী চট্টোরাজ। দুজনের ২৭ বছরের বয়সের ফারাক, অভিনেতা-তৃণমূল বিধায়কের তৃতীয় স্ত্রী হওয়ায় কম কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়নি শ্রীময়ীকে। এমনকী, কাঞ্চনের দ্বিতীয় স্ত্রী পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কাঞ্চনের ডিভোর্সের কারণ হিসেবেও বড় একটা অংশ দায়ি করেছিল শ্রীময়ীকে। এমনকী, নেটপাড়ায় এখনও রোষের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে শ্রীময়ীকে বলতে শোনা গেল যে, শুরুর দিকে তাঁকে ভুল বুঝেছিলেন নিজের মা-ও। এমনকী, কাঞ্চনের সঙ্গে সম্পর্কে মত ছিল না পরিবারেরও।

কাঞ্চন Debbii UnleasHD-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘বাড়ির লোকের কাছে ওকে প্রমাণ করতে হয়েছিল, একটা ছেলেকে বিয়ে করবি, এত বড়, তিন নম্বর বউ হওয়ার জন্য?’
শ্রীময়ী জানান, ‘বাবা-মাকে রাজি করানো খুব সস্যা হয়েছিল। মা প্রথমদিকে একদম মানতে চাননি। মধ্যবিত্ত বাড়ির লোক, যা খবরে দেখছে তাই বিশ্বাস করছে। মা আমাকে বলেছিল, 'তুমি অন্যের সংসার ভাঙলে, একটা বাচ্চা আছে, একবারও ভাবলে না'! কাঞ্চনকে বলেছিল, 'তুমি একজন প্রাপ্তবয়স্ক লোক, ও নয় ভুল করল, তুমি কেন ২টো থাপ্পড় মারলে না'! মা আমাকে এটাও বলেছিল, 'এটা যদি তোর সঙ্গে হত। ভগবান কিন্তু তোকে কখনো ক্ষমা করবে না'! আমি তখন চুপ থাকতাম। কারণ যা দেখছে তাই বিশ্বাস করছে। যদি আমরা তখন প্ল্যাকার্ড লাগিয়েও ঘুরতাম, আমরা কিছু করিনি, কেউ বিশ্বাস করত না।’
শ্রীময়ী জানান যে, কাঞ্চন তাঁকে বোঝাতেন যে একদিন সব ঠান্ডা হবে। স্বাভাবিক হবে পরিস্থিতি। শ্রীময়ীর কথায়, ‘আমি ভীষণ ইমপেশেন্ট, এখন যদিও অনেক শান্ত হয়ে গেছি। সেই সময় ও আমাকে বলেছিল টাইম ইজ দ্য বেস্ট কিলর, টাইম ইজ দ্য বেস্ট হিলার। কাওকে উত্তর দেওয়ার দরকার নেই। সত্যিই সিচুয়েশন মানুষকে বদলে দিল।’
২০২১ সালে কাঞ্চন ও পিঙ্কির ঝামেলার খবর প্রথমবার সামনে আসে। শুধু তাই নয়, সেইসময় দুজনের ঝামেলা গড়ায় থানা পর্যন্ত। এমনকী, পিঙ্কির থেকেই শ্রীময়ী ও কাঞ্চনের ‘পরকীয়া’র কথা সামনে আসে। যদিও কাঞ্চন ও শ্রীময়ী সেইসময় বারংবার দাবি করেছিলেন যে, তাঁরা ভালো বন্ধু। কাঞ্চনকে নিজের মেন্টর বলতেন শ্রীময়ী। এরপর পিঙ্কির সঙ্গে কাঞ্চনের দূরত্ব বাড়ে। আলাদা হয় ছাদ। এমনকী, কাঞ্চনকে ছেলে ওশের সঙ্গেও দেখা করতে দিতেন না তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী। চলতে থাকে ডিভোর্সের মামলা।
সেই সময় সম্পর্কে সিলমোহর না দিলেও, কাঞ্চনের বাড়ির একাধিক পুজোর আয়োজন করতে দেখা যেত শ্রীময়ীকে। দুজনে মাঝেমাঝে একত্রে পার্টিতেও পৌঁছতেন। এরপর ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে পিঙ্কির সঙ্গে কাঞ্চনের ডিভোর্স হয় আইনি ভাবে। আর ফেব্রুয়ারি মাসেই রেজিস্ট্রি করে নেন কাঞ্চন ও শ্রীময়ী।












