Kanchan-Osh: ‘ছেলের ছবি এনে আমায় বলছে…’! ১ম সন্তান ওশকে কতটা ভালোবাসেন কাঞ্চন! দরাজ শ্রীময়ী

নেটপাড়ার একাংশ কাঞ্চন মল্লিককে আক্রমণ করে ‘খারাপ বাবা’ হিসেবে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই নিয়ে স্বামীর হয়ে কথা বললেন শ্রীময়ী।

Feb 16, 2026, 13:46:33 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

যখনই সোশ্যাল মিডিয়ায় শ্রীময়ী বা কৃষভির সঙ্গে ছবি শেয়ার করেন কাঞ্চন মল্লিক, সেখানে একাংশ তাঁকে আক্রমণ করে ‘খারাপ বাবা’ হিসেবে। নেটপাড়ার কটাক্ষে বারবার আসে, তাঁর দ্বিতীয় পক্ষের সন্তান ওশের নাম। দাবি করা হয়, ছেলের কোনো খোঁজই রাখেন না!

বাবা কাঞ্চনকে নিয়ে কী জানালেন শ্রীময়ী?
বাবা কাঞ্চনকে নিয়ে কী জানালেন শ্রীময়ী?

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাঁকে নিয়ে হওয়া এই কটাক্ষে মুখ খুললেন কাঞ্চন মল্লিক। সাংবাদিক শ্রবন্তীকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কাঞ্চন বললেন, ‘আমি ছেলের বাবা হিসেবেও ভালো, মেয়ের বাবা হিসেবেও ভালো’। পাশে বসে থাকা শ্রীময়ী এরপর বরের হয়ে কথা বলেন। জানান, ওশকে ঠিক কতটা মিস করেন কাঞ্চন।

শ্রীময়ী জানান, ‘কাঞ্চনের ছেলের প্রতি যা ভালোলাগা, ভালোবাসা, যেহেতু প্রথম সন্তান, ওটা সবসময় থাকবে। সেদিন ওর মেমরিতে ছেলের একটা ছবি এসেছিল, পুরো এক মুখ আমার মেয়ের মতো দেখতে। যেহেতু ও অনেকটা ছোটবেলা ওরকমই ছিল দেখতে। কাঞ্চন এসে আমাকে দেখাল। সন্তানের প্রতি ভালোবাসা বাবা কখনো ভুলে যায় না। এক না যদি সে কোনো পিশাচ হয়।’

আরও পড়ুন: বর্ডার ২ আর মরদানি ৩-এর মাঝে চিঁড়ে চ্যাপ্টা হাল ও রোমিও-র! রবিবার বক্স অফিসে কার আয় কত ছিল?

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সাল নাগাদ যখন কাঞ্চন ও পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভোর্সের মামলা চলছে, তখন অভিনেতা ও তৃণমূল বিধায়ক অভিযোগ করেছিলেন যে, তাঁকে ছেলের সঙ্গে দেখা করতে দেন না পিঙ্কি। এমনকী, নানাভাবে চেষ্টা করে ফোনে একটু কথা বলার সুযোগ পান না। এরপর ডিভোর্সের পর দেখা যায় যে, ওশের ভরণপোষণের দায়িত্ব পান পিঙ্কি। যদিও ডিভোর্সের পর, মোটা অঙ্কের খোরপোশ দেন কাঞ্চন ছেলে ও প্রাক্তন স্ত্রীকে। একাধিক রিপোর্ট অনুসারে, ৫৬ লাখ টাকা দিয়েছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন: ‘গৃহসহায়িকাদের বেশিরভাগই দাগি ও অভিজ্ঞ চোর…’, ফেসবুকে বিস্ফোরক পোস্ট পরমার! কলকাতাকে দিলেন ‘অনিরাপদ’ তকমা

যদিও পিঙ্কি একাধিক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ওশের কাছে বাবা-মা দুটোই তিনি। তাঁর সন্তান নিজেই বাবার সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ রাখতে চায় না। ১১ বছরের ছেলেই বরং মা-কে প্রতিমুহূর্তে সাহায্য করেছে সবটা সামলে ওঠার। পিঙ্কিরও ধ্যানজ্ঞান সবটাই এখন কাজ আর ছেলে। এমনকী, বাবার নতুন সংসার পাতার কথাও জানে ওশ, এগারো বছর বয়সে সে অনেকটাই পরিণত, তাই সে চায় বাবা কাঞ্চন নতুন জীবনে খুশি থাকুক।