পিসির সঙ্গে সম্পর্ক ‘আদায়-কাঁচকলায়’, এই খুদের মা-বাবা বাংলার গর্ব, চিনলেন?

বাবা মায়ের বিকল্প কেউ হয়, এই পৃথিবীতে মানুষ ভালোবাসা হয়তো অনেকের থেকেই পায় কিন্তু বাবা-মায়ের থেকে যে ভালোবাসা পাওয়া যায় তার কোনও বিকল্প কোনওদিন হয় না। আর তাই হয়তো বাবা মায়ের মৃত্যুর বহুবছর পরেও তাঁরা মনের মধ্যে থেকে যান একই ভাবে অমলিন হয়ে।

Published on: Dec 07, 2025 11:38 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বাবা মায়ের বিকল্প কেউ হয়, এই পৃথিবীতে মানুষ ভালোবাসা হয়তো অনেকের থেকেই পায় কিন্তু বাবা-মায়ের থেকে যে ভালোবাসা পাওয়া যায় তার কোনও বিকল্প কোনওদিন হয় না। আর তাই হয়তো বাবা মায়ের মৃত্যুর বহুবছর পরেও তাঁরা মনের মধ্যে থেকে যান একই ভাবে অমলিন হয়ে। বাবা এবং মেয়ের সেই ভালোবাসার একটি ছোট মুহূর্ত ফুটে উঠল সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা একটি ছবি থেকে।

এই ছোট্ট মেয়েটির পিসিও বিখ্যাত অভিনেত্রী, চিনতে পারছেন খুদেকে?
এই ছোট্ট মেয়েটির পিসিও বিখ্যাত অভিনেত্রী, চিনতে পারছেন খুদেকে?

ইদানিংকালে অনেক সেলিব্রিটিদের দেখতে পাওয়া যায় ছোটবেলার ছবি পোস্ট করতে। আসলে একটা সময় পর ছোটবেলার এই স্মৃতি রোমন্থন করতেই যেন সবথেকে ভালো লাগে। এবার তেমনই একজন পরিচিত ব্যক্তিত্বকে দেখতে পাওয়া গেল বাবার সঙ্গে তোলা ছোটবেলার একটি ছবি শেয়ার করতে।

আরও পড়ুন: 'ভীষণ মিস করি... ', তনুশ্রীর বিয়ের পরেই কি বারবার মনে পড়ছে পুরনো কথা?

ছবিটি দেখলেই আপনি আন্দাজ করতে পারবেন এই ছোট্ট মেয়েটি কে, কারণ মেয়েটির পাশে যিনি বসে রয়েছেন অর্থাৎ মেয়েটির বাবা হলেন একজন বিখ্যাত সংগীতশিল্পী এবং মিউজিসিয়ান। শুধু তাই নয় মেয়েটির মা বিখ্যাত নৃত্যশিল্পী। এমনকি এই ছোট্ট মেয়েটির পিসিও কিন্তু বিখ্যাত অভিনেত্রী তথা একজন সুপটু নৃত্যশিল্পী।

এতক্ষণে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন কার কথা বলা হচ্ছে এখানে। আসলে এই ছোট্ট মেয়েটি হলেন শ্রীনন্দা সরকার। বাবা আনন্দ সরকার একজন বিখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী ছিলেন এবং মা তনুশ্রী শঙ্কর একজন সুপটু নৃত্যশিল্পী। শ্রীনন্দার পিসি মমতাশঙ্কর পদ্মশ্রী পুরস্কার প্রাপ্ত একজন অভিনেত্রী।

শুধু এখানেই শেষ নয়, শ্রীনন্দার ঠাকুরদা উদয় শঙ্কর পৃথিবী বিখ্যাত নৃত্যশিল্পী হিসেবে পরিচিত। ঠাকুমা অমলা শঙ্কর ছিলেন সুপরিচিত নৃত্যশিল্পী। শ্রীনন্দা নিজেও একজন মডেল, অভিনেত্রী এবং নৃত্যশিল্পী। তাই বুঝতেই পারছেন এই গোটা পরিবার কতটা সমৃদ্ধ সংস্কৃতির দিক থেকে।

আরও পড়ুন: 'তোমরা সবাই ওকে বিরক্ত কর... ', দেবের ঠিকানা ফাঁস করে দেওয়ার হুমকি দিলেন জিৎ, কেন?

বাবার সঙ্গে ছবি পোস্ট করে শ্রীনন্দা লেখেন, ‘বাবার বিকল্প কেউ হয় না। তোমায় ভীষণ মিস করি বাবা।’ ১৯৯৯ সালের ২৬ মার্চ মাত্র ৫৬ বছর বয়সে মারা যান আনন্দ শঙ্কর, তখন শ্রীনন্দার বয়স নিতান্তই একেবারে কম খুব স্বাভাবিকভাবেই তাই তিনি ছোট থেকেই বড় হয়েছেন মায়ের কাছে। কিন্তু বাবার স্মৃতি যে আজও একই ভাবে অমলিন তা বোঝা গেল অভিনেত্রীর পোস্ট করা এই ছবি থেকে।