রাহুলের মৃত্যুর রমরমিয়ে চলছে ভোলে বাবা পার করেগা, ক্ষুব্ধ দর্শক! অবশেষে বড় সিদ্ধান্ত
রাহুলের মৃত্য়ুর পরও থামেনি লীনা- শৈবাল! নতুন কাস্টিং এনে শুরু হয় ভোলে বাবার নতুন সিজন। এতেই ক্ষুব্ধ দর্শক।
অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের অকাল প্রয়াণের ধাক্কা সামলে উঠতে পারেনি কেউই। গত ২৯শে মার্চের ঘটনার ক্ষত এখনও দগদগে। রাহুলের মৃত্যুর পর দু-দিন বন্ধ থাকলেও, ফের নতুন গল্প নিয়ে শুরু হয়েছে ভোলে বাবা পার করেগার নতুন সিজন। মুভিটোন স্টুডিও-তে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে চলেছে শ্যুটিং।

যার জেরে রীতিমতো ক্ষুব্ধ দর্শক ও রাহুল ভক্তরা। প্রযোজনা সংস্থা ম্যাজিক মোমেন্টসের এই সিদ্ধান্তকে অসংবেদনশীল আখ্যা দেওয়া হয়েছে। নেটপাড়ায় ভর্ৎসনার মুখে পড়েছে চ্যানেল। গত কয়েক দিনের টানাপড়েন আর অনিশ্চয়তার পর অবশেষে যবনিকা পড়ল ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকে। সূত্রের খবর প্রযোজনা সংস্থা ‘ম্যাজিক মোমেন্টস’ এবং চ্যানেল কর্তৃপক্ষের যৌথ সিদ্ধান্তে চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া হলো এই মেগা সিরিয়ালের শুটিং।
কেন এই কঠিন সিদ্ধান্ত?
রাহুলের মৃত্যুর পর কাঠগড়ায় লীনা-শৈবালের প্রযোজনা সংস্থা। সেই পরিস্থিতিতে কোনওরকম ঘোষণা ছাড়াই শুরু হয়েছিল ভোলে বাবার নতুন সিজন। সেখানে অভিনয় করছিলেন বর্ণনী চক্রবর্তী ও শ্রেয়া বসাক। হিরো হিসাবে যোগ দেওয়ার কথা আদিত্য় বক্সীর। নায়কের নির্বাচনের পরেও বন্ধ হচ্ছে এই মেগা, চর্চা এমনটাই। বিকাল ৫.৩০টার স্লটে দেখানো হচ্ছিল এই সিরিয়াল। তবে আরেক সূত্র বলছে, এই সিরিয়ালের নাম বদলে, বর্ণিনী-শ্রেয়া-আদিত্যর গল্প পর্দায় আনবে জলসা।
অভিশপ্ত শুটিং আর কর্মবিরতি
ওড়িশার সমুদ্র সৈকতে রাহুলের মৃত্যু শুধু একটি প্রাণ কেড়ে নেয়নি, প্রশ্ন তুলে দিয়েছে টলিপাড়ার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে। বর্তমানে টেকনিশিয়ানদের কর্মবিরতি চলায় স্টুডিও পাড়ার সিংহভাগ শুটিং বন্ধ। এই অস্থির পরিস্থিতির মাঝে ‘ভোলে বাবা পার করেগা’-র অকাল সমাপ্তি যেন টলিউডের জন্য এক বড়সড় ‘সেটব্যাক’।
লীনার হাত ছাড়লেন অম্বরীশ-রাজন্যা
ওদিকে রাহুলের মৃত্যুর জেরে ম্যাজিক মোমেন্টসের সব মেগা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন অম্বরীশ ভট্টাচার্য। চিরসখা এবং ভোলে বাবা পার করেগা, দুই মেগাতেই আর দেখা যাবে না তাঁকে।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper











