সাক্ষাৎ মৃত্যু থেকে রক্ষা! '১০ মিনিট আগেই…',দুবাইয়ে আতঙ্কে দিন কাটছে টলি নায়িকর
শুভশ্রী-সন্দীপ্তারা দেশে ফিরেছেন। কিন্তু টলি নায়িকা ব়্য়াচেল হোয়াইট দীর্ঘদিন ধরেই দুবাইয়ের বাসিন্দা। অভিনয় ছেড়ে বেছে নিয়েছেন অন্য পেশা। আতঙ্কে দিন কাটছে তাঁর।
অভিনয় ছেড়ে এখন দুবাইয়ের ব্যস্ত জীবন। কাঁচি আর চিরুনি হাতে গ্ল্যামার দুনিয়ার নেপথ্যে নিজের সাম্রাজ্য গড়েছেন একসময় টলিউড-বলিউডে চুটিয়ে অভিনয় করা র্যাচেল হোয়াইট। কিন্তু যুদ্ধের আবহে আতঙ্কে দিন কাটছে ‘মিসম্য়াচ’ অভিনেত্রীর। সম্প্রতি নিজের ফেসবুক ওয়ালে এক ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করলেন নায়িকা। যে জায়গায় মিসাইল আছড়ে পড়তে পারত, সেই পথ দিয়েই মাত্র ১০ মিনিট আগে ফিরেছেন তিনি।

বিদেশের মাটিতে বিভীষিকা:
র্যাচেল জানিয়েছেন, কাজ থেকে ফিরে দিদির সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলছিলেন। সারা দিনের গল্প করার মাঝেই হঠাৎ বেজে ওঠে জরুরি অবস্থার সাইরেন। ভিডিও কলের ওপার থেকে তাঁর দিদিও শুনতে পাচ্ছিলেন সেই হাড়হিম করা পুলিশ সাইরেন আর বিস্ফোরণের আওয়াজ। র্যাচেল লেখেন, ‘কয়েক মিনিট পরেই জানতে পারলাম যে পথ দিয়ে আমি মাত্র ১০ মিনিট আগে বাড়ি ফিরেছি, ঠিক সেই জায়গাতেই একটি মিসাইলকে মাঝপথে ধ্বংস (Intercept) করা হয়েছে।’ ভাবলে এখনও গায়ের কাঁটা দিচ্ছে অভিনেত্রীর।
মুখে হাসি, মনে উদ্বেগ:
বিদেশে একা থাকার লড়াই যে কতটা কঠিন, তা র্যাচেলের পোস্টে স্পষ্ট। তিনি লিখেছেন, ‘গত কয়েক দিন ধরে মুখে হাসি বজায় রেখে সাহসী হওয়ার অভিনয় করছি। যদিও প্রচণ্ড মাইগ্রেনের ব্যথায় শরীর ভেঙে পড়ছে।’ চারদিকে এই অস্বাভাবিক পরিস্থিতির মধ্যেও মানুষ কাজে যাচ্ছে, ক্লায়েন্টরা অ্যাপয়েন্টমেন্ট রাখছেন—এই ‘স্বাভাবিক’ জীবনের মোড়কে লুকিয়ে থাকা অনিশ্চয়তা তাঁকে ব্যথিত করেছে।
কৃতজ্ঞতা ও প্রার্থনা:
বিদেশে প্রাণের সুরক্ষা দেয় যে উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা (Defense Systems), তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন র্যাচেল। তবে তাঁর সবটুকু জুড়ে এখন কেবল একটাই চাওয়া—শান্তি। তিনি লিখেছেন, ‘দূর দেশে থাকার কারণে এই মুহূর্তগুলো মনের ওপর আরও ভারী হয়ে চেপে বসে। শুধু ঈশ্বরকে ডাকি যেন এই উন্মাদনা দ্রুত শেষ হয় এবং শান্তি ফিরে আসে।’
প্রসঙ্গত, শুক্রবার ছেলে ইউভানকে নিয়ে কলকাতায় ফিরেছেন টলি নায়িকা শুভশ্রী। দুবাইতে ঘুরতে গিয়ে যুদ্ধ আবহে আটকে পড়েছিলেন টলিউডের লেডি সুপারস্টার। যুদ্ধের জেরে আকাশপথ বন্ধ থাকায় ইউরোপ গিয়ে আটকা পড়েছিলেন সন্দীপ্তা সেন। তিনিও শনিবার শহরে ফিরেছেন।
প্রসঙ্গত, ‘হরহর ব্যোমকেশ’ ছবিতে যাঁর রূপ দেখে মুগ্ধ হয়েছিল দর্শক, সেই র্যাচেল এখন দুবাইয়ের অন্যতম ‘কুল’ এবং স্টাইলিশ হেয়ার স্পেশালিস্ট। অভিনয় জগতকে বিদায় জানানোটা তাঁর কাছে কোনো আক্ষেপের বিষয় নয়, বরং নিজের সৃজনশীলতাকে এক নতুন মাত্রা দেওয়া। কিন্তু যুদ্ধের আবহে আপতত ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েছেন নায়িকা।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper











