এই অভিনেত্রীর ছবি হয়েছিল নিষিদ্ধ, পরে তিনি ৩বার জাতীয় পুরস্কার পান! জানেন ইনি কে?
অভিনেত্রীও থিয়েটার, চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশনে যথেষ্ট খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। তিনি এমন একজন অভিনেত্রী ছিলেন যিনি তাঁর জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ছবিতে কাজ করে গিয়েছেন। তবে তাঁর প্রথম ছবি তৎকালীন সরকার নিষিদ্ধ করেছিল। তবে, পরে তিনি তিনটি জাতীয় পুরষ্কার পেয়েছিলেন।
হিন্দি চলচ্চিত্র জগতে এমন অনেক তারকা আছেন যাঁরা চলচ্চিত্র এবং থিয়েটার উভয় ক্ষেত্রেই কাজ করেছেন। এই অভিনেত্রীও থিয়েটার, চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশনে যথেষ্ট খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। তিনি এমন একজন অভিনেত্রী ছিলেন যিনি তাঁর জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ছবিতে কাজ করে গিয়েছেন। তবে তাঁর প্রথম ছবি তৎকালীন সরকার নিষিদ্ধ করেছিল। তবে, পরে তিনি তিনটি জাতীয় পুরষ্কার পেয়েছিলেন।

চিনতে পারছেন অভিনেত্রীকে? তিনি হলেন সুরেখা সিক্রি। সুরেখা সিক্রি ‘কিসসা কুরসি কা’ ছবির অংশ ছিলেন। এটি ছিল সুরেখার প্রথম ছবি। তৎকালীন সরকার ছবিটি নিষিদ্ধ করেছিলেন। ছবিটির প্রিন্টও পুড়িয়ে ফেলা হয়েছিল। ‘কিসসা কুরসি কা’ ছবিটি পরিচালনা করেছিলেন অমৃত নাহাটা। ছবিটি ১৯৭৫ সালের এপ্রিলে (ভারতে জরুরি অবস্থার সময়) তৈরি হয়েছিল, কিন্তু সেই সময় মুক্তি পায়নি। পরবর্তীতে, জরুরি অবস্থার পর জনতা পার্টিতে যোগদানকারী কংগ্রেস নেতা নাহাটা ছবিটি পুনর্নির্মাণ করেন এবং ১৯৭৮ সালে মুক্তি দেন।
সুরেখা তাঁর অভিনীত প্রতিটি চরিত্রেই তাঁর দক্ষতা প্রমাণ করেছিলেন। এরপর, সুরেখা ‘আদি অনন্ত’ (১৯৮৬) ছবিতে অভিনয় করেছিলেন। সুরেখার সবচেয়ে জনপ্রিয় কাজগুলির মধ্যে একটি হল ‘তমস’ (১৯৮৮)। ‘তমস’ ছিল একটি টেলিভিশন নাটক সিরিজ যা প্রথমে দূরদর্শনে প্রচারিত হত। পরে এটি চার ঘন্টার একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে রূপান্তরিত করা হয়।
এই ছবিগুলি ছাড়াও, সুরেখা ‘সেলিম ল্যাংড়ে পে মাত রো’ (১৯৮৯), ‘পরিণীতি’ (১৯৮৯), ‘নজর’ (১৯৯০), ‘কারামতি কোট’ (১৯৯৩), এবং ‘লিটল বুদ্ধ’ (১৯৯৩) -এর মতো ছবিতে অভিনয় করেছিলেন। 'মাম্মো' ছবিটি ১৯৯৪ সালে মুক্তি পায়। এই ছবির জন্য সুরেখা প্রথম জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন।
আরও পড়ুন: টাকার অভাবে জেলে রাজপাল, কেরিয়ারের শুরুতে তাঁর বাড়িতেই খেতেন নওয়াজউদ্দিন! যা বললেন অভিনেতা
মাম্মো পরিচালনা করেছিলেন শ্যাম বেনেগাল। ছবিতে অভিনয় করেছেন ফরিদা জালাল (মাম্মো চরিত্রে), সুরেখা সিক্রি, অমিত ফালকে, হিমানি শিবপুরী এবং সন্দীপ কুলকার্নি।এরপর সুরেখা ২০০১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত জুবেইদা-এর জন্য জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন। জুবেইদাও শ্যাম বেনেগাল পরিচালনা করেছিলেন। ছবিটিতে অভিনয় করেছেন করিশ্মা কাপুর, রেখা এবং মনোজ বাজপেয়ী। তারপর ২০১৮ সালে ‘বাধাই দো’ ছবির জন্য তৃতীয়বারের মতো জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন।
সুরেখা তাঁর টেলিভিশন সিরিয়াল ‘এক থা রাজা এক থি রানি’ (২০১৫-২০১৭), ‘পরদেশ মে হ্যায় মেরা দিল’ (২০১৬-১৭), ‘কেশর’, ‘সাত ফেরে: সালোনি কা সফর’, এবং ‘বালিকা বধূ’তে কাজ করেছেন।
২০২১ সালে মুম্বইয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সুরেখা মারা যান। তিনি ৭৬ বছর বয়সে মারা যান। হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আগে, তিনি দু'বার ব্রেন স্ট্রোক আক্রান্ত হন।
E-Paper











