Sabyasachi-Mithu: মামা-ভাগ্নি থেকে স্বামী-স্ত্রী! সব্যসাচী-মিঠুর বিয়ের নেপথ্যের গল্প জানেন?
ছোটবেলায় সব্যসাচীকে ‘মামা’ বলে ডাকতেন মিঠু। দূরসম্পর্কের আত্মীয়তা দুজনের। সেখান থেকেই শুরু, কাটিয়ে ফেলেছেন দাম্পত্যের ৩৯ বছর।
টলিউডের অন্যতম চর্চিত পরিবার তাঁদের। স্বামী-স্ত্রী থেকে শুরু করে দুই ছেলে, সকলেই অভিনয় পেশার সঙ্গে যুক্ত। কথা হচ্ছে তারকা দম্পতি সব্যসাচী চক্রবর্তী ও মিঠু চক্রবর্তীর। সব্যসাচী চক্রবর্তী বাঙালির প্রিয় 'ফেলুদা। তাঁর স্ত্রী মিঠু চক্রবর্তী বড়পর্দার পাশাপাশি ছোটপর্দাতেও দাপটের সঙ্গে কাজ করেছেন। মাঝে ক্যানসার আক্রান্ত হওয়ায় অভিনয় থেকে দূরে ছিলেন, কিন্তু ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠেছেন মিঠু। দুজনের বিয়ের বয়স ৩৯ বছর। ১৯৮৬ সালে মিঠু চক্রবর্তীর সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল সব্যসাচী চক্রবর্তীর। তবে কি জানেন একসময় সব্যসাচীকে ‘মামা’ বলে ডাকতেন মিঠু!

হ্য়াঁ, ঠিকই শুনছেন। 'ভাগ্নী’কে বিয়ে করে ফেলেছিলেন সব্যসাচী। অবাক হচ্ছেন তো? একসময় শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়ের শো 'অপুর সংসার'এ পুরো বিষয়টি নিজেরাই খোলসা করেছিলে সব্যাসাচী চক্রবর্তী ও তাঁর সহধর্মিনী মিঠু চক্রবর্তী।
মিঠু চক্রবর্তীর বাবা ছিলেন এয়ার ফোর্সের ফাইটার পাইলট। বাড়িতে কড়া শাসনের মধ্যে তাঁর বড় হওয়া। সেখান থেকে অভিনয়ের জগতে এলেন কীভাবে? প্রশ্নের জবাবে মিঠু চক্রবর্তী বলেছিলেন বিয়ের পরই তাঁর অভিনেত্রী হওয়ার সফর শুরু। বিয়ে প্রসঙ্গে মিঠু দেবী বলেন, ‘এটা ছিল অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ। ওরাও দিল্লিতে থাকত, আমারও দিল্লিতে থাকতাম। আমার মায়ের সঙ্গে ওর দূর সম্পর্কের আত্মীয়তা ছিল’। শাশ্বতর প্রশ্ন ছিল, ‘প্রথম দেখা কোথায় হয়েছিল? বড় হওয়ার পর না ছোটবেলায়?’ উত্তরটা ছিল 'ছোটবেলায়’। পুরনো কথা বলতে গিয়ে মিঠু বলেন,'তখন টেপজামা পরে পাঁচিলের উপর আমি হাঁটছি। ওরা আমার বাড়িতে ঢুকছে। ওইটুকু বয়স থেকে আমি ওকে চিনি'। এই কথায় হাসি চেপে সঞ্চালক পালটা বলেন, ‘ ওই স্মৃতিটা তো মুছে যায়নি মন থেকে। এমন মেয়েকে বিয়ে করতে গিয়ে ভয় পাসনি বেণুদা? কবে বাড়ির কার্নিস দিয়ে হাঁটবে!’
শাশ্বতর কথা শেষ হওয়ার আগেই মিঠু চক্রবর্তী বলে উঠেন, 'তখন বিয়ে কোথায়? তখন তো বেণু মামা'। এই কথা শুনে মশকরা করতে ছাড়েননি শাশ্বত। আর তখনই মিঠু চক্রবর্তী মনে করিয়ে দেন দূর সম্পর্কের আত্মীয়তা ছিল তাঁদের। তিনি আরও জানান তাঁর অভিনয় জগতে আসা প্রথম সন্তানের জন্মের পর। শ্বশুরবাড়িতে সকলেই থিয়েটারের সঙ্গে যুক্ত ছিল, সেই থেকেই আগ্রহ জন্মায় তাঁর।
সব্য়সাচী ও মিঠুর দুই ছেলে গৌরব ও অর্জুন। বর্তমানে ছেলে-বউমা নাতিকে নিয়ে প্রায় ভরা সংসার দুজনের।












