Ankita-Abhisekh: Indian Idol থেকে বাদ পড়তে বসেছিলেন কাঁথির মেয়ে অঙ্কিতা, দাদার মত পাশে তৃণমূলের অভিষেক

অঙ্কিতার স্বপ্নের উড়ানে ‘ত্রাতা’ অভিষেক! বাদ পড়ার মুখে রুখে দাঁড়ালেন সাংসদ, দুবাই যাচ্ছেন বাংলার মেয়ে। গর্বিত কাঁথিবাসী। 

Feb 16, 2026, 09:00:33 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ইন্ডিয়ান আইডলের মঞ্চে লড়ছেন বাংলার মেয়ে অঙ্কিতা প্রধান। কিন্তু মাঝপথেই এক চরম সংকটে তাঁর স্বপ্নভঙ্গ হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। ঠিক সেই সময়ই ‘মুশকিল আসান’ হয়ে পাশে দাঁড়ালেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁরই হস্তক্ষেপে শেষ পর্যন্ত কাটল জটিলতা, অঙ্কিতার ইন্ডিয়ান আইডল জয়ের লড়াই এখন সরাসরি পৌঁছে যাচ্ছে বিদেশের মাটিতে।

Indian Idol থেকে বাদ পড়তে বসেছিলেন কাঁথির মেয়ে অঙ্কিতা, দাদার মত পাশে অভিষেক!চ
Indian Idol থেকে বাদ পড়তে বসেছিলেন কাঁথির মেয়ে অঙ্কিতা, দাদার মত পাশে অভিষেক!চ

বিপত্তি কোথায় ছিল?

সোনি টিভির জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো ‘ইন্ডিয়ান আইডল’-এর সেরা দশ বা টপ ১০-এর তালিকায় থাকা একমাত্র বাঙালি প্রতিযোগী পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথির অঙ্কিতা প্রধান। এত দিন মুম্বইয়ে শুটিং চললেও, সেরা ১০ প্রতিযোগিকে নিয়ে এবার ইন্ডিয়ান আইডল পাড়ি দিচ্ছে মরু শহর দুবাইয়ে। অঙ্কিতা নাবালিকা হওয়ায় তাঁর সঙ্গে তাঁর মায়ের দুবাই যাওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। যখন হাতে মাত্র তিন দিন সময় তখন অঙ্কিতার পাসপোর্ট এসে পৌঁছায়। তবে মায়ের পাসপোর্ট আসছিল না। পাসপোর্ট ছাড়া দুবাই যাত্রা অসম্ভব, আর সময়মতো পৌঁছাতে না পারলে প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়ার মুখে দাঁড়িয়ে ছিলেন ১৬ বছর বয়সী অঙ্কিতা।

অভিষেকের তৎক্ষণাৎ হস্তক্ষেপ:

মেয়ের স্বপ্নভঙ্গের আশঙ্কায় অঙ্কিতার পরিবার যোগাযোগ করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসে। সূত্রের খবর, ঘটনাটি জানতে পেরেই অভিষেক তৎক্ষণাৎ বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। তাঁর তৎপরতাতেই আটকে থাকা পাসপোর্টের জট দ্রুত কেটে যায় এবং অঙ্কিতার মা হাতে পাসপোর্ট পেয়ে যান।

দুবাইয়ের পথে অঙ্কিতা:

সাংসদের এই সহায়তায় অঙ্কিতার সামনে থেকে সব বাধা দূর হয়েছে। বাদ পড়ার ভয় কাটিয়ে এবার দুবাইয়ের মঞ্চে নিজের কণ্ঠের জাদু ছড়াতে প্রস্তুত বাংলার এই প্রতিভাময়ী গায়িকা। অঙ্কিতার অনুরাগীরাও অভিষেকের এই মানবিক পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন।

আগামী তিন দিনের মধ্যে পাসপোর্ট জমা দিয়ে অঙ্কিতা ও তাঁর মা দুবাই পাড়ি দিচ্ছেন। এখন দেখার, বিদেশের মাটিতে বাংলার এই প্রতিনিধি দেশের দর্শকদের মন জয় করে ট্রফি নিয়ে ফিরতে পারেন কি না।