Abhisekh-Mullick Family: মল্লিক বাড়িতে অভিষেক! দুধ চা খেয়ে খোশগল্প, কোয়েলের মা'র পা ছুঁলেন TMC-র সেনাপতি

বুধবার বিকালে উন্নয়নের পাঁচালি হাতে রঞ্জিত মল্লিকের লেক রোডের বাড়িতে পৌঁছান তৃণমূল কংগ্রেসের সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়। কী কথা হল তাঁদের?

Published on: Jan 14, 2026 8:39 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বুধবার সকাল থেকে মল্লিক বাড়িতে ব্যস্ততা। বিকালবেলা সেখানে হাজির হবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়। ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ বর্তমানে বাংলার রাজনীতির অন্যতম মুখ। উন্নয়নের পাঁচালি হাতে এদিন রঞ্জিত মল্লিকের গল্ফ ক্লাব রো়ডের বাড়িতে পৌঁছেছিলেন অভিষেক।

মল্লিক বাড়িতে অভিষেক! দুধ চা খেয়ে খোশগল্প, কোয়েলের মা'র পা ছুঁলেন TMC-র সেনাপতি
মল্লিক বাড়িতে অভিষেক! দুধ চা খেয়ে খোশগল্প, কোয়েলের মা'র পা ছুঁলেন TMC-র সেনাপতি

বাড়ির কর্তা-গিন্নি রেডি ছিলেন তাঁকে স্বাগত জানাতে। গত ১৫ বছরে তৃণমূল সরকার কী কী কাজ করেছে মা-মাটি-মানুষের জন্য় তাঁর খতিয়ান রয়েছে উন্নয়নের পাঁচালিতে। সমাজের বিশিষ্টদের হাতে সেই পাঁচালি তুলে দিচ্ছে রাজ্যের শাসকদল। সক্রিয় রাজনীতি থেকে দূরে থাকলেও রঞ্জিত মল্লিকের সঙ্গে তৃণমূল দলের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের নিয়মিত মুখ তিনি। তুঁতে রঙা পাঞ্জাবিতে এদিন দেখা মিলল রঞ্জিতবাবুর। লাল পাড় শাড়িতে একদম ঘরোয়া লুকেই পাওয়া গিয়েছে তাঁর স্ত্রী দীপা মল্লিকের।

সাদা শার্টের উপর কালো সোয়েটশার্ট চাপিয়ে সেখানে হাজির হন অভিষেক। ছিলেন তৃণমূলের সিনিয়র নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্য়ায়ও। কী কথা হয়েছে তাঁদের? রঞ্জিত মল্লিক স্পষ্ট জানিয়েছেন, ‘গত ১৫ বছরে কী কাজ হয়েছে না হয়েছে সে সব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এমনিই সাধারণ কথাবার্তাও হয়েছে।’ জানা গিয়েছে মল্লিকবাড়িতে শুধু হাফ কাপ দুধ চা খেয়েছেন অভিষেক। আর কিছুই দাঁতে কাটেননি স্বাস্থ্য়সচেতন মমতার স্বাস্থ্য়সচেতন ভাইপো।

অভিষেক তাঁর বাড়িতে যাচ্ছেন, এই কথা চাউড় হওয়ার পর থেকেই জল্পনা শুরু হয়েছিল, '২৬-এর বিধানসভা ভোটের আগে তবে কি রাজনীতির ময়দানে আসবেন প্রবীণ অভিনেতা? সেই সম্ভাবনা সরাসরি নাকোচ করে দিয়েছেন রঞ্জিত মল্লিক।

মল্লিক বাড়িতে ঘণ্টাখানেক ছিলেন অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়। বাড়িতে ঢোকবার মুখেই পা ছুঁয়ে প্রণাম করেন কোয়েলের বাবা-মা'কে। এই খাস মোলাকাতের কিছু ঝলক নিজের ফেসবুক পেজেও ভাগ করেছেন সাংসদ। সঙ্গে লেখেন, 'সুশাসনের মাধ্যমে বাংলার মানুষকে সমৃদ্ধ করার গল্পই ‘উন্নয়নের পাঁচালি’। মা-মাটি-মানুষের সরকারের গৌরবোজ্জ্বল ১৫ বছরের উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলি লিপিবদ্ধ হয়েছে ‘উন্নয়নের পাঁচালি’তে। আজ বাংলা চলচ্চিত্র জগতের স্বনামধন্য অভিনেতা শ্রী রঞ্জিত মল্লিক মহাশয়কে উন্নয়নের পাঁচালি-সহ সম্মাননা স্মারক ও উত্তরীয় পরিয়ে অভিনন্দন জানালাম। তিনি বাংলার শিল্প সংস্কৃতির অন্যতম ব্যক্তিত্ব, যিনি বাংলার নাম গৌরবান্বিত করেছেন। তাঁর হাতে রাজ্যের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর চিঠি তুলে দিতে পেরে আমি গর্বিত।

রাজ্যের পরিকাঠামোগত উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প, শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রসারে সরকারের অবদানের কথা তুলে ধরলাম এই সৌজন্য সাক্ষাতে। বাংলার শিল্প ও সংস্কৃতির সঙ্গে উন্নয়নের সেতুবন্ধন গড়ে তুলতেই এই ধরনের উদ্যোগ, যা আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে।'

সিনেমা নিয়েও কথা হয়েছে দুজনের। মাত্র ৭ বছর বয়সে রঞ্জিত মল্লিক অভিনীত গুরুদক্ষিণা দেখেছিলেন অভিষেক। রাজনৈতিক আবহে বেড়ে ওঠা তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্য়ান্ড কিন্তু রঞ্জিত মল্লিকের ছবি দেখার সুযোগ হাতছাড়া করেন না। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েও তিনি জানান, j}